
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এসময় ৪৫টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। আগুন নিভিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় চুল্লিগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খান অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় চুল্লিগুলো স্থাপন করা হয়। প্রতিটি চুল্লিতে ২৫০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হয়। ১০-১২ দিন পোড়ানোর পর চুল্লি থেকে কয়লা বের করা হয়। কাঠ পোড়ানোর সময় চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় গোটা এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। যে কারণে এলাকায় শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে এ ধোঁয়া ফসলের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাই এসব অবৈধ কয়লা কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পান্থামারি মৌজায় বাঙালি নদী সংলগ্ন এলাকায় ৪৫টি অবৈধ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হয়। আমরা যখন অভিযান পরিচালনা করি তখন কারখানার লোকজন পালিয়ে যায়। যার কারনে কাউকে আটক করতে পারিনি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদারের মাধ্যমে জমির মালিক নির্ণয় করে তার বিরুদ্ধে অবৈধ চুল্লি নির্মাণের অপরাধে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজহারুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ দূষিত করে এ ধরণের ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিবার্তা/নুর আলম/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]