সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন
‘অর্থাভাবে কেউ শিক্ষা-চিকিৎসা সংকটে পড়লে ব্যবস্থা নেবে সরকার’
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ২২:৫২
‘অর্থাভাবে কেউ শিক্ষা-চিকিৎসা সংকটে পড়লে ব্যবস্থা নেবে সরকার’
হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। আমাদের দলীয় চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে দেশ এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। অর্থাভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসা সংকটে কেউ পড়লে তা প্রশমনে সরকারি ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীদের মাঝে এবং ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচীর আওতায় ভিক্ষুকদের মাঝে অনুদান ও গবাদি পশু বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা সুলতানা নীলার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল মতিন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স অল্প দিন হলেও নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএনপির দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার কাজ শুরু করেছে। দেশের তথা এই এলাকার জনমানুষের কল্যানে তার উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।


জেলা প্রশাসকের আহবানে সাড়া দিয়ে আজ যেসব উপকারভোগী ১টি করে গবাদি পশু পেল তাদের আরও ১টি করে বিতরনের উদ্যোগের কথা জানান তিনি।


জাহিদ হোসেন বলেন, দারিদ্র বিমোচনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনী ওয়াদা ১০হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরন চালু হয়েছে। ঈদের পরে কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যে খাল খনন, মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জেম ও খাদেমদের জন্য সরকারি ভাবে মাসিক সম্মানি ভাতা চালু করা হয়েছে।


আলোচনা সভায় দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিক্ষুক পুন:বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তাদেরকে ১০০দিন নজরদারীর মধ্যে রাখতে হবে। এর মাঝে কেউ যেন ভিক্ষাবৃত্তিতে আবারও যুক্ত না হতে পারে সেটি দেখবাল করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারী কর্মকর্তাদের ট্যাগ অফিসার করে ব্যবস্থা নিতে বিরামপুরের ইউএনও মহোদয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর এই ১০০দিনের জন্য প্রতিটি ভিক্ষুককে ১০০ কেজি করে চাল বিতরনের ঘোষনা দেওয়া হবে। তিনি ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তা ভোগী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং পরিবার ও সমাজ থেকে মাদক নিমূলে প্রশিক্ষনের উদ্যোগ নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসকে নির্দেশনা দেন, প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষনা দেন।


বিবার্তা/রব্বানী/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com