
হাম সাধারণত অনেকেই “সাধারণ জ্বর” মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু কিছু গুরুতর ভুলের কারণে এটি শিশুর জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। সচেতন থাকলে এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
অনেক সময় বাবা-মায়ের কিছু ভুলের কারণে বিপদ ডেকে আনতে পারে। তবে হামের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকলেই বিপদ এড়ানো সম্ভব বললেন শিশু বিষয়ক চিকিৎসক আফজাল ফেরদৌস-
১. টিকা না দেয়া বা দেরি করা: হামের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি আসে টিকা না দিলে। টিকা (MMR) না নিলে শিশু মারাত্মক জটিলতায় পড়তে পারে।
২. রোগকে হালকাভাবে নেয়া: অনেকেই ভাবেন নিজে নিজেই সেরে যাবে। কিন্তু অবহেলায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কের সংক্রমণ হতে পারে।
৩. দেরিতে ডাক্তার দেখানো: জ্বর, চোখ লাল, শরীরে ফুসকুড়ি—এসব লক্ষণ দেখেও অপেক্ষা করা। এতে রোগ জটিল হয়ে যায়।
৪. ঘর আলাদা না করা: এই রোগটি হালকা ভাবে নিয়ে একই সঙ্গে থাকা যাবে না। হাম শনাক্ত হলে আক্রান্ত রোগীকে আলাদা রেখে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। যিনি তার দেখভাল করবেন তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতে হবে। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. শিশুকে পানি ও খাবার কম দেয়া: জ্বরের কারণে খেতে না চাইলে অনেকেই জোর দেন না। এতে ডিহাইড্রেশন ও অপুষ্টি বেড়ে যায়।
৬. ভিটামিন এ না দেয়া: হাম হলে ভিটামিন ‘এ’ খুব গুরুত্বপূর্ণ, এটি চোখের ক্ষতি ও জটিলতা কমায়।
৭. শিশুকে ভিড় বা বাইরে নিয়ে যাওয়া: হাম খুব ছোঁয়াচে, এতে অন্য শিশুদেরও ঝুঁকি বাড়ে।
কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন-
১. শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
২.একেবারে খাওয়া বন্ধ করে দিলে
৩. অস্বাভাবিক ঘুম বা খিঁচুনি
৪. ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]