
প্রিয় পানীয় চা হচ্ছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডার। বিশেষ করে গ্রিন-টিয়ে উপাদানটি প্রচুর পরিমাণ রয়েছে। এ জন্য নিয়মিত গ্রিন টি পানে একাধিক ছোট ছোট বিভিন্ন রোগ এড়িয়ে চলা যায়।
কফিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যাফিন নামক উপাদান থাকে, যা মুড বুস্ট করার কাজ করে থাকে। এমনকি চা-কফি উভয়তে থিওফাইলিন ও থিয়াব্রোয়িন রয়েছে, যা স্বাস্থ্য কমানো থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন কাজ করে থাকে। এ জন্য নিয়মিত চা-কফি পরিমিত পরিমাণ পান করা যায়।
তবে খালি পেটে চা-কফি পান করা ঠিক নয়। কেননা, চা-এর মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ ট্যানিন রয়েছে, যা খালি পেটে অম্ল ক্ষরণ বাড়িয়ে তুলতে পারে। এতে গ্যাস-অ্যাসিডিটির মতো জটিল সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আবার চা হচ্ছে মূত্রবর্ধক পানীয়। এ জন্য সকালে খালি পেটে চা পান করলে শরীরে ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি চা শরীরে আয়রন শোষণেও বাধা প্রদান করতে পারে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা পানের অভ্যাস পরিহার করার চেষ্টা করুন।
চা-এর মতোই সকালে খালি পেটে কফি পানেও নানা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, কফিতে মজুত থাকা ক্যাফেস্ট্রল নামক উপাদানটি হৃদগতির ছন্দপতন বা অ্যারিদমিয়ার কারণ হতে পারে। এমনকি দিনে ২৫০ গ্রামের বেশি ক্যাফিন গ্রহণ করা হলে ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে খালি পেটে কফি পানে নিষেধ করা হয়।
এ চিকিৎসকের মতে, দিনের শুরুতে দুধ-চিনি মিশিয়ে কফি পান করা হলে বিভিন্ন স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গ্যাস-অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে ওবেসিটি, কোলেস্টেরল বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি চিনি ও দুধের আক্রমণে দাঁতেরও ক্ষতি হতে পারে। এসব সমস্যার জন্য খালি পেটে দুধ ও চিনিযুক্ত চা-কফি পান করা ঠিক নয়।
দিনে কত কাপ চা-কফি:
সারাদিনে ২ থেকে ৩ কাপের বেশি চা-কফি পান করা উচিত নয়। এসব পানীয়ের সঙ্গে অন্য কোনো খাবার খাওয়াও ঠিক নয়। এতে গ্যাস-অ্যাসিডিটির মতো রোগ হতে পারে। আর এক কাপ চা পানের পর অন্তত ৩ কাপ পানি পান করতে হবে। ফলে চায়ের ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে ওঠা যায়।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]