গোলাপজানকে নিয়ে রিমির স্বপ্ন আকাশছোঁয়া
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২০, ১৭:২৬
গোলাপজানকে নিয়ে রিমির স্বপ্ন আকাশছোঁয়া
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

প্রত্যেক মানুষের জীবনেই কিছু ইচ্ছে থাকে। কখনো সেগুলো পূরণ হয়। আবার কখনো বা অধরাই থেকে যায়। সময়ের পালা বদলে আর পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে সে ইচ্ছেগুলোর রঙ যায় বদলে। তখন নতুন ইচ্ছে পূরণেই মনোনিবেশ করে থাকে। নিজের আন্তরিক সদ্বিচ্ছা, সততা এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ওই ইচ্ছে পূরণ করে থাকে। এমনই একজন অদম্য আত্মপ্রত্যয়ী নারী রিমি খোন্দকার।


রিমির স্কুলজীবন থেকে ইচ্ছে ছিল সাংবাদিক হওয়ার। কেননা লেখালেখি বা সমসাময়িক যেকোনো ইস্যুতে অনেক সচেতন ছিলেন। তাছাড়া রাজনীতির প্রতিও প্রবল আগ্রহ ছিল। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে ভার্সিটিতে এসে তার মনে হলো ব্যবসাটিই তাকে বেশি টানছে। মনে আত্মবিশ্বাস ছিল প্রযুক্তির এই যুগে ব্যবসাতেই তার জীবন দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব। স্বপ্ন দেখেন উদ্যোক্তা হয়ে কিছু করার। স্বাধীনভাবে নিজে কিছু করতে চাওয়া থেকে হয়ে উঠেন উদ্যোক্তা। সফলতাও তাকে ছুঁয়েছে। আজ তিনি সফল উদ্যোক্তা।


আজ বিবার্তার পাঠকদের জন্য তুলে ধরবো উদ্যোক্তা রিমি খোন্দকারের জীবনের পেছনের গল্প।


ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় মির্জাপুর গ্রামের বক্তারমুন্সীর খোন্দকার বাড়িতে জন্ম রিমি খোন্দকারের। মির্জাপুর গ্রামেই তার বেড়ে উঠা। বাবা প্রবাসী। দীর্ঘ দিন প্রবাসে চাকরি করে এখন দেশে আছেন। মা গৃহিণী। তিন বোন আর এক ভাই। সাথে আছেন দাদী মা।


সফল নারীউদ্যোক্তা রিমি খোন্দকার।


সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুন্সী মোয়াজ্জেম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসির পর ভর্তি হন ফেনী সরকারি জিয়া মহিলা কলেজে। উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করার পর উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে যান দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাবি থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন তিনি।


যেকোনো মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানের অনার্স ও মাস্টার্স পাসের পরই তার কাছে পরিবারের প্রত্যাশা থাকে একটু বেশিই। রিমির বেলায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আগে থেকে জানতেন যে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করার সাথে সাথেই অভিজ্ঞতা ছাড়া কোনো কর্পোরেট অফিসে চাকরি মিলবে না। সব দিক বিবেচনা করে মাস্টার্সের শেষের দিক থেকেই ই-কমার্স নিয়ে পড়া-শোনা করে আসছিলেন। মাস্টার্স শেষ করার সাথে সাথে পরিকল্পনা করেন ‍উদ্যোক্তা হওয়ার।


পরিকল্পনা অনুসারে কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করতে হবে। কী নিয়ে কাজ করবেন? তারপর সিদ্ধান্ত নেন দেশীয় শাড়ি নিয়ে কাজ করার। কেননা নিজেই শাড়ি পরতে ভালোবাসেন। অনলাইনে একটা ফেসবুক পেজ খুলেন। নাম দেন ‘গোলাপজান’। পহেলা মে অফিসিয়ালি যাত্রা শুরু হয় ‘গোলাপজানে’র ।


আগে থেকেই এলাকার তাঁতীর সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সব কথা-বার্তা বলে ঠিক করে রেখেছিলেন রিমি। সমস্যা পুঁজি নিয়ে। হাতে ছিল ২০ হাজার টাকা। ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে এই ২০ হাজার টাকার পুরোটা দিয়েই শাড়ি কিনে ফেলেন। চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে সারা দেশে শুরু হয়ে যায় মাহামারি কারোনার লকডাউন। সবাই যখন নিজের জীবন নিয়ে বাইরে থেকে ঘরে ফিরতে ব্যস্ত, রিমি তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেরিয়ে যান বাইরে অনলাইনে ব্যবসার কাস্টমারদের অর্ডার করা কাপড় কুরিয়ার করে পাঠাতে।


লকডাউনের মধ্যেই চলতে থাকে রিমির অনলাইন ব্যবসা। চলছিল বেশ ভালই। শুরুতে ভেবেছিলেন ‘গোলাপজানে’ শুধু শাড়ি রাখবেন। কিছুদিন পর খবর পান লকডাউনের কারণে পাবনার এক তাঁতীর আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ যাচ্ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য না হওয়ায় তার ঘরে কোনো খাবার ছিল না। কিন্তু লুঙ্গী ছিল। খবরটা রিমিকে বিচলিত করে। ভাবেন এই তাঁতীর কাছ থেকে কিছু লুঙ্গী কিনে নিলে তার উপকার হবে। আশ্চর্যের বিষয় লুঙ্গীগুলো আনার একদিনের মাথায় সব সেল হয়ে যায়। এরপর ওই তাঁতীর কাছ থেকে রিমি নিয়মিত লুঙ্গী নিচ্ছেন।


গোলাপজানের সত্ত্বাধিকারী রিমি খোন্দকার।


আলাপ প্রসঙ্গে জানা গেল রিমির অনলাইনে বিজনেস পেজের নাম ‘গোলাপজান’ রাখার এর পেছনে রয়েছে সুন্দর একটা গল্প। তার ভাষ্য, অনেকেই জিজ্ঞেস করেন বিজনেস পেজের নাম ‘গোলাপজান’ কেন দিলাম। আসলে এর পেছনের কথা হলো, ব্যবসার জন্য একটা শুধু পেজ খুলবো আর সেল করবো ব্যাপারটা এমন ছিল না। আমি চেয়েছি পেজের জন্য পুরোনো ধাঁচের একটা ইউনিক নাম দেয়ার, যেটি অবশ্যই হবে বাংলাতে। এটির একটা ভিন্ন অর্থ ও তাৎপর্য থাকবে। যেমন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমাদের দাদি-নানিদের নামগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। তাই ‘গোলাপজান’ নামটা বেছে নিয়েছি আমাদের দাদি-নানিদের নামকে স্মরণ করার জন্য। আর দাদি-নানিরা সবসময় শাড়ি পরত। আমার পেজে যেহেতু শাড়ি সেল হবে তাই নামটা রাখার এটাও একটা কারণ। আমাদের স্লোগান হলো, ‘গোলাপজান’ পোশাকে ফুটে উঠুক আপনার ব্যক্তিত্ব।


রিমি কাজ করেন মূলত দেশীয় শাড়ি, লুঙ্গী আর থ্রি পিস নিয়ে। সম্প্রতি ব্যবসায় নতুন যুক্ত করেছেন বিলুপ্তির পথে থাকা মাটির খোলা। নিজের হাতে ডিজাইন করে কারিগর দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করান তিনি। নিজের পেজের সব কাস্টমারদের অর্ডার নেয়া, সে অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে সেগুলো কারিগরদের দিয়ে প্রস্তুত করিয়ে আবার কাস্টমারের ঠিকানায় পাঠিয়ে কনফার্ম করা সবই এক হাতে করেন কঠোর পরিশ্রমী এই উদ্যোক্তা। সেই সাথে তাকে সব কিছুতে পুরো কাজটা পরিচালনা করতে সাহায্য করেন স্বামী মাইনুল ইসলাম।


ফেনী জেলার সোনাগাজীর মেয়ে হলেও জীবনের প্রয়োজনের তাগিদে তিনি এখন কাজ করছেন ঢাকাতে। নিজের সততা, একনিষ্ঠতা, কঠোর পরিশ্রম ও কাজের ফলে তিনি আজ নিজের এলাকায় সবার কাছে উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। দেশের মানুষের কাছে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন।


রিনি বলেন, খুবই খুশির খবর যে, ফেনীর উদ্যোক্তাদের মাঝে, ফেনীর ফেসবুক কমিউনিটির মাঝে নিজেকে পরিচিত করে তুলতে পেরেছি। সত্যি কথা বলতে ঢাকাতে বসে কাজ করলেও আমার সবচাইতে বেশি সেল হয় কিন্তু ফেনীতে। ফেনীর আপুদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। আমি নিজেকে ফেনীর মেয়ে, ফেনীর উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি চাই স্বপ্নের উদ্যোগ ‘গোলাপজানে’র মাধ্যমে প্রাণের জেলা ফেনীকেও তুলে ধরতে। চাই সবাই আমার নামের আগে বলুক ফেনীর রিমি আপু।


দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে পড়াশুনা শেষ করে গতানুগতিক ধারার চাকরিতে না গিয়ে উদ্যোক্তা হলেন কেনো? জবাবে রিমি জানান, আসলে আমি সবসময় চেয়েছি স্বাধীনভাবে নিজে কিছু করতে। চাকরির মতো ধরাবাঁধা প্রতিষ্ঠানের যেটাতে নিজে স্বাধীনভাবে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই এমন কিছু কখনোই করতে চাইনি। এজন্যই পড়াশুনা করার সময় থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। আসলে আমি একটু ঠোঁট কাটা স্বভাবের। কারো অধীনে কাজ করা, নানা নিয়মনীতি মানা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এটাকে স্বাধীনচেতাও বলা যেতে পারে। এজন্যই উদ্যোক্তা হওয়া। এখন আমি নিজেই নিজের বস।


ভিডিও কলে কথা বলছেন নারী উদ্যোক্ততা রিমি খোন্দকার।


উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে ব্যক্তির কাজ ও জীবন দর্শন রিমিকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তার মধ্যে একজন হলেন অনলাইনে ইংরেজি শিক্ষার জনপ্রিয় প্লাটফর্ম সার্চ ইংলিশ গ্রুপ ও ডিজিটাল স্কিলস গ্রুপ ফর বাংলাদেশের (ডিএসবি) প্রতিষ্ঠাতা এবং দেশীয় পণ্য নিয়ে নারীদের সবচেয়ে বড় উদ্যোক্তা প্লাটফর্ম উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরামের (উই) প্রধান মেন্টর রাজিব আহমেদ। দ্বিতীয়জন হলেন উই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান নাসিমা আক্তার নিশা। দুজনের কাজ দেখে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন রিমি। তাদের মেন্টরিংয়ে ফলেই অল্পদিনে হন লাখপতি।


এবিষয়ে রিমি বলেন, মূলত আমার ই-কমার্স ব্যবসার হাতে খড়ি হয় রাজিব আহমেদ ভাইয়ার মেন্টরিংয়ের ফলে৷ ভাইয়ার অনুপ্রেরণামূক লেখা, নাসিমা আক্তার নিশা আপু আর উইয়ের সকলের পোস্ট দেখে, নিয়মিত পড়ে উদ্যোক্তা হতে ভরসা পাই। মাত্র ২০ হাজার টাকায় প্রোডাক্ট কিনে সেগুলো বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে পুনরায় আবার প্রোডাক্ট এনেছি। এইভাবে ‘গোলাপজান’ থেকে মাত্র তিন মাসে আমার সেল সাড়ে ৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে প্রায় দুই লাখ টাকার মতো সেল হয় উই গ্রুপে। এর সব ক্রেডিট দিতে চাই উই গ্রুপের সকল সদস্যদেরসহ ফেনীর উদ্যোক্তা আপুদের। আন্তরিক সহযোগিতার জন্য সকলকে জানাই কৃতজ্ঞতাপূর্ণ ধন্যবাদ।


একজন নারী উদ্যোক্তার জন্য পারিবারিক সাপোর্টটা অনেক বেশি জরুরি। তা না হলে তার পক্ষে ঘরে-বাইরে, সমান তালে সব কিছু করাটা কখনোই সম্ভব হয়ে উঠে না। এদিক থেকে রিমি অনেক ভাগ্যবতী। বিজনেস শুরু করার পর থেকে পরিবারের সবার আন্তরিক সাহায্য-সহযোগিতা পেয়েছেন। বিশেষ করে তার স্বামী মাইনুল ইসলাম এ যুদ্ধে বেশি সাপোর্ট করেছেন। এছাড়াও ভাই-বোনেরা পুঁজি দিয়ে, শশুর বাড়ি থেকে প্রোডাক্ট কিনে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। তাই এ লেখার মধ্য দিয়ে স্বামী ও পরিবারের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।


যেকোনো উদ্যোক্তার ব্যবসা শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে হয়। এর থেকে ব্যতিক্রম ছিলেন না রিমি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থী অনলাইনে ব্যবসা করাটা তার পক্ষে সহজ ছিল না। প্রোডাক্ট সোর্সিং, ডেলিভারি, নতুন পেজ হিসেবে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিশ্বাসযোগ্যতা পাওয়াসহ এই লকডাউনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। সবকিছু ধৈর্য ধরে বিচক্ষণতার সাথে অতিক্রম করেছেন। মাঝে মাঝে অর্ডার থাকলেও শুধু মূলধন সংকটের জন্য ডেলিভারি দিতে পারেননি। অন্যদিকে উদ্যোগ শুরু করার দুই মাসের মাথায় জুনের ২২ তারিখে করোনা আক্রান্ত হন রিমি। নতুন উদ্যোগ। কাজের ধারাবাহিকতা না থাকলে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে। তাই করোনা নিয়েও কাজ করেছেন আত্মপ্রত্যয়ী এই উদ্যোক্তা।


একজন উদ্যোক্তার ব্যবসার প্রধান উদ্দেশ্য বিক্রি হলেও এই ধারার বাইরে যেতে চান রিমি। তিনি চান এটা যেন হয় এক ধরনের সেবাও। তার ভাষ্য, প্রায়ই আমাকে কাস্টমাররা বলেন, আপু আমি মায়ের জন্যে এই শাড়িটা নিতে চাই, আরেকজন বলেন, বাবার জন্য লুঙ্গীটা নিতে চাই, কিন্তু সমস্যা হলো বাজেটে হচ্ছে না। তখন আমি ওই কাস্টমারের বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার গভীরতাটা হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করে যতটুকু সম্ভব কম দামে শাড়ি বা লুঙ্গীটা বিক্রি করি। আমার সামর্থ্য থাকলে এমন কাস্টমারদের ফ্রি দিতাম।


অবসরে নারীউদ্যোক্তা রিমি খোন্দকার।


‘গোলাপজান’কে নিয়ে রিমির স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। বর্তমানে তার মাথায় ‘গোলাপজান’ ছাড়া কিছু নেই। এখন সব ধ্যান-জ্ঞান গোলাপজানকে ঘিরেই। উদ্যোগটা ধীরে ধীরে একদিন বড় হবে, অনেক বেকার নারীরা এখানে এসে কাজ করবে। ‘গোলাপজান’ বিপন্ন মানুষের সহায়তায় সবসময় পাশে দাঁড়াবে, অসহায়কে সাহায্য করবে। এভাবে একদিন দেশি পোশাকের প্লাটফর্ম হিসেবে ‘গোলাপজান’ এক নামেই চিনবে। তার মতে, ব্যবসার থেকে মানবিকতা স্থান করে নেবে সবচেয়ে বড় জায়গায়।


আমাদের দেশের ফ্যাশন জগতটা ঢাকাকেন্দ্রিক। ঢাকার মানুষেরা নিত্য-নতুন পোশাক সবার আগে পেয়ে থাকে। রিমির পরিকল্পনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও যেন এমন আপডেট পণ্য পৌঁছাতে পারে সে ব্যবস্থা করার। তাছাড়া তার আরেকটা ইচ্ছে হলো কালেকশানে বাজেট ফ্রেন্ডলি পোশাক রাখা। যাতে করে সবার হাতের নাগালের মধ্যে থাকে তার উদ্যোগের সব পণ্য।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/জাই

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com