
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও টিকা না নেয়া যে কোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগটি দ্রুত এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির শরীরে সংক্রমিত হয়।
আগে হামকে সাধারণ শৈশব রোগ হিসেবে ধরা হলেও বর্তমানে এটি গুরুতর জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এবং বেশ কিছু শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এতে অভিভাবক, শিশুচিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনসহ সবাই উদ্বিগ্ন। তাই হাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।
তবে হাম হলে কী করবেন? চলুন জেনে নেয়া যাক—
হাম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। রোগীকে ভালোভাবে পরীক্ষা করে চিকিৎসক নিশ্চিত করবেন সত্যিই হাম হয়েছে কি না। সাধারণত তিন দিনের চিকিৎসায় জ্বর কমে যায় এবং সাত দিনের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।
হামে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে এবং ভেজা তোয়ালে বা নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে। বেশি জ্বর হলে বমি হতে পারে, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে, কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
জ্বর হলে করণীয়
বিশ্রাম ও পানি
হাম হলে রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে এবং এ সময় বাসার বাইরে না যাওয়াই ভালো। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাতে হবে এবং স্বাভাবিক খাবারের সঙ্গে বেশি বেশি তরল খাবার দেওয়া উচিত।
হামের জন্য চিকিৎসা অতন্ত জরুরী। কারণ সময়মতো চিকিত্সা করানো না হলে হাম থেকে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন এমনকি মস্তিষ্কে ম্যালিডাইসিস রোগ হতে পারে। তাই হামের নিরাপদ চিকিৎসা করানো খুবই জরুরি।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]