ইরানে হামলায় আকাশসীমা ও ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৮
ইরানে হামলায় আকাশসীমা ও ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানিয়েছে সৌদি আরব।


সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ আশ্বাস দেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।


প্রতিবেদনে বলা হয়, টেলিফোন আলাপে সৌদি যুবরাজ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করতে যেকোনো প্রচেষ্টার প্রতি সৌদি আরবের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।


এর আগে ইরানি গণমাধ্যম জানায়, পেজেশকিয়ান সৌদি যুবরাজকে বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে তেহরান যেকোনো যুদ্ধবিরোধী প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানায় এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ‘শত্রুতামূলক’ সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না তারা।


মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে।


গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি ‘আর্মাডা’ বা বিশাল নৌবহর সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম থেকে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানের দিকে নজর রাখছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের অনেক জাহাজ সেদিকে যাচ্ছে। যদি কিছু হয় সেই প্রস্তুতির জন্য... আমরা ইরানের দিকে একটি বড় ফোর্স পাঠাচ্ছি। আমি চাই না কিছু ঘটুক, কিন্তু আমরা তাদের খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি।’


সোমবার দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানায়, একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর নিরাপত্তা সক্ষমতা যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।


ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দেমটিতে সবচেয়ে বড় দমন-পীড়ন হিসেবে বর্ণনা করছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই অস্থিরতা ও মৃত্যুর জন্য দায়ী বিদেশে বস্থানরত বিরোধীদের মদদে পরিচালিত ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজরা’।


বিবার্তা/এমবি


সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com