
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পর ‘তীব্র নিন্দা’ জানালেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
রবিবার (৩০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “একটি পরিবারের চারজন মানুষকে এভাবে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক, যা আমাদের সমাজ ও সভ্যতার বিবেককে নাড়া দিয়েছে।
“শিক্ষক দম্পতিসহ একটি পুরো পরিবারের এমন হৃদয় বিদারক পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু একটি পরিবারকে ধ্বংস করা নয়, বরং পুরো সমাজকে নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।”
গত ২২ অগাস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ার বাসা থেকে গণপতি (৬০), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন কোতোয়ালী থানায় অচেনা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী।
ওই দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামের দুই তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হত্যার যে কারণ ও বিবরণ প্রকাশ করেছে তা নিয়ে জনমনে এবং ‘সচেতন মহলে’ নানা প্রশ্ন, সংশয় ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জি এম কাদের।
তার ভাষ্য, “এসব ধোঁয়াশা ও সন্দেহ দূর করা অত্যন্ত জরুরি। ঘটনার প্রকৃত নেপথ্যে অন্য কোনো গভীর রহস্য, পূর্বপরিকল্পনা কিংবা অন্য কারও ইন্ধন রয়েছে কি না তা উন্মোচন করতে হবে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]