‘নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার সুযোগ নেই, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম’
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:২৮
‘নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার সুযোগ নেই, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম’
বিনোদন ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন নীরব ছিলেন দুই তারকা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে রবি চৌধুরীর বক্তব্যে নতুন করে আলোচনায় এ দম্পতি।


পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে বিপ্লব নামে এক ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন রবি। তিনি জানান, ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে তার সংসার ভাঙার পেছনে বিপ্লব নামে এক ড্রাইভারের ভূমিকা ছিল।


রবি দাবি করেন, ওই ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন ডলি এবং পরবর্তীতে বিষয়টি প্রমাণও হয়। তবে এ অভিযোগ, সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন ডলি।


বুধবার (৪ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন সংগীতশিল্পী ডলি।


ফেসবুক পোস্টে ডলি লেখেন, সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।


ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় না বানানোর অনুরোধ জানিয়ে এ সংগীতশিল্পী লেখেন, আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই— যে ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না।


বিচ্ছেদের কারণের বিষয়ে ডলি বলেন, ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম। অতএব এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই। মাহে রমজানে আল্লাহ সবাইকে পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান করুক।


এর আগে পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।


তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।


রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।


রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com