জাপা ও এনডিএফকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে হাইকোর্টের রুল
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৪২
জাপা ও এনডিএফকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে হাইকোর্টের রুল
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) প্রার্থীদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল প্রশ্নেও রুল জারি করেছেন আদালত।


রবিবার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির।


এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) প্রার্থীদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয় গত ৭ জানুয়ারি। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আরও শুনানির জন্য আজ ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার করেন হাইকোর্ট। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি শুনানি ও আদেশ দেওয়া হয়েছে।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত ৪ জানুয়ারি হাইকোর্টে এ রিট করেন। রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়।



রিটকারীর পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের অংশ। গত ২৬ ডিসেম্বর গুলশানের লেকশোর হোটেলে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী।


অপরদিকে, জাতীয় পার্টি (আনিসুল ইসলাম) ও জেপির নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছে।


এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।


কেন রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে জানতে চাইলে রিটকারীর আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বধীন ১৪ দলীয় জোট মহাজোট হিসেবে পরিচিত। এই মহাজোট জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত।


এই জোটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ/ইনু), জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), তরিকত ফেডারেশনসহ ১৪টি দল ছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে তারাও অপরাধ করেছে। যে কারণে সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তারা নির্বাচনের অযোগ্য হবে।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com