
প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভেঙে দেওয়ার পরও পুনরায় সচল হয়েছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার চরঝিকড়ী জান্নাত-শামীম ব্রিকস (জে.এস.বি) ইটভাটা। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আবারও কার্যক্রম শুরু করেছে ভাটাটি।
জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ভাটার টিনের চিমনি ভেঙে দেওয়া হয় এবং মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্বদেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিক। সে সময় ভাটার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে মাস না পেরোতেই আবারও টিনের চিমনি নির্মাণ করে ইট পোড়ানো শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভাটায় শ্রমিকরা কাজ করছেন এবং গাড়িতে করে ইট সরবরাহ করা হচ্ছে। কালো ধোঁয়ায় আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভাটার ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে ভুগছেন তারা। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরাও দুর্ভোগে পড়ছে।সেই সাথে রাস্তার পাশ থেকে গভীর করে মাটি কেটে ইট প্রস্তুত করায় আগামী বৃষ্টির মৌসুমে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাটা ম্যানেজার দাবি করেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে আগের থেকে প্রস্তুত করা কাচা ইট গুলো পোড়ানো হচ্ছে। আগামী বছর কাগজপত্র ও নতুন চিমনি করে ইট পোড়ানো হবে। যদিও পাশেই শ্রমিকরা নতুন করে ইট প্রস্তুত করে যাচ্ছে।
অন্যদিকে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মো. রিফাতুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাটা মালিক অবৈধ ভাবে টিনের চিমনি দিয়ে ইট পোড়াতেন। সেখানে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে ভাটা মালিককে জরিমানা ও টিনের চিমনি ভেঙে দিয়েছে ছিল। তারা যদি আবারও টিনের চিমনি দিয়ে ইট পোড়ানো শুরু করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবার্তা/মিঠুন/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]