ঈদে লঞ্চে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, পথে পথে ভোগান্তি
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ১৪:৫৬
ঈদে লঞ্চে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, পথে পথে ভোগান্তি
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে ভোলায় নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। পথে পথে নানা দুর্ভোগের মধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। ঘাটে যাত্রীর চেয়ে অটোরিকশার সংখ্যা কম থাকায় বাড়ি পৌঁছাতে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।


বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে থেকেই রাজধানী ঢাকা থেকে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে একের পর এক ঘাটে আসছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। তিলধারণের জায়গা ছিল না লঞ্চগুলোতে। যাত্রীদের ঘাটে নামিয়ে আবার ছুটছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। একই অবস্থা ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা বরিশাল রুটের লঞ্চগুলোতে।


দূরদূরান্ত থেকে নাড়ির টানে পরিবার নিয়ে এসব যাত্রীরা ঘাটে নেমেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যাত্রীর চেয়ে পরিবহন সংখ্যা (বাস, অটোরিকশা) কম থাকায় ঘাটেই দীর্ঘ সময় কাটাতে হচ্ছে। গন্তব্যে পৌঁছাতে গুনতে হয়েছে দ্বিগুন-তিনগুন ভাড়া। তবে ভোগান্তির পর প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগ করতে পারাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।


ঢাকা থেকে আসা মো. ইসমাইল জানান, সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোতে তিলধারণের ঠাই নেই। প্রতিটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ভোলায় আসছে। গরম ও দুর্ভোগের মধ্যেই মানুষ বাড়ি ফিরছেন। যাত্রীর তুলনায় লঞ্চের সংখ্যা কম হওয়ায় যাত্রীরা এভাবে আসতে বাধ্য হচ্ছেন।


পরিবার পরিজন নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে আসা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, কয়েকশ মাইল পাড়ি দিয়ে ইলিশা ঘাটে এসে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। ৬০০ টাকা ভাড়ায় চট্টগ্রাম থেকে ইলিশা ঘাট পর্যন্ত এসেছি। আর ইলিশা থেকে বাড়ি পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার পথ যেতে অটোরিকশা ভাড়া চায় ৭০০ টাকা। অটোচালকদের কাছে ঘরমুখো যাত্রীরা অনেকটা জিম্মি। অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে বেড়িবাঁধ এলাকায় জ্যাম সৃষ্টি হয়েছে।


এ কারণে ঘাটে আসা পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। ফলে প্রায় আধা কিলোমিটার হেঁটে অটোরিকশা ও সিএনজিচালিক যানে উঠতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। তবে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন সিএনজি ও অটোরকিশা চালকরা।


এ দিকে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ফ্রি-বাস সার্ভিস চালু করলেও হাজার হাজার যাত্রী পরিবহনে তেমন ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলারক্ষায় ঘাট এলাকায় পুলিশের বিশেষ টহল ও নজরদারী রয়েছে।


ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও বাড়তি ভাড়া নেয়া বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ।



বিবার্তা/এমবি


সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com