
রাজশাহীতে এক প্রবাসীর পরিবারের উপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী প্রেসক্লাবে মহানগরীর মৃত ফজলুর রহমান ছেলে প্রবাসী আল আমিন জুয়েলসহ তার পরিবার এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
জুয়েল অভিযোগ করেন, জমিজমা ও পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফুফাতো ভাই ফাইজুল আলম পলাশ, চাচাতো ভাই হানিফ শেখ, শরশ, রোকন, শিমুল, মানিক মাহাবুল, মিঠুন, রাজু, আব্দুল গাফফারসহ আরো অজ্ঞাত ৫/৭ জন গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাত টার দিকে পারিবারিক সমস্যার জেরে মিঠুন ও রাজু আমাদের সাথে খারাপ আচরণ ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন।
এছাড়াও আমার স্ত্রী শিমু আক্তারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। বড় মেয়ে কলেজ শিক্ষার্থী জাফরিন আক্তার জুটি ও ছোট মেয়ে ৭ বছর বয়সী মৌসুফা আফরিনকে লোহার রোড ও জিআই পাইপ দিয়ে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা মতিহার থানায় অভিযোগ দায়ের করি। গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে তারা আবারো সংঘবদ্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পনা নিয়ে বাসা ঘেরাও করে।
এসময় তারা আমারদেরকে ডাক দেয়। আমার স্ত্রী শিমু আক্তার বাসা হতে বের হলে তাদের হাতে অস্ত্র দেখে দ্রুত মূল গেট লাগিয়ে দেয়। তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের কাছে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গেটে আঘাত করে এবং ক্ষয়ক্ষতি ও ভাঙচুর করে। তারা সকলে মিলে জোরপূর্বক বাসায় প্রবেশ করে। আমরা এর বিরোধিতা করলে তারা বাড়ির আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত করে। বাড়ি থেকে নগদ ৫ লাখ টাকাসহ, ১০ ভরি স্বর্ণ অলংকার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এাছাড়াও মোট ৫টি মোবাইল ভাঙচুর করে এবং ৩টি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে যায়। শিমু আক্তারের ছোট বোন লাভলী (৩৬) এর কাছে থাকা মোবাইল ফোন, ১টি চেইন, ডায়মন্ড এর লকেট এবং ১ টি সোনার আংটি জোর পূর্বক কেড়ে নেয় এবং তারা সকলকে মারধর করে বাড়ি থেকে ১ কাপড়ে জোর পূর্বক বের করে দেয়। আমরা উক্ত বাড়িতে ঢুকতে পারছি না।
এখন পর্যন্ত আমাদের বাড়ি তারা দখলে রেখেছে এবং বাসায় প্রবেশ করলে আমাদেরকে প্রাণ নাশের ভয়ভীতিসহ হুমকি ধামকি প্রদান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান জুয়েল।
এই ঘটনায় থানায় সাহায্য সহযোগিতা চাইতে গেলে পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন সহযোগিতা করেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গত ৯ সেপ্টেম্বর মতিহার থানায় প্রবাসী আল আমিন জুয়েলের স্ত্রী শিমু আক্তার অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশের কোন পদক্ষেপ নেওয়ার ভূমিকা দেখছেন না বলে জানান জুয়েল।
প্রবাসী পরিবার দ্রুত আইনি সহযোগী ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী আল আমিন জুয়েলের স্ত্রী শিমু আক্তার, বড় মেয়ে কলেজ শিক্ষার্থী জাফরিন আক্তার জুটি ও ছোট মেয়ে ৭ বছর বয়সী মৌসুফা আফরিন উপস্থিত ছিলেন।
বিবার্তা/মোস্তাফিজুর/এমজে
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]