
ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ‘আন্তর্জাতিক আইনের নিয়মের বাইরে’ ছিল। একই সময়ে ইতালি তেহরানে তাদের দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর সিএনএনের।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিরোধী সংসদ সদস্যরা যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আন্তর্জাতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন, তখন ক্রোসেত্তো জবাবে বলেন, ‘অবশ্যই এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের নিয়মের বাইরে ছিল, এটি বলার অপেক্ষা রাখে না।’
এরপর সন্ধ্যায় ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও তাজানি জাতীয় টেলিভিশনকে জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অনুরোধে ইতালি সেখানে ‘প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের আকাশসীমা রক্ষা এবং নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই অঞ্চলে হাজার হাজার ইতালীয় নাগরিক বসবাস করছেন।
পরে বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তাজানির দপ্তর জানায়, ইতালি তেহরানে তাদের দূতাবাস বন্ধ করেছে এবং প্রায় ৫০ জন ইতালীয় নাগরিককে আজারবাইজান হয়ে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ইরানে যেসব ইতালীয় নাগরিক এখনও রয়েছেন, তাদের জন্য কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হবে বাকুতে (আজারবাইজানের রাজধানী) অবস্থিত ইতালির দূতাবাসের মাধ্যমে।
তাজানির পোস্টে একটি ভিডিওও ছিল, যেখানে তাকে তেহরান থেকে সরিয়ে নেয়া এক ইতালীয় নারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাজানি জিজ্ঞেস করেন, ‘আজ বোমাবর্ষণের সময় পরিস্থিতি কেমন ছিল?’ এর জবাবে ওই নারী বলেন, ‘আমরা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। আমরা গত রাতে রাত ১০টায় বের হয়ে যাই এবং এখনো ঘুমাতে পারিনি। তেহরানে এখনও বোমাবর্ষণ চলছে।’
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]