ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকের ৬১ স্পটের ‘সন্ধান’
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:০৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকের ৬১ স্পটের ‘সন্ধান’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের একটি অংশে মাদক বিক্রির মোট ৬১টি স্পটের ‘সন্ধান’ পাওয়া গেছে। এসব স্পটে চাইলেই ইয়াবাসহ নানা ধরনের ভারতীয় মাদক সহজভাবে পাওয়া যায়। এমন ভয়ংকর তথ্য দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ।


রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তিনি এ তথ্য দিয়েছেন।


একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিক্রি প্রতিরোধে মাদক কারবারিদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ সুপার।


পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ জানান, মাদক কারবারিদের তালিকা করতে গিয়ে জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের একটি অংশে ৬১টি মাদক স্পট পাওয়া গেছে।


পুলিশ সুপার বলেন, যেখানে চাইলে আপনি ইয়াবা পাবেন। বিজয়নগরের ভয়াবহ অবস্থা, কী অবস্থা তা কল্পনাও করতে পারবেন না। এলাকা, গ্রাম এবং পাড়া-মহল্লাভিত্তিক মাদক কারবারিদের তালিকা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান বলেন, আগে নাসিরনগর তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। এখন এদিক দিয়ে মাদক পাচারের রাস্তা বানিয়েছে। তিন-চার দিন আগে ফেসবুকে দেখলাম গাঁজার বিরাট বড় এক চালান ধরা পড়েছে। মাদক প্রতিরোধে ইউনিয়নগুলোতে সভা করতে হবে। নাসিরনগরের ধরমন্ডলে মাদকের ব্যবহার বেশি। আমরা সেখানে প্রথম সভা করতে পারি।


সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন আকন্দ বলেন, যারা মাদক সম্রাট তাদের গ্রেফতার করার পর জামিন যাতে না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।


জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন বলেন, আমরা সবাই জানি কারা মাদক ব্যবসায়ী, চোরাচালানি। কথা হলো বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? বিগত সরকারের আমলে আমাদের বিরুদ্ধে একশো-দেড়শো মামলা দেওয়া হয়েছে। যারা মাদক ব্যবসায়ী-ডিলার তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। জামিন হলে সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে মামলা দিতে হবে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফখর উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, প্রশাসন, নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে কারা মাদক ব্যবসায় জড়িত তাদের চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করতে হবে।


বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com