
সম্প্রতি দেশে মব-সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘মব কালচার শেষ।’ আমরা আশ্বস্ত হয়েছিলাম। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের মব-সহিংসতা প্রতিহত করতে না পারা এবং ক্ষেত্র বিশেষে নিশ্চুপ থেকে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার দুরভিসন্ধিতে জনগণের মধ্যে নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তা জনমনে স্বস্তি দিয়েছিল। কিন্তু, হতাশার সঙ্গে আমরা দেখতে পাচ্ছি, মব-সহিংসতা দমনে বিএনপি সরকারও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
নির্বাচনের আগে বিএনপি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটকে ধারণ করার ঘোষণা দিয়েছিল। অথচ, আমরা দেখলাম, এই সরকারের আমলে সবার আগে আক্রান্ত হলো স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অমূল্য ঐতিহ্য ৭-ই মার্চের বিখ্যাত ভাষণ। প্রকাশ্যে এই ভাষণ বাজানোয় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মববাজদের আক্রমণের শিকার হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি এবং স্বৈরাচার বিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসংগ্রামী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। তিনি শুধু আক্রান্তই হননি, উল্টো তাঁকে সেদিন সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে। সমাজের নানা প্রান্ত থেকে ইমির মুক্তির দাবি জানানো হলেও, সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। শিকারী বহাল তবিয়তে বাইরে ঘুরছে, আর শিকার বিনা অপরাধে বন্দি হয়ে আছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে!
এমন অদ্ভুত আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের বরখেলাপ আমাদের আবারও অতীতের স্বৈরাচারী শাসকদের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমরা কি এমন গণতান্ত্রিক সরকার চেয়েছিলাম, যারা অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের মতোই মব-সন্ত্রাসীদের কাছে নতজানু থাকবে? সরকার কি ভুলে গেছে, একটি ঘটনায় প্রশাসনের নতজানু অবস্থা, আরও বহু ঘটনার পথ প্রশস্ত করে? বিগত কয়েকদিনে সেটাই আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে দেশে। গেল সপ্তাহে তিনটি মব-সহিংসতার ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। একটি ঘটেছে রাজধানীর কেন্দ্রস্থল শাহবাগে এবং অপর দুটি রংপুর মহানগর ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নে।
শাহবাগে গত ১০ এপ্রিল নিজস্ব আড্ডায় চা-পানরত একটি বন্ধু-গোষ্ঠীর ওপর আচমকা হামলা ও নির্বিচারে মারধর করা হয়। হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ অন্তত আটজন অধিকারকর্মী ছিলেন। যে অযৌক্তিক অভিযোগে এর আগে সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাহারা চৌধুরী রেবিলকে আজীবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, শাহবাগেও মববাজরা একইরকম ভিত্তিহীন অভিযোগে আড্ডারত অধিকারকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। শাহবাগ থানার সামনে এমন ঘটনা ঘটলেও, পুলিশ নিশ্চুপ দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। আক্রান্তরা তৎক্ষণাৎ সাধারণ ডায়েরি ও এফআইআর করতে গেলেও শাহবাগ থানা তা আমলে নেয়নি।
আমরা অতীতেও পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক পক্ষাবলম্বন দেখেছি। আবারও দেখলাম। পুলিশ আসলে কাদের উদ্দেশ্য সাধন করতে চায়, সেই জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসনকে দিতে হবে।
রংপুরের ঘটনাটিও গত ১০ এপ্রিলের। আগের দিন, ৯ এপ্রিল বিকেলে মো. মমিন নামক এক ব্যক্তির সঙ্গে মাদকসংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে রাকিব হাসান নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল জানাজার পরে রাত ৮টা নাগাদ নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ায় ৪০-৫০ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থানীয় দোকাটপাট ও বাড়িঘরে হামলা চালায়। রাকিব হত্যাকাণ্ডে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে, বিনা উস্কানিতে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে চালানো মব-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তবে কি ময়মনসিংহের দীপু চন্দ্র দাসের মতো আর কোনো হিন্দু যুবককে সেদিন মববাজরা জীবিত পুড়িয়ে মারলে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিত?
এই মব-সহিংসতা সিরিজের সবচেয়ে বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ায়। দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের এক দরগায় হামলা চালিয়ে দরগার প্রধান সাধক বা পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরকে হত্যা করা হয়েছে গত ১১ এপ্রিল। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। হত্যা করার সময় তাঁর আস্তানায় ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে মব-সন্ত্রাসীরা, যাদের নেতৃত্বে ছিলেন একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। নিহতের বিরুদ্ধে স্থানীয় এই মববাজদের অভিযোগ, তিনি ‘ধর্ম অবমাননা’ করেছেন। এর আগে ২০২১ সালে একই অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার বহু আগের একটি ভিডিও ক্লিপস সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাঁকে হত্যার ফাঁদ তৈরি করেছে উগ্রপন্থি মববাজরা। ধর্মকে কৌশলে ব্যবহার করে কাউকে হত্যাযজ্ঞ করা কিংবা হত্যা করার এক ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশ। আক্রান্ত হচ্ছে মাজার-দরগাসহ বাউল-পীরদের আস্তানাগুলো। এরই সর্বশেষ নজির শামীম রেজার এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। এই হত্যাকাণ্ড আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রাজবাড়ির গোয়ালন্দে দরবার শরীফে সদ্যসমাহিত সাধক নুরুল হক মোল্লার লাশ কবর থেকে উঠিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটিকে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক এসব হামলা ও মব-সন্ত্রাসের তীব্র উদ্বেগ প্রকাশসহ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে মব-সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছে।
আমরা দেখতে পাচ্ছি, সকল ক্ষেত্রেই হামলাকারীরা হলো তথাকথিত উচ্ছৃঙ্খল ‘তৌহিদী জনতা’, যাদের এক সময় প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। সে সময় ধানমণ্ডি-৩২ ভাঙা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক এবং বাউল-পীর-আদিবাসী-বিভিন্ন প্রকৃতির সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ওপর হামলা, প্রথম আলো-ডেইলি স্টার-ছায়ানট-উদীচী ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল সরকারের নীরব ভূমিকার কারণেই। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং মব-সন্ত্রাসীদের আক্রমণকে বৈধতা দিতে তাদের ‘প্রেসার গ্রুপ’ আখ্যা দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সে সময় মব-সহিংসতায় অংশ নিয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হঠাৎ ক্ষমতায়িত হওয়া উত্তেজিত-অবিবেচক তরুণ জনগোষ্ঠী ও চিহ্নিত কিছু মবনেতা, যাদের পরিচালনা করেছে কট্টর দক্ষিণপন্থিরা। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে কখনোই সেভাবে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নামমাত্র কিছু গ্রেফতার নাটক করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, অন্য মববাজরা তাদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে আনন্দ মিছিল করেছে।
বেদনার বিষয়, তাদের অনেকেই আজকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। কেউ কেউ হয়তো জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ববান আচরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু, তাদের মনোজগতের উগ্রপন্থা ও ধর্মকে ব্যবহার করার দুরভিসন্ধি মজ্জাগতভাবেই রয়ে গেছে। একটু পরিস্থিতি অবলোকন করে, নতুন সরকার গঠনের অল্প কয়েকদিন অপেক্ষা করে, নতুন রূপে পুরোনো মব-সহিংসতার মাধ্যমে তথাকথিত ‘তৌহিদী জনতা’ আবার ফিরে আসতে চাইছে। উল্লিখিত ঘটনাগুলোর মাধ্যমে তারা পরখ করতে চেয়েছে, তাদের এই মিশনের বিপরীতে বিএনপি সরকারের প্রকৃত মনোভাব কী? সরকার কীভাবে সাড়া দেয় তা বুঝে তারা সিদ্ধান্ত নেবে, সামনের দিনগুলোতে মব-সহিংসতার রূপ কী দাঁড়াবে। এখনও কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়া বর্তমান সরকারও কি অথর্ব অন্তর্বর্তী সরকারের মতোই ‘বৈধতা’ উৎপাদনের রাস্তা বেছে নিতে চায়? সরকারের উচিত হবে, অনতিবিলম্বে কঠোর হাতে মবরাজত্বকে দমন করা।
গত নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে জানিয়েছে, বাংলাদেশকে আফগানিস্তান হতে দিতে চায় না তারা। সেই বার্তাকে ভুলে গেলে সরকার বড় ভুল করবে। মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটকে সমুন্নত রাখতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রকৃতির সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার দায় সরকারের জন্য বড় দায়। সেই দায় পূরণের জন্য আমরা নতুন সরকারকে আহবান জানাই। পাশাপাশি, এসব ঘটনার বয়ান নির্মাণে গণমাধ্যমের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল আচরণ আমরা প্রত্যাশা করি।
সংগঠনটির দাবি:
১। শাহবাগ, রংপুর ও কুষ্টিয়ার ফিলিপনগরে হামলাকারী ও হত্যাকারী মব-সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
২। অবিলম্বে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে বিনাশর্তে মুক্তি ও সাহারা চৌধুরী রেবিলের ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দিতে হবে।
৩। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে মনোযোগ দিতে হবে।
৪। সহিষ্ণু সমাজ নির্মাণে কাজ করতে হবে, অসহিষ্ণু শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্র করতে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিবৃতিটি অনলাইনে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮ জন শিক্ষক:
১. মাইদুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, সমাজতত্ত্ব বিভাগ, পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়
২. কামাল চৌধুরী, অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩. কাজলী সেহরীন ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪. সৌভিক রেজা, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৫. মারিয়া ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৬. ইসমাইল সাদী, সহকারী অধ্যাপক, স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৭. শেখ নাহিদ নিয়াজী, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
৮. গোলাম সারওয়ার, সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৯. শর্মি হোসেন, শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
১০. হাসান তৌফিক ইমাম, সহকারী অধ্যাপক শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
১১. ফাহমিদুল হক, অধ্যাপক (সাবেক) , গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. তাহমিনা খানম, সহযোগী অধ্যাপক, ব্যষব্যবস্থাপনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. রায়হান রাইন, অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. মাহবুবুল হক ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. কামরুল হাসান মামুন, অধ্যাপক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৬. অভী চৌধুরী, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
১৭. হাসান তৌফিক ইমাম, সহকারী অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
১৮. আসিফ মোহাম্মদ শাহান, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯. তাসনীম সিরাজ মাহবুব, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০. শাশ্বতী মজুমদার, সহযোগী অধ্যাপক, চারুকলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২১. কাজী ফরিদ, অধ্যাপক, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২২. অলিউর সান, প্রভাষক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
২৩. কাজী মামুন হায়দার, সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৪. মার্জিয়া রহমান, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৫. খাদিজা মিতু, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
২৬. আ-আল মামুন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৭. রুশাদ ফরিদী, সহকারী শিক্ষক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৮. সামজীর আহমেদ, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
২৯. শর্মি বড়ুয়া, প্রভাষক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩০. মিম আরাফাত মানব, প্রভাষক, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৩১. রাইয়ান রাজী, শিক্ষক, স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৩২. সৈয়দ নিজার, সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩. লায়েকা বশীর, প্রাক্তন শিক্ষক, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
৩৪. আরাফাত রহমান, সহকারী অধ্যপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫. গীতি আরা নাসরীন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৬. কাব্য কৃত্তিকা, প্রভাষক, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৭. শেহরীন আতাউর খান, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
৩৮. আইনুন নাহার, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৩৯. কাজী শুসমিন আফসানা , সহযোগী অধ্যাপক, নাট্য কলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৪০. মো ইমদাদুল হক খান, ক্যানসার গবেষক, যুক্তরাষ্ট্র
৪১. তীব্র আলী, প্রফেসর, ব্র্যাসক বিশ্ববিদ্যা লয়
৪২. সিউতি সবুর, নৃবিজ্ঞানী, সহযোগী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৪৩. সিরাজাম মুনিরা, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
৪৪. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী, অধ্যাপক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৫. নাইরা খান, সহযোগী অধ্যাপক, ভাষাতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৬. সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৭. সৌমিত জয়দ্বীপ, সহকারী অধ্যাপক, স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৪৮. মাহমুদুল সুমন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৪৯. মোশাহিদা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক, একাউন্টটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫০. হাসান তালুকদার, জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, স্কুল অফ জেনারেল এডুকেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৫১. আলি আহসান, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
৫২. প্রাপ্তি তাপসী, প্রভাষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৩. সৌম্য্ সরকার, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪. নাসির আহমেদ, অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
৫৫. ফাতেমা শুভ্রা, সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
৫৬. নাসরিন সিরাজ, সহকারী অধ্যাপক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
৫৭. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৫৮. আনু মুহাম্মদ, প্রাক্তন অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]