শিরোনাম
‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘প্রতিশোধ’ চায় ইরানিরা
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০:০৯
‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘প্রতিশোধ’ চায় ইরানিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

ইরানের রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আজ শনিবার দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন উন্মোচন করা হয়েছে। সেখানে তার পরিবারের সদস্যদের কফিন জনসমক্ষে আনা হয়। এ সময় প্রিয় নেতার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়েন ইরানিরা। সেখানে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক, আবেগ আর প্রতিশোধের আহ্বানে মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানস্থলে বহু শোকাহত লাল পতাকা বহন করেন, যা ইরানে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। তাদের অনেককে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।


রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, কাচে ঘেরা একটি বিশেষ কফিনে রাখা হয়েছে খামেনির লাশ। পাশেই রাখা হয়েছে তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও। এ সময় হাজারও শোকাহত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং শেষবারের মতো তাদের নেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।


আজ শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স এবং আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুরো প্রাঙ্গণ শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। অনেককে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে দেখা গেছে। তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনেও সকাল থেকে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করেন হাজারও মানুষ।


খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান, ইরাক, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার, রাশিয়া, চীন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ডেভেলপিং-৮ (ডি-৮)-এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন।


শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে ইরানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন নিহত হন ৮৬ বছর বয়সি খামেনি। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ওই সময় তিনি তেহরানে তার আবাসিক ভবনে ছিলেন। গত মার্চে খামেনির দাফন হওয়ার কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।


যুদ্ধবিরতির অবসরে চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সাত দিন ধরে চলবে যা শুক্রবার (৩ জুলাই) শুরু হয়েছে।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com