
কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ বন্ধ হয়। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
বন্ধ হওয়ার আগে টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে গিয়ে সংকট বাড়ে। এর প্রভাব পড়ে আবাসিক রান্না, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। একই সঙ্গে সিএনজি স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারিও দেখা দেয়।
এরপর গত ৬ আগস্ট টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু করা হয়। একটি বয়লার ব্যবহার করে ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল। তবে কয়েক দিন পরই কারিগরি ত্রুটির কারণে আবারও কার্যক্রম ব্যাহত হলো।
টার্মিনালটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের ঘাটতি আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এর আগে সাগর উত্তাল থাকায় কাল সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় সামিটের এলএনজি চালু হলেও সরবরাহ এখনো মাত্র ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে তারা রাতের মধ্যে সরবরাহ বাড়াবে বলে আশা করছে। তবে যে ঘাটতি তা সামিটের এই সরবরাহ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব না। ফলে গ্যাস সংকট আর ভোগান্তি চলমানই থাকবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]