
যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সংযোজনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তরের অভিযোগে কক্সবাজারে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
জব্দ গাড়িগুলো হলো-টয়োটা সুপ্রা, হোন্ডা সিভিক ও মাজদা এমএক্স-৫।
সিআইআইডির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৭ আগস্ট দিবাগত রাতে কক্সবাজারের কলাতলী রোডের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়িগুলো জব্দ করে।
সিআইআইডি জানায়, গাড়িগুলো পূর্ণাঙ্গ গাড়ি হিসেবে আমদানি না দেখিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ হিসেবে দেশে এনে স্থানীয়ভাবে সংযোজন করা হয়ে থাকতে পারে।
এভাবে আমদানি ঘোষণায় অসত্য তথ্য দেওয়া বা শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গাড়িগুলোর প্রচলিত নম্বর প্লেটের পরিবর্তে ‘সিনহা-৪’, ‘এস-৪-ফিয়াট’ ও ‘ইশাহ-৪’ লেখা পাওয়া যায়।
পরে আমদানি, মালিকানা ও শুল্ক-কর পরিশোধের তথ্য যাচাইয়ে কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ১৯১ ধারায় গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।
সিআইআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে পাঁচজনের নাম পাওয়া গেছে।
তারা হলেন- কক্সবাজারের হাসিবুর রহমান সিনহা, গাজীপুরের আজমাইন রাইহান, ঢাকার নকিবুল হাসান, গাজীপুরের শরাফাত রহমান এবং ঢাকার সিফিয়াত মাহমুদ।
তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। গাড়িগুলোর মালিকানা, ব্যবহার, আমদানি ও স্থানীয়ভাবে সংযোজনের সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগকে প্রমাণিত বলা যাচ্ছে না।
জব্দ করা গাড়িগুলোর আমদানি বিল, আমদানি ঘোষণার বিবরণ, পণ্য শনাক্তকরণ কোড, ঘোষিত মূল্য, শুল্ক-কর পরিশোধের তথ্য, গাড়ির পরিচিতি ও চেসিস নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করবে সিআইআইডি।
এ ছাড়া গাড়ির যন্ত্রাংশ কীভাবে দেশে এসেছে এবং কোথায় ও কীভাবে সেগুলো সংযোজন করে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপ দেওয়া হয়েছে, তাও অনুসন্ধান করা হবে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]