
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল এলাকায় তিতাস নদীর একটি অংশে বালু ফেলে নদী ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ থেকে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকর হয়নি।
ভরাট করা স্থানটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বালু ফেলে রাখার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি নদীর তীর ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত নদী থেকে বালু অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সরাইল-অরুয়াইল সড়কের অরুয়াইল সেতুর পাশে দুটি স্থানে নদীর ভেতরে বালু ফেলে রাখা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট জুড়ে বালুর স্তূপ রয়েছে, যা নদীর প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, আকবর আলী নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এখানে বালু এনে মজুদ ও বিক্রি করছেন। প্রশাসনকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে ধীরে ধীরে নদীর ভেতরের অংশেও বালু ফেলা হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ চিহ্নিত করে লাল নিশান টানিয়ে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আকবর আলী বলেন, তিনি জায়গাটি ভাড়া নিয়ে মালিকানার সীমানার মধ্যে বালু রেখেছেন। তবে প্রশাসনের দেওয়া লাল নিশান অনুযায়ী যদি কোনো বালু নদীর অংশে পড়ে থাকে, তাহলে তা সরিয়ে নেবেন। তিনি আরো বলেন, নদীর বিভিন্ন অংশ আগেই দখল হয়ে গেছে, তিনি দখল করেননি।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কুমুদ লাল দেবনাথ বলেন, বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নদীর অংশে লাল নিশান টানিয়ে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]