এই সময়ে পা কি বেশি ফাটছে?
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৫৯
এই সময়ে পা কি বেশি ফাটছে?
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

প্রকৃতিতে একটু একটু করে আসছে শীতের আমেজ। খুব গরমও না আবার খুব ঠাণ্ডাও লাগছে না এখন। তবে ত্বকের শুস্কতা হচ্ছে, আর্দ্রতা কমে যাচ্ছে। সেই ত্বকের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া। এই সমস্যা কমবেশি অনেকেরই হয়। অনেকের আবার সারা বছরেই পা ফাটার সমস্যা থাকে।


যাদের সারা বছর ফেটে থাকে অথবা যাদের শুধুমাত্র শীতকালে ফেটে যায় উভয়কেই সব সময়েই গোড়ালির যত্ন নিতে হবে। নিজেদের অবহেলার জন্যই এই সময় শুরু হয় পা ফাটার সমস্যা। নিয়মিত যত্ন নিলে মুক্তি মিলবে এ সমস্যা থেকে।


ঘরে বসেই আপনি পা ফাটার এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন নিমিষেই। দেখে নিন প্রতিকারের ঘরোয়া সমাধান।


বেকিং সোডা


পা ফাটা রোধে বেকিং সোডা বেশ কার্যকর। এজন্য একটি পাত্রে পর্যাপ্ত পানি নিন। পানিতে তিন চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশান। সেই পানিতে ২০-৩০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পানি থেকে পা তুলে পিউমিক স্টোনের সাহায্যে পায়ের গোড়ালি আস্তে আস্তে ঘষুন। মরা চামড়া তুলে ফেলুন। এরপর পরিষ্কার পানিতে পা ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। পা শুকিয়ে এলে ময়েশ্চারাইজার ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে অন্তত তিন বার ব্যবহার করুন।


অ্যালোভেরা জেল


পরিষ্কার পাত্রে পর্যাপ্ত কুসুম গরম পানিতে পরিমাণমত লবণ মিশিয়ে তাতে আধাঘণ্টার জন্য পা ভিজিয়ে রাখুন। পানি থেকে পা তুলে মুছে শুকিয়ে নিন। শুকনো পায়ের গোড়ালিতে অ্যালোভেরা জেল আলতো করে ম্যাসেজ করে মোজা পরুন। এভাবে সারারাত রেখে পরদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুই বার ব্যবহার করুন।


ভেজিটেবল অয়েল


পা ফাটা রোধের জন্য কার্যকরী কিছু ভেজিটেবল তেল আছে। যেমন- অলিভ অয়েল, তিলের তেল, নারকেল তেল, সরষের তেল ও বাদাম তেল ইত্যাদির ব্যবহারে পা ফাটা রোধ হয়। এছাড়া পা আকর্ষণীয় ও কোমল হয়। রাতে ঘুমানোর আগে পরিষ্কার পায়ে তেলের মালিশ করে ঘুমান।


গোলাপজল ও গ্লিসারিন


পা ফাটা রোধে গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ কার্যকরী। গ্লিসারিন ত্বককে কোমল করে আর গোলাপজলে আছে ভিটামিন এ, বি৩, সি, ডি ও ই। আরও আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিসেপটিকের মত উপাদান।যা ত্বকের জন্য কার্যকরী সমাধান দিতে পারে। তাই প্রতিরাতে ঘুমের আগে গ্লিসারিনের সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। পা ফাটা রোধ হবে।


মধু


পরিষ্কার পাত্রে দুই লিটার কুসুম গরম পানিতে দুই টেবিল চামচ মধু মিশান। এরপর পানিতে ১০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পা মুছে শুকান এবং গ্লিসারিন, লেবুর রস এবং গোলাপ জলের মিশ্রণ পায়ের ফাটা জায়গায় লাগিয়ে দিন। এভাবে কয়েকদিন ব্যবহার করুন। পা ফাটা কমে যাবে।


পাকা কলার ব্যবহার


পাকা কলা চটকে পায়ের ফাটা অংশে ২০মিনিট লাগান। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এতে প্রচুর ভিটামিন রয়েছে, যা পা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করবে। পায়ের ত্বক কোমল ও মসৃণ হবে।


ভেসলিন ও লেবুর রস


লেবুর রসের সঙ্গে ভেসলিন মিশিয়ে পা লাগাতে পারেন। পায়ের মরা কোষ তুলতে প্রতিদিন পিউমিক স্টোন দিয়ে পা ভালো করে ঘষুন। আস্তে আস্তে মরা চামড়া সরে গোড়ালি নরম হবে, গোড়ালি ফাটা কমে যাবে।


বিবার্তা/শারমিন

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com