
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়েও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়তেন মো. দিদারুল আলম (দিদার) ও তার সহযোগী মোরশেদ ওরফে আখিল। টাকার অঙ্ক কম হলেও ‘ভাড়াটে খুনি’ হিসেবে তারা বিভিন্ন পক্ষের হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে দ্বিধা করতেন না। দিদারের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল।
সোমবার (৩ আগস্ট) জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
মাসুদ আলম বলেন, আলোচিত নূরুল আজিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি দিদারকে রবিবার দিবাগত রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে চট্টগ্রামে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আরো বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ জুলাই হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের খলিফাপাড়া এলাকায় নূরুল আজিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের করা মামলায় প্রধান আসামি করা হয় দিদারকে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, দিদারের সহযোগী মোরশেদ ওরফে আখিলসহ অপরাধচক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই চক্রটি এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং ভাড়াটে হামলার সঙ্গেও জড়িত থাকতে পারে। এসব অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
গত কয়েক দিনের ধারাবাহিক অভিযানে আরো তিনজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন রায়হানের সহযোগী এবং পাহাড়তলী এলাকার মাসুদ হত্যা মামলার আসামি দিদার ও আফসার এবং জোরারগঞ্জ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বোরহান। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
বিবার্তা/জয়দেব/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]