ছয় তরুণের স্বপ্নযাত্রা
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২০, ১৭:১৬
ছয় তরুণের স্বপ্নযাত্রা
অ্যাপ ‘আনুন’ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসুম আকন্দ
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

জীবনে বহু কিছুই হওয়ার ইচ্ছে ছিলো তার। কিন্তু কোনো ইচ্ছেতেই স্থির থাকতেন না। বারবার সুইচ করতেন। স্কুলে যখন শিক্ষকরা জিজ্ঞেস করতেন বড় হয়ে কার কি হওয়ার ইচ্ছে, তখন তিনি বিশ্লেষণ করতেন সবচেয়ে বেশি কোন পেশার প্রতি সবার আগ্রহ। যেটির প্রতি বেশি আগ্রহ সেটাই হতে চান তিনি।


সময়ের পালা বদলে ভর্তি হন প্রাইভেট ভার্সিটিতে। তাই অধিকাংশ মানুষ তাকে একটু অন্য চোখে দেখতে শুরু করে। সেজন্য এমন কিছু করতে চেয়েছেন যেন নিজের একটা স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি হয়। প্রাইভেট ভার্সিটির ছাত্র বলে মূল্যায়নের আগে তাকে যেন ওই পরিচয়ে মূল্যায়ন করা হয়। সেই জেদ থেকেই মাথায় ভাবনা আসে উদ্যোক্তা হওয়ার। উদ্যোগ নেন কয়েকটা। কিন্তু কোনোটাই আলোর মুখ দেখেনি। মাঝে কেটে যায় অনেকগুলো হতাশার দিন। অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পরে তিনি নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে পেরেছেন। তিনি আজ উদ্যোক্তা।


উদ্যোক্তা সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন মাসুম আকন্দ


বলছিলাম অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ ‘আনুন’ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসুম আকন্দের কথা।


মাসুম আকন্দের জন্ম জয়পুরহাট জেলায়। বাবা চাকুরে। কাজ করেন জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায়। মা গৃহিণী। বাবার চাকরির সুবাদে সেখানেই তার বেড়ে উঠা। বাবা আর মাকে নিয়েই তার ছোট পরিবার।


জামালপুর যমুনা সারকারখানা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেন মাসুম। তারপর জয়পুরহাট কেজি এবং উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি এবং সৃষ্টি কলেজ অব টাঙ্গাইল থেকে এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছেন।


উদ্যোক্তা হওয়ার পরিকল্পনা কখনোই ছিলো না মাসুমের। ইচ্ছে ছিলো শুধু বয়সের তুলনায় এগিয়ে থাকার। অল্প বয়সে তাকে অনেক টাকা কামাতে হবে। এই চিন্তাটা মাথায় সব সময় ঘুরপাক খেতো। কিন্তু এসব চিন্তা মাথায় নিয়ে সময় কাটাতে কাটাতে কখন যে তার মন থেকে বাচ্চা মানসিকতা দূর হয়ে একটা পরিপক্ক চিন্তায় বদলে গেছে সেটা বুঝতে পারেননি মাসুম। তার অজান্তেই পুরো মাইন্ডসেটটা অন্ট্রাপ্রেনার মাইন্ডসেটে কনভার্ট হয়ে গেছে। তখন থেকেই উদ্যেক্তা হিসেবে কাজে তার মনে আসতে শুরু করে বিমল আনন্দ। স্বপ্ন দেখেন উদ্যোক্তা হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার।


কি নিয়ে কাজ করবেন? সহপাঠী বন্ধুদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে তার সাথে যোগ দেন দেবাশীষ সরকার। গত তিন বছরে দুই বন্ধু মিলে কয়েকটি উদ্যোগ নেন। এগুলো হলো- জোনাকি, ইলেকট্রন প্লাস, গণিময়রা, প্লেক্সডট ইত্যাদি। সবগুলো উদ্যোগই ছিল টেকনোলজিনির্ভর ব্যবসা। অনেক চেষ্টা করেও নানান সমস্যার কারণে উদ্যোগগুলো আলোর মুখ দেখাতে পারেনি তারা।


হাল ছাড়েননি তরুণ এই দুই উদ্যোক্তা বন্ধু। ব্যর্থতার অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে গবেষণা করে তারা সেখান থেকে ভালর এবং অর্জনের দিকগুলো নিয়ে সময়ের চাহিদাকে ভর করে নতুন কিছু করার কথা ভাবতে থাকেন। তাদের এই ভাবনায় তখন যোগ দেন আরো ৫ বন্ধু। তারা হলেন, তানভীর ইসলাম, হৃদয় কর্মকার, ফাহামিদুর রহমান, জাহিদ হাসান এবং রেজাউল তানভীর তুহিন। সবাই একই ভার্সিটির ছাত্র। কেউ সিনিয়র, কেউ জুনিয়র। আবার কেউ কম্পিউটার প্রকৌশলের আবার কেউবা সফটওয়্যার প্রকৌশলের ছাত্র।


কাস্টমার সার্ভিস অরিয়েন্টেড কিছু করার ভাবনা থেকে সিদ্ধান্ত নেন তারা এমন কিছু করবেন যে সেবার ধরণ হবে ডেলিভারি দেয়া। যেমন-ইউজাররা অর্ডার করে তাদের বলবে এটা আনুন বা ওটা আনুন। আর সে চিন্তা থেকেই তাদের মাথায় একটা শব্দ ক্লিক করে। সেটা হলো-আনুন। সবাই মিলে ঠিক করেন তাদের উদ্যোগ বা স্টার্টআপের নাম হবে ‘আনুন’। সাত বন্ধুর স্বপ্নের বাস্তবায়নের শুরুটা সেখান থেকেই।


উদ্যোক্তা সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন মাসুম আকন্দ


স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাই মিলে তৈরি করেন প্রজেক্ট পরিকল্পনা। সে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেন দিনরাত। একটু একটু করে বেড়ে উঠে তার স্বপ্নের উদ্যোগ। দীর্ঘ এক বছর ছয় তরুণের দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আলোর মুখ দেখে ‘আনুন’। ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গুগল প্লে-স্টোরে রিলিজ দেয়া হয় অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ ‘ আনুন’। এরপরে এটাকে নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে থাকেন তরুণ এই উদ্যোক্তা দল। এটাকে মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে ব্র্যান্ডিং, মার্কেটি কাজ করা হয়। সেই সাথে চলতে থাকে অত্যাধুনিক ফিচার ডেভেলপিংয়ের কাজ। এভাবেই উদ্যোগটা আজ একটা প্লাটফর্মে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে এই উদ্যোগে স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মী সংখ্যা ২১ জন। আস্তে আস্তে এই সংখ্যাটা বাড়ছে।


মাসুম বলেন, দীর্ঘ এক বছর ৪টি শহরে পাইলটিং শেষ করার পর গত মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ সেবাটি। সারাদেশের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদের মানুষের জন্য মফস্বলকেন্দ্রিক ক্রাউডসোর্স ও এআইভিত্তিক সেবাটি চালু করেছি।


রাজধানীর মতো বিরাট মার্কেট ছেড়ে সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে ব্যবসার জন্য বেছে নিয়েছেন তরুণ এই উদ্যোক্তা। এ বিষয়ে মাসুম বলেন, ‘আমরা থিংক আউট অব দ্য বক্স’-এর মতো চিন্তা করছি। ঢাকাতে সব সুবিধাই আছে, কিন্তু ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোকেও ডিজিটাল করতে হবে। আমরা জানি যেখানে আমরা কাজ শুরু করেছি সেখানকার মার্কেট এডুকেটেড না। তাই আমরা মার্কেট এডুকেটেড করতে চেষ্টা করছি। যেন ঢাকার বাহিরেও মার্কেট গ্রো করে।


সারাদেশের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদগুলো হলো- টাঙ্গাইল, আশুলিয়া, সাভার, জয়পুরহাট, মির্জাপুর, মানিকগঞ্জ ও কেরানিগঞ্জ। ঢাকার বাইরের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদের মানুষ এই অ্যাপটি থেকে সেবা নিতে পারবে।


মফস্বলকেন্দ্রিক ক্রাউডসোর্স ও এআইভিত্তিক অ্যাপটিতে রয়েছে একগুচ্ছ নিত্য-প্রয়োজনীয় সেবা। জেলার অধিকাংশ ব্যবসাকে ডিজিটালাইজ করে ১৩টির অধিক ক্যাটেগরি নিয়ে চালু করা হয়েছে ‘আনুন শপ’। শপের সেবাগুলো হলো- ফুড ডেলিভারি বা আনুন খাবার সার্ভিসে রেস্টুরেন্টের সাথে ক্লাউড কিচেন ও মিষ্টান্ন-বেকারির শপগুলোতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে অটো সাজেশন, প্রোডাক্ট টেস্টিমনিয়াল ফিচার।


ওষুধকে জরুরি বিবেচনায় দ্রুততম ডেলিভারির জন্য নিকটস্থ ফার্মেসিতে অর্ডারের সুযোগ রয়েছে। ফ্রেশ শাক-সবজি, মাছ, মাংস, ফল পেতে রয়েছে ‘আনুন ফ্রেশ’ যেখানে পণ্য সরবরাহের দায়িত্বে থাকছেন উৎপাদক কৃষক ও পাইকারি বিক্রেতাগণ। ফ্রেশ প্রোডাক্ট ডেলিভারিতে আনুন এর চ্যানেলগুলো এসময় দেখানো হয়।


করোনা চলাকালীন ঘরে বসে গ্রোসারি সামগ্রী নিকটতম গ্রোসারী শপে অর্ডার করতে রয়েছে ‘সদাই এক্সপ্রেস’ সেবা। সাধারণ বিভিন্ন ডোনেশনের পাশাপাশি রয়েছে আনুনের নিজস্ব তত্বাবধানে পরিচালিত কৃষি পণ্যের ডোনেশন সুবিধা। বাগান ও কৃষি কাজের সকল পণ্য নিয়ে ‘কৃষি স্টোর’ নামে রয়েছে ‘কৃষিঘর’ সেবা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পণ্য দ্রুত বিক্রির জন্য রয়েছে ‘মফস্বল শহরে ফ্লাশ সেল’ সেবা। এছাড়াও এতে রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স, পার্সেল, প্রোমো, ভাউচার, পয়েন্ট, রিওয়ার্ডের মতো বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা।


ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ডক্টর সবুর খানের হাত থেকে বক্তা হিসেবে ক্র্যাচ নিচ্ছেন মাসুম আকন্দ


সবচেয়ে কম ডেটা খরচ করে দেশের সেরা শিক্ষা কনটেন্টগুলো প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের নিকট পৌঁছে দিতে দেশের প্রথম পডকাষ্ট নির্ভর উদ্ভাবন স্কুলকে আনুন অ্যাপে যুক্ত করা হয়েছে। উদ্ভাবন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও কোচ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন সিনিয়র লেকচারার।


‘আনুন’ এর সকল লেনদেনের জন্য রয়েছে ডাকবিভাগ এর মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাশব্যাকের টাকা পুনরায় ব্যবহারের জন্য রয়েছে আনুনের নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা আনুন-পে।


একজন তরুণ উদ্যোক্তাকে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে যে সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় এর ব্যতিক্রম নয় মাসুমও। শুরু থেকে কাজ করতে গিয়ে নানা রকম সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। এখনো প্রতিনিয়ত হচ্ছেন। সেগুলো সমাধানও করছেন। তবে একটু সময় লাগছে। অভিজ্ঞতার অভাবে প্রায়ই পড়তে হয় নানান বাধা-বিপত্তিতে। সাথে সাথে শুরু করেন অনুসন্ধান, কারণ খুঁজে পেলে করে ফেলেন সমাধান। ইতোমধ্যে টিমের সবাই অনেক দক্ষ হয়ে উঠেছেন।


‘আনুন’ টিমের উদ্যোক্তারা সবাই ভীষণ রকমের আন্তরিক আর ডেডিকেটেড। মাসুমকে সবাই ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট দিচ্ছেন। পুরো সেবাটা বিভিন্ন স্তরে যারা পরিচালনা করছেন তাদের বলা হয় পাইলট। এ বিষয়ে মাসুম বলেন, টিমের পাইলটরা ডেডিকেটেড বলেই আনুন এতোদিন টিকে আছে। তা না হলে কয়েকজন স্টুডেন্টের ফান্ডিংয়ে চলা স্টার্টআপটা এতোদিনে হয়তো বন্ধ হয়ে যেতো। থ্যাংক ইউ আনুন টিমের সকল পাইলটদের। কেননা তারা স্বার্থহীনভাবে কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন।


‘আনুন’কে আলোর মুখ দেখানো পেছনে রয়েছে অনেক মানুষের অবদান। সবার প্রতি কৃতজ্ঞ মাসুম। কৃতজ্ঞতাভরা অন্তরে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আনুনের পাইলটরা ছাড়াও যারা আমাকে নানা ভাবে সাপোর্ট করেছেন তাদের কাছে আমি অনেক ঋণি। প্রথমে আসে আমার আব্বু-আম্মুর কথা। তারা আমার পার্সোনাল সাপোর্টার। যা করতে চেয়েছি তাতেই সাপোর্ট দিয়েছেন। অন্ট্রাপ্রেনারশিপের মেন্টর হিসেবে গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ডক্টর সবুর খান স্যার, শিবলী শাহরিয়ার স্যার ও এজাজ উর রহমান স্যার। টেকনোলজির ব্যাপারে সাপোর্ট দিয়েছেন মতিউর রহমান স্যার, সাইদ আসাদুজ্জামান স্যার ও শরীফুল ইসলাম স্যার। বিশেষভাবে যার সাপোর্ট না হলে উদ্যোগটা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে যেতো সে হলো- আনুন’র কো-ফাউন্ডার দেবাশীষ সরকার তমাল। আনুন’র ফাউন্ডার শুরুতে সাত জন থাকলেও মাঝ পথে একজন দল ছাড়া হয়ে যান। তিনি হলেন জাহিদ ভাইয়া। তবে তিনি ছিলেন বলেই উদ্যোগটা নেয়া সম্ভব হয়েছিল। উনার প্রতিও রইল অনেক কৃতজ্ঞতা।


উদ্যোক্তা সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন মাসুম আকন্দ


‘আনুন’ স্টার্টআপকে নিয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেন তরুণ এই উদ্যোক্তা মাসুম। তার ভাষ্য, স্টার্টআপ থেকে কর্পোরেশনের একটা দীর্ঘ জার্নির পার্ট হতে চাই। আনুনকে অনেক বড় করার ইচ্ছে আছে। এই উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই যেন দেশের হাজারো বেকার তরুণ-তরুণী এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। ধার মূল্যায়ন করার মতো কোম্পানির উদাহরণ হিসেবে আনুনকে তৈরি করতে চাই।


স্বপ্নবাজ এই উদ্যোক্তা আরো বলেন, একটা স্টার্টআপকে এগিয়ে নিতে দরকার মেধাবী ও পরিশ্রমী মানবসম্পদ। সেই মানবসম্পদের জন্য দরকার পারিশ্রমিক। এছাড়াও প্রতিষ্ঠান এর খরচ আছে। সব মিলিয়ে এখন চলাটা কঠিন। তবে সরকারের আইডিয়া প্রকল্পের পৃষ্ঠপোষকতা বা সমাজের বিত্তবানদের সদয় দৃষ্টি পেলে আমাদের বিনিয়োগের মতো কঠিন চ্যালেঞ্জটা মোকাবেলা করা সহজ হয়ে যেতো। আমরা সবাই ছাত্র। সকলের আন্তরিক ও ভালোবাসাপূর্ণ সহযোগিতা আনুনের সম্প্রসারণ ও টিকে থাকায় চ্যালেঞ্জ অনেকটা কমে আসবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।


বিবার্তা/গমেজ/জাই

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com