আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ‘অস্বাস্থ্যকর’ তালিকায় ঢাকা
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ‘অস্বাস্থ্যকর’ তালিকায় ঢাকা
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অঅ-অ+

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা কমলেও বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকা অবস্থান আজ ১৬তম। ১৫১ স্কোর নিয়ে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্কে (আইকিউএয়ার) ঢাকা শহরের বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।


অন্যদিকে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ৩৯৮। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, এদিন বিশ্বের বায়ুদূষণ শহরগুলোর তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ৩৯৮। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া বায়ুমান স্কোর ২২৮ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, ১৭৮ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের আরেক শহর মুম্বাই, ১৭৫ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে সেনেগালের ডাকার এবং পঞ্চম স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের স্কোর ১৭২।


আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।


এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।


বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।


২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।


ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com