
ঢাকার ধামরাইয়ের শরীফবাগ এলাকায় স্টিলের সেতুটি এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুটির পাটাতন ভেঙে গেছে কয়েকটি স্থানে, দাঁড়ানোর জায়গাগুলোর পাটাতন নেই। কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ১০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম এই সেতুটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ।প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও মানুষ এই সেতু ব্যবহার করলেও আজ পর্যন্ত সংস্কার করা হয়নি ভাঙা অংশগুলো। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ধামরাই উপজেলা পরিষদ থেকে মাত্র ১কি.মি.১ দূরে বংশী নদীর ওপর মাধববাড়ি ঘাটে কয়েক যুগ আগে নির্মিত হয় এই আয়রন সেতুটি। ধামরাই পৌরসভার সঙ্গে ধামরাই সদর, ভাড়ারিয়াসহ ৪টি ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপন করেছে। বর্তমানে সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল-দেবে যাওয়া পাটাতন, জং ধরা রেলিং দিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ পার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, এই সেতু দিয়ে চলাচকে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। সেতুর পাশেই রয়েছে আফাজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি মাদ্রাসা। কোমলমতি শিশুরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নিয়ে পার হচ্ছে এই মরণফাঁদ। অনেক সময় ছোট খাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
সেতুটির অনেক জায়গায় স্টিল উঠেগেছে, পা আটকে আটকে যায়, আবার রিকশা চাকা আটকে গিয়ে সৃষ্টি হয় যানজট। সরু এই সেতু দিয়ে দুইটি রিকশা পাশাপাশি আসলে পথচারীদের দাঁড়ানোর জন্য যে পয়েন্ট গুলো ছিল সেগুলোর ১টিরও পাটাতন নেই, কোন রকম এদিক সেদিক হলেই সেতু থেকে পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে মৃত্যু।
সরজমিনে দেখা যায়, ঝুঁকি নিয়েই পার হচ্ছে পণ্যবাহী ছোট ছোট যান। এলাকাবাসীর দাবি, বড়ো কোনো বিপর্যয় ঘটার আগেই এখানে একটি টেক সই কংক্রিট সেতু নির্মাণ করা হোক।
স্ট্যান্ডিং পয়েন্টসহ ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য কংক্রিটের সেতু তৈরির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল মামুন।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ঝউঊ) মো.নুরে আলম জানান, কেবল আশ্বাস নয়, ধামরাই সদর ও ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ।
বিবার্তা/শরিফুল/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]