
টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত একটি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানে ইটভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ও কিলন (ইট পোড়ানোর চুল্লি) ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইটভাটাটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে মধুপুর উপজেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় ইটভাটাটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ও কিলন ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে ভাটাটিতে ইট উৎপাদন ও পোড়ানোর কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ওই ভাটার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তালুকদার, সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল, পরিদর্শক মো. নুরুল আমিন প্রধানসহ জেলা কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ, এসআরবি-১৪ এবং মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইটভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ক্ষতিকর পদার্থ বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটা পরিচালনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশ সুরক্ষা,বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, পরিবেশদূষণ রোধে আইন অমান্য করে কোনো ইটভাটা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বিবার্তা/বাবু/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]