
দেশের দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে। মাঝারি তাপপ্রবাহের কারণে ব্যাহত হচ্ছে জেলাবাসীর জীবনযাপন। বাতাসে আর্দ্রতা কমে আসায় তীব্র গরমের প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জেলার সর্ব্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ।
আর দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিন ঘণ্টার ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা বেড়েছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এমন গরমের দাপটে শহর থেকে গ্রামীণ জনপদও নাজেহাল হয়ে পড়েছে। কৃষক-শহরের রিকশাচালক থেকে সাধারণ মানুষ সবার মুখে এখন একটাই কথা ‘এই গরম আর সহ্য হয় না।’
অসহ্য গরমে দুপুরে জেলার প্রধান সড়কগুলো প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই দিনভর ঘরে থেকে গরম সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অতি প্রয়োজনে মানুষ ছাতা মাথায় অথবা রিকশায় চলাচল করছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, তীব্র গরমের কারণে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। প্রতিদিনই গরমজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সবাইকে বাড়ি থাকা ও পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদেরা জানান, ৩৬ ডিগ্রি থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে। সে হিসাবে চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে।
বিবার্তা/আসিম/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]