যমুনা সার কারখানা উৎপাদন শুরুর ২ দিন পর আবারও বন্ধ
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৩২
যমুনা সার কারখানা উৎপাদন শুরুর ২ দিন পর আবারও বন্ধ
জামালপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট অঅ-অ+

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানা দীর্ঘ আট মাস পর চালু হওয়ার দুই দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়েছে।


বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিলে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।


কারখানা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে কারখানা বন্ধ থাকার পর পুনরায় গ্যাস পেয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) গভীর রাতে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। পরে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।


দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার জন্য বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। তবে কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। বয়লার প্ল্যান্টের সমস্যার সমাধান হলে কারখানা আবারও উৎপাদনে ফিরতে পারবে। পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও গত দুইদিনে মোট এক হাজার ৬শ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করা হয়েছে।


যমুনা সার কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি মেরামতে কাজ চলছে। ত্রুটি সারিয়ে দুই দিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু হতে পারে।


উল্লেখ্য, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ থাকে যমুনা সার কারখানা। পরে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটের কারণে আবারও যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক ১৭শ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন যমুনা সার কারখানা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয় সার কারখানায়। সব প্রস্তুতি শেষে গত সোমবার ভোররাতে আবারও সার উৎপাদন শুরু করেছিল কারখানা কর্তৃপক্ষ।


যমুনা সার কারখানা বিসিআইসির তালিকাভুক্ত এক হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে। স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ও কারখানাটি সচল থাকলে প্রতিমাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানাটির লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা।


অন্যদিকে কারখানা বন্ধ থাকালে অন্যান্য খরচ ছাড়া শুধু প্লান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল দিতে হয় প্রায় ৬ কোটি টাকা।


বিবার্তা/এসএম

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com