
বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগের ওপর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে, সেটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্যবিলুপ্ত পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পরপরই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
প্রতিবেদনটিকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ও ‘আইনগতভাবে অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল, পাশাপাশি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ বলেছেন। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হস্তক্ষেপও চেয়েছেন বুলবুল।
তাঁর দাবি, এনএসসির ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈধ প্রক্রিয়ায় হয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও জানান, সেই নির্বাচনের আগে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তি ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।
এনএসসির তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত উল্লেখ করে আমিনুল বলেন, আইসিসির নীতিমালা অনুযায়ী সদস্য বোর্ডগুলোকে সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত থাকতে হয়। তাঁর অভিযোগ, এই তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনকে তিনি ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁর ভাষায়, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তাঁরা এই কমিটির কর্তৃত্ব স্বীকার করেন না।
বিবৃতিতে আমিনুল সতর্ক করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। হাইকোর্টের রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই ‘বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি’ বলে দাবি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]