স্বাধীনতার ৫০ বছরে শিক্ষার চিত্রঃ একটি পর্যালোচনা
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১০:১২
স্বাধীনতার ৫০ বছরে শিক্ষার চিত্রঃ একটি পর্যালোচনা
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

এলহানন হেল্পম্যান নামক একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ২০০৪ সালে তার ‘দ্যা মিস্ট্রি অব ইকোনোমিক গ্রোথ’-এ বলেন, “...শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রসারের মাধ্যমেই উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং এর বাইরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের আর কোনো রহস্য নাই”। ১৮৭২ সালে জাপান সংস্কারের অন্যতম নেতা কিদো তাকায়োমী ‘শিক্ষার মৌলিক বিধান’ (ফান্ডামেন্টাল কোড অব এডুকেশন) ঘোষণায় বলেন, ‘কোন জনসমষ্টিতে একজন মানুষও নিরক্ষর থাকলে সেখানে উন্নয়ন সম্ভব নয়’। অতএব সব কিছুর উন্নতি হচ্ছে আর শিক্ষা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এমন ভাবধারা স্ববিরোধী।


মাত্র নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশকে অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। ১৯৪৭ এ পাকিস্তান সৃষ্টির পর জিন্নাহ সদর্পে বলেছিলেন, ‘উই হ্যাভ কাম টু স্টে’ অর্থাৎ ‘পাকিস্তান টিকে থাকার জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’। অথচ মাত্র ২৩ বছরের মাথায় পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ সৃষ্টি হলে তার ঐ দম্ভোক্তি ভুল প্রমাণিত হয়। অনুরূপভাবে, ভারতের পন্ডিত জওহারলাল নেহেরু ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর এক ভবিষ্যৎবাণীতে বলেন, ‘ভারত বিভক্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না আর অন্তত পূর্ব বাংলা (পরবর্তীতে ‘পূর্ব পাকিস্তান’, বর্তমান বাংলাদেশ) কয়েক বছরের মধ্যে হিন্দুস্থান (ভারত)-এর অন্তর্ভুক্ত হবে’। নেহেরুর এ ভবিষ্যৎবাণীর প্রথম অংশ মিলেছে কিন্তু দ্বিতীয় অংশ মিলেনি। কারণ, বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) মাথা উঁচু করে টিকে আছে শুধু নয়-স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছে। পালন করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট (পররাষ্ট্র মন্ত্রী) হেনরি কিসিঞ্জারের কুখ্যাত মন্তব্য, ‘বাংলাদেশ উইল বি এন ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ হবে বিশ্বসম্প্রদায়ের জন্য ভিক্ষার ঝুলি হাতে একটি দেশ’। তিনি বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ বা ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। অথচ সেই বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক রোল মডেল।


এতসব কটাক্ষ, অবজ্ঞা, অপপ্রচার আর ষড়যন্ত্রের পরও অবাক বিস্ময়ে বিশ্ববাসী আজ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা পর্যবেক্ষণ করছে। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু এখন বাংলাদেশের দৃশ্যমান এক বাস্তবতা। তাছাড়া এমন শত সফলতা প্রতিনিয়ত ছুঁয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে। যেমন শতভাগ শিশুর স্কুলে গমন ও শিক্ষালাভ, ঝড়ে পড়ার হার কমিয়ে আনা, সংখ্যা বিচারে উচ্চশিক্ষায় বিস্ফোরণ (৩.৮ মিলিয়ন), পাকিস্তান আমলের ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থলে ৪৫টি পাবলিক ও ১০৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মেডিকেল, টেক্সটাইল, ম্যারিটাইম, এভিয়েশন সায়েন্সেস, ডিজিটাল ইত্যাদি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দশম শ্রেণি বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বছরে প্রায় ৩৮ কোটি পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ, করোনা মোকাবেলায় সফল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিশ্বময় সুখ্যাতি, অনুন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের তালিকায় আপগ্রেডেশন, বিশ্বের তিনজন অনুপ্রেরণাকারী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা ইত্যাদি অর্জন এ ক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য।


১৯৪৭ সালের পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মোট ছয়টি শিক্ষা কমিশন গঠন করে। কিন্তু কোনো কমিশনই পাকিস্তান সরকেরের দীর্ঘ ২৩ বছরের শাসনকালে শিক্ষার জন্য কোনো পূর্ণাংগ একটি নীতিমালা তৈরি করে দিতে সক্ষম হয়নি। অথচ বঙ্গবন্ধু দেশের শাসনভার হাতে নেয়ার মাত্র ৭ মাসের মধ্যেই ‘খুদা শিক্ষা কমিশনে’র মাধ্যমে একটি আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষানীতি প্রণয়নে উদ্যোগী হন। স্বাধীনতার পর স্বল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু যে সকল যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ক)। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন; খ)। জিডিপির ৪ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়; গ)। জাতীয় শিক্ষানীতি তৈরির লক্ষ্যে ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে শিক্ষা কমিশন গঠন এবং ঘ)। ১৯৭৩ সালে ৩৬,১৬৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ এবং ১,৫৭,৭২৪ জন শিক্ষককে সরকারিকরণ।


স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন হলো ছেলেমেয়েদের জেন্ডার সমতা। ব্যানবেইস এর প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী মেয়েদের শিক্ষার হার প্রাথমিকে শতকরা ৫১ ভাগ যা মাধ্যমিকে ৫৪। এই পরিসংখ্যান বিশ্বের অনেক দেশের কাছেই চমক। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে মূল ধারায় নিয়ে আসা সরকারের আরো একটি বড় সফলতা। প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার হ্রাস পেয়ে ১৮ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে যা ২০১০ সালে ৩৯.৫ শতাংশ ছিল। এটি অবশ্যই দৃশ্যমান অগ্রগতি। শিক্ষার প্রভাবে সচেতনতা বাড়ছে, ফলে বাল্যবিবাহের হারও গত চার পাঁচ বছরে কমে এসেছে। প্রাথমিকের সঙ্গে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষায়ও সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো আলোর মুখ দেখেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজেশন করার নিমিত্তে প্রায় প্রতিটি স্কুলে চালু করা হয়েছে আইসিটি ল্যাব। কম্পিউটার কোর্সকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার লক্ষ্যে ছেলেমেয়েদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার প্রয়াসে স্কুলভিত্তিক আইসিটিমেলা ও বিজ্ঞানমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে বিকাশমান করার লক্ষ্যে স্কুলভিত্তিক নানান প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।


তাছাড়া টিফিন কার্যক্রম, বিনামূ্ল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, স্কুল-ভিত্তিক মেধা ক্লাব গঠন, স্টুডেন্ট কেবিনেট গঠন, সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর জন্য গ্রামে গ্রামে গিয়ে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধকরণ সহ নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ আজ বাংলাদেশকে সফলতার এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। উপবৃত্তি, স্কুল জাতীয়করণ, শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরণসহ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বজনীন করেছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শাখা চালুকরণ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে চলছে উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও এখন আর নেই কোনো সেশনজট। করোনার কবলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত ভর্তি কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১০ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গ্রহণযোগ্য একটি শিক্ষানীতি তৈরি করা হয়। সম্প্রতি কারিগরি শিক্ষার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে একধরনের সচেতনতা তৈরি হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে কারিগরি শিক্ষাকার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ হার বর্তমানে ১৬ শতাংশ।


শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জসমূহ হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূলধারার শিক্ষা সাথে সংযুক্ত করা। কিছু অনগ্রসর অঞ্চল যেমন উপকুলীয় এলাকা, চর, হাওর-বাওর, পাহাড়, চা বাগান এবং ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষাবঞ্চিতের হার বেশী। স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পর ২০১০ সালে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি পেয়েছি সত্যি কিন্তু প্রায় এক দশক অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও একটি পূর্ণাঙ্গ ‘শিক্ষা আইন’ না হওয়া দুঃখজনক। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য যথাযথ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। ফলে মাদক সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও আত্মহত্যা পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে ‘ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট’ এর সকল সুযোগ।


শিক্ষাক্ষেত্রে সঠিক নৈতিকতা ও মূল্যবোধ তৈরি না হওয়ায় বৈষম্য বাড়ছে। শিক্ষার মান বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সর্বস্তরে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে আকাশসংস্কৃতির আগ্রাসন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নীতিবহির্ভূত ব্যবহার ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ভয়ঙ্কর দানবের মতো এগুলো সবার জীবনে চেপে বসেছে। ধ্বংস করে দিচ্ছে মানুষের নীতিনৈতিকতা ও মূল্যবোধ। এই তিন অপশক্তির ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে ম্লান হয়ে যাবে সব অর্জন। এ জন্য প্রয়োজন অভিভাবকদের সচেতনতা, দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার, সুনির্দিষ্ট কৌশল, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগের যথাযথ সদ্ব্যবহার।


ইদানীং দুর্নীতি শিক্ষাঙ্গনে দারুণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তথাকথিত শিক্ষিত কিছু জ্ঞানপাপী রাজনৈতিক দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করছে। আর্থিক কেলেংকারীর পাশাপাশি এসব জ্ঞানপাপীদের নানান রকমের স্বজনপ্রীতি, কর্মস্থলে মাসের পর মাস অনুপস্থিতি, সরকারি অর্থের যথেচ্ছা ব্যবহার, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ লুটপাট, চাঁদাবাজি, গবেষণাকর্মে চৌর্চবৃত্তি, কোচিংবানিজ্য, নিয়োগবানিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুন্ডা-বদমাসদের আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি, সহকর্মী ওশিক্ষার্থীদের সাথে যৌন হয়রানিসহ নানা রকমের নৈতিকস্থলনজনিত অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন, যা মোটেও কাম্য নয়। এগুলো সরকারের অনেক বড় বড় অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ জন্য যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যস্থানে নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়াতে হবে সুকুমার ছাত্ররাজনীতি চর্চা। প্রচলিত আইনে এদের কঠোর বিচার করতে হবে যাতে গুটিকয়েক অপরাধীর কারণে সরকারের কষ্টার্জিত অর্জনগুলো নষ্ট হয়ে না যায়।


শিক্ষা হচ্ছে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। অতএব জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজ গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তাই চতুর্থ শিল্প বিল্পব মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষার হার বাড়াতে হবে, মেধা পাচার রোধ করতে হবে, শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে, সবার জন্য আইসিটি ডিভাইস নিশ্চিত করতে হবে, শিক্ষক-প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়াতে হবে, উচ্চশিক্ষার বদলে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এক্ষেত্রে জাপানের ‘মেইজি মেথড’ অনুসরণ করা যায়। সফটস্কিল বাড়ানোর তাগিদে স্কিল-বেসড অন-লাইন প্রোগ্রাম চালু ও প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা জরুরী। করোনাকালীন অন-লাইন শিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।


শেষ করবো ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবকালের একটি উক্তি দিয়ে। বঙ্গবন্ধু বলেন, “...স্বাধীন বাংলাদেশে যে সম্পদ আছে যদি গড়তে পারি, অনেস্টলি কাজ করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের কষ্ট একদিন দূর হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ”। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে শিক্ষায় বহুমাত্রিক অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সময় লাগবে আরো কয়েক বছর। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বপ্নের সোনার বাংলার দাড়প্রান্তে পৌঁছে যাবে, এটি প্রমাণিত।


লেখক:
প্রফেসর ড. মো. নাসিরউদ্দীন মিতুল
ডিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ইমেইলঃ [email protected]


বিবার্তা/জহির

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com