ছয়জনের বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের চার্জশিট
টাকার লোভ সামলাতে পারিনি, ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদের স্বীকারোক্তি
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ২০:০৮
টাকার লোভ সামলাতে পারিনি, ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদের স্বীকারোক্তি
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অঅ-অ+

সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফরের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দেয়া আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তে চাদা দাবি, গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা আদায় এবং সেই অর্থ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়ার তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় দুই আসামি আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের একজন আবদুর রাজ্জাক রিয়াদ নিজের জবানবন্দিতে বলেছেন, টাকার লোভ সামলাতে না পেরে তিনি চাঁদা চেয়েছিলেন।


মামলার তদন্ত নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই রাতে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদ গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন, এমন খবর পেয়ে কয়েকজন নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশান-২ গোলচত্বরে জড়ো হন। পরে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ এবং জানে আলম অপু রাত আনুমানিক দুইটার দিকে গুলশান থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান। তারা শাম্মী আহম্মেদকে গ্রেপ্তারের জন্য বাসায় অভিযান চালানোর ব্যবস্থা করতে বলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানানো হলে পুলিশের একটি দল তাদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় যায়।


১৭ জুলাই ভোরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরমান আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য শাম্মী আহম্মেদের বাসায় তল্লাশি চালান। তাদের সঙ্গে ছিলেন- আবদুর রাজ্জাক, জানে আলম অপু, সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব, ইব্রাহিম হোসেন, আমিনুল ইসলামসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন। তারা বাসার বিভিন্ন কক্ষে শাম্মী আহম্মেদকে খোঁজেন। তবে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে তল্লাশির তালিকা তৈরি করে পুলিশ সদস্য ও তাদের সঙ্গে যাওয়া ব্যক্তিরা বাসা থেকে বেরিয়ে যান।


পিবিআইয়ের তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় উঠে আসে, পুলিশ চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু আবার ওই বাসায় যান। এবার তাদের সঙ্গে পুলিশ ছিল না। তারা বাসার মালিক সিদ্দিক আবু জাফরকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখান। মামলা ও গ্রেপ্তার থেকে রেহাই পেতে তার কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন। ভয়ে সিদ্দিক আবু জাফর তাৎক্ষণিকভাবে ১০ লাখ টাকা দিতে রাজি হন। সেই টাকা গ্রহণের পর তারা বাকি ৪০ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলে চলে যান। টাকা গ্রহণের দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজও তদন্তকারীরা পেয়েছেন বলে পিবিআইয়ের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


এরপর বাকি টাকা আদায়ের জন্য ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবার ওই বাসায় যান আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু। তারা ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ দরজা না খোলায় ফিরে যান। তদন্তে তাদের ওই সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থানের বিষয়টি কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছে পিবিআই।


ঘটনার পর ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য আবার সিদ্দিক আবু জাফরের বাসায় যান আসামিরা। সে সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। নিরাপত্তাকর্মী মো. হান্নান ফোন করে তাকে বিষয়টি জানান। পরে সিদ্দিক আবু জাফর গুলশান থানায় খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুর রাজ্জাক, সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব, ইব্রাহিম হোসেন ও কিশোর আমিনুল ইসলামকে আটক করে। জানে আলম অপু সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারের পর ছয় আসামির মধ্যে আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তাদের দুজনের জবানবন্দিতেই ১০ লাখ টাকা নেয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। রিয়াদ তার জবানবন্দিতে জানান, তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিবাদী লোকজনকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেন।


রিয়াদের জবানবন্দির ভাষ্য অনুযায়ী, শাম্মী আহম্মেদের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে না পেয়ে ফেরার সময় জানে আলম অপু একটি ইয়ারপড নিয়ে আসেন। সেটিতে ‘শাম্মি ইয়ারপড’ লেখা ছিল। সেটি ফেরত দেয়ার জন্য তারা সকাল ১০টার দিকে আবার ওই বাসায় যান। এ সময় অপু পানি খাওয়ার অজুহাতে বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে সিদ্দিক আবু জাফরকে বলা হয়, তারা বুঝতে পারছেন তার স্ত্রী বাসায় আছেন এবং তাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়া হবে।


রিয়াদ আরও জানান, তখন টাকা দেয়ার প্রস্তাব এলে তারা প্রথমে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন। সিদ্দিক আবু জাফর ১০ লাখ টাকা দিতে রাজি হলে তারা তা গ্রহণ করেন। পরে টাকা নিয়ে তারা রিয়াদের বাড্ডার বাসায় যান এবং নিজেদের মধ্যে সমান ভাগ করে নেন।


বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টা সম্পর্কে রিয়াদ জবানবন্দিতে বলেন, ২৬ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি ইব্রাহিম হোসেন, সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবকে ওই বাসায় পাঠান। তার দাবি, পুলিশ তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য বাসায় যেতে বলে। তখন তিনি গুলশান-২ গোলচত্বরে ছিলেন। পুলিশের কথা বিশ্বাস করে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর সিদ্দিক আবু জাফর থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাদের আটক করে।


নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে জবানবন্দির শেষ দিকে রিয়াদ বলেন, আমি গরিবের ছেলে। আমি টাকার লোভ সামলাতে পারিনি। আমি ক্ষমা চাই।


অন্য আসামি জানে আলম অপুও আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে দাবি করেন। পিবিআইয়ের তদন্তে অবশ্য ওই সময় তার ঘটনাস্থলে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।


অপুর জবানবন্দি অনুযায়ী, তিনি আগে একটি কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১৭ জুলাই রাতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে গুলশানে সাবেক এক নারী সংসদ সদস্যের অবস্থানের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। পরে পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে শাম্মী আহম্মেদকে না পেয়ে তারা ফিরে আসেন।


অপু জানান, পরে রিয়াদ তাকে আবার ওই বাসায় নিয়ে যান। সেখানে সিদ্দিক আবু জাফরের কাছে টাকা চাওয়া হলে তিনি প্রথমে পাঁচ লাখ টাকা দিতে রাজি হন। কিন্তু রিয়াদ এক কোটি টাকা দাবি করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ৫০ লাখ টাকায় বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। তখন সিদ্দিক আবু জাফর ১০ লাখ টাকা দেন।


অপুর ভাষ্য অনুযায়ী, টাকা নিয়ে তারা রিয়াদের বাড্ডার বাসায় যান এবং পাঁচ লাখ টাকা করে ভাগ করে নেন। নিজের ভাগের টাকা থেকে ৩ লাখ ৭ হাজার টাকা দিয়ে তিনি একটি ইয়ামাহা এফজেড-এক্স মোটরসাইকেল কেনেন। এ ছাড়া কিছু টাকা দিয়ে ধারদেনা পরিশোধ করেন। আরও ৫০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাতে গিয়ে ভুল নম্বরে চলে যায় বলে দাবি করেন তিনি। পরে তার কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য রিয়াদ তাকে ফোন করলে তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরে রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন অপু। তার দাবি, পরবর্তী সময়ে রিয়াদ অন্যদের নিয়ে ওই বাসায় টাকা চাইতে গেলেও তিনি সেখানে ছিলেন না।


তদন্তের সময় আসামিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্থান থেকে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও মোটরসাইকেল জব্দ করে পিবিআই। আবদুর রাজ্জাকের দেখানো তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব বাড্ডার বৈঠাকালী এলাকার একটি বাসা থেকে ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ও দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। জব্দ করা ফোনের মধ্যে ছিল একটি রেডমি নোট ১০ প্রো ও দুটি আইফোন ১৩।


অন্যদিকে জানে আলম অপুর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুরের নবীনগর এলাকার একটি বাসার গ্যারেজ থেকে ইয়ামাহা এফজেড-এক্স মোটরসাইকেল, একটি আইফোন ১১ এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


পিবিআইয়ের তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে আরও উঠে এসেছে, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। এই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে নিয়মিত থানায় যাতায়াত করতেন। বিভিন্ন মামলার আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেয়ার কথা বলে পুলিশের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগের দোসর, সহযোগী বা সমর্থক আখ্যা দিয়ে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও আদায় করতেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই ফিরোজ আহমেদ মুন্সী অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ এবং জানে আলম অপুর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৩৮৫ ও ৩৮৬ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব ও ইব্রাহিম হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮ ও ৩৮৫ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।


২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গুলশান থানায় মামলাটি করেন ৭৫ বছর বয়সী সিদ্দিক আবু জাফর। মামলার তদন্ত নথি অনুযায়ী, তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদ। প্রথমে গুলশান থানার এসআই মোখলেছুর রহমান মামলাটি তদন্ত করেন। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। সংস্থাটির এসআই ফিরোজ আহমেদ মুন্সী তদন্ত শেষে গত ১৫ অক্টোবর ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।


তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসামিদের একজন শিশু হওয়ায় তার বিচার হবে শিশু আদালতে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য রয়েছে। ওই দিন অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানি হওয়ার কথা। মামলার ছয় আসামিই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। তবে সর্বশেষ ১ নভেম্বর পর্যন্ত থানার সাধারণ নিবন্ধ শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযোগপত্রটি তখনো আদালতে জমা হয়নি।


মামলার প্রধান আসামি আবদুর রাজ্জাক রিয়াদের আইনজীবী আকরাম হোসাইন বলেছেন, তারা এখনো অভিযোগপত্র দেখেননি। রিয়াদের পক্ষে আদালতে পিটিশন করবেন। অভিযোগপত্রের বিষয়ে রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি এখন তার বড় ভাই রেজাউল করিম ব্যবহার করছেন। মামলার বিষয়ে রিয়াদ আপাতত কথা বলতে চান না বলে জানান তার ভাই।


অন্যদিকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী পরিচয় দেয়া আবদুর রাজ্জাক রিয়াদ এই চাঁদাবাজির হোতা। তাকে ওই সময়ে আদালত একাধিকবার রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন। চাঁদাবাজির মামলায় প্রত্যেক আসামিকে অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগপত্র অনুযায়ী বিচার হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com