ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটানব্বইতম জন্মদিন
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০১৯, ১৭:৫৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটানব্বইতম জন্মদিন
মুহাম্মদ সামাদ
প্রিন্ট অ-অ+

আজ পহেলা জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটানব্বইতম জন্মদিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’। নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি। ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল সাজে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে-দ্বারে নির্মিত হয়েছে তোরণ। নানান রঙের পতাকা-ফেস্টুনে শোভিত হয়েছে প্র্রাঙ্গণ ও ভবনসমূহ। সকাল সাড়ে দশটায় মল চত্বরে জমায়েত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন শেষে র্যা লি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সমবেত হয় টিএসসিতে। এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে বেলা এগারোটায় আলোচনা সভায় উপাচার্যের সভাপতিত্বে প্রতিপাদ্য বিষয়ে মূল বক্তব্য দেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। শিশুদের জন্য রয়েছে চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দিনব্যাপী পান্ডুলিপি প্রদর্শনী উম্মুক্ত থাকবে বর্তমান শিক্ষার্থী ও সকল প্রাক্তনীর জন্যে।


বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ এই বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষপূর্তির শুভলগ্নে উপনীত। শতাব্দীপ্রাচীন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয় বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। ১৯১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। যারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক প্রমুখ অগ্রগণ্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়ার লক্ষ্যে ব্যারিস্টার আর. নাথান-এর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়। ১৯১৩ সালে আত্মপ্রকাশ করে নাথান কমিটির রিপোর্ট এবং সে বছরই ডিসেম্বর মাসে তা অনুমোদিত হয়। অতপর ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাবে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভায় “দি ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নং-১৩) ১৯২০” পাশ হয়।


উল্লেখ্য, বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল গণআন্দোলন ও সংগ্রামে দেশের এই প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে আইয়ুব সরকার ১৯৬১ সালে কুখ্যাত অর্ডিন্যান্স জারি করে। এই অর্ডিন্যান্স বাতিলের জন্যে ষাটের দশক থেকে শিক্ষকরা আন্দোলন করেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার নিবর্তনমূলক সেই অর্ডিন্যান্স বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ-১৯৭৩ জারি করে। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে এবং পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সমাজে মুক্তবুদ্ধিচর্চার দিগন্ত উন্মোচিত হয়।


শিক্ষার্থীদের জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। শুরুতে কলা, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের অন্তর্ভূক্ত বিভাগগুলো ছিল সংস্কৃত ও বাংলা, ইংরেজি, শিক্ষা, ইতিহাস, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ফারসি ও উর্দু, দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং আইন। প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ জন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১২টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৫৪টি গবেষণা কেন্দ্র, ১২৩টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন প্রায় ৪০ হাজার। আর, পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় দুই হাজার শিক্ষক।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “... য়ুরোপীয় ভাষায় যাকে য়ুনিভর্সিটি বলে প্রধানত তার উদ্ভব য়ুরোপে। অর্থাৎ য়ুনিভর্সিটির যে-চেহারার সঙ্গে আমাদের আধুনিক পরিচয় এবং যার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষিত সমাজের ব্যবহার, সেটা সমূলে ও শাখা প্রশাখায় বিলিতি।... অথচ এই য়ুনিভর্সিটির প্রথম প্রতিরূপ একদিন ভারতবর্ষেই দেখা দিয়েছিল। নালন্দা, বিক্রমশীলা, তক্ষশীলার বিদ্যায়তন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার নিশ্চিত কাল নির্ণয় এখনো হয়নি, কিন্তু ধরে নেয়া যেতে পারে যে, য়ুরোপীয় য়ুনিভর্সিটির পূর্ব্বেই তাদের আর্বিভাব। তাদের উদ্ভব ভারতীয় চিত্তের আন্তরিক প্রেরণায়, স্বভাবের অনিবার্য্য আবেগে।” একথা অত্যুক্তি হবে না যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও আমাদের চিত্তের ও আবেগের প্রেরণা অনেকটা একই ধারায় প্রবাহিত। এ দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রয়েছে বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের ইতিহাস।


এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাই মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বুকের তাজা রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছেন, অসীম সাহসিকতায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীনতার সংগ্রামে; রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে সকল বুদ্ধিবৃত্তিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তারা সদা সক্রিয় রয়েছেন। এখানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য। এভাবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদিকে পূর্ব বাংলার জনসমাজের জাতিসত্ত্বার বিকাশে অসাম্প্রদায়িক বুদ্ধিবৃত্তিচর্চার অবাধ সুযোগ ও গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে; অন্যদিকে ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালির হাজার বছরের পরাধীন মাতৃভূমিকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশে রূপদানে অনন্য অবদান রেখেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫ মার্চের কালরাতের নির্মম হত্যাযজ্ঞ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রী শহীদ হয়েছেন পৃথিবীর ইতিহাসে তার নজির নেই। তাই, প্রধান বিদ্যাপীঠ হিসেবে দেশের সকল সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যের লালনকারী প্রতিষ্ঠানরূপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আপন মহিমায় সমুজ্জ্বল।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত একশ বছরে নিঃসন্দেহে বহু ভালো ভালো গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃষ্টিশীল কাজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, দার্শনিক জি সি. দেব, এফ. সি. টার্নার, ডব্লিই জেনকিন্স, রমেশ চন্দ্র মজুমদার, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রাষ্ট্রবিজ্ঞনী আবদুর রাজ্জাক, ড. আহমদ শরীফ, সরদার ফজলুল করিম, কবি শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, ড. আনিসুজ্জামান,ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধরুী, ড. হাসিনা খানমসহ অনেক অসামান্য গবেষক-পন্ডিত ও কবি-লেখকের নাম আমরা উল্লেখ করতে পারি। তবু আমাদের আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। গবেষণা ও র্যা ঙ্কিং নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। এই কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, আমাদের বার্ষিক বাজেটে গবেষণা খাতে অর্থ বরাদ্দ কম। যেমন, চীনা কোম্পানি হুয়াওয়ে ২০১৮ সালে নিজেদের উদ্ভাবনে ব্যয় করেছে এক লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের মোট শিক্ষা বাজেটের দ্বিগুণ। তবে বড় জনসংখ্যার বাংলাদেশ ও বিশ্বের চাহিদার নিরিখে নতুন গবেষণা প্রকল্পে তহবিল যোগানে সরকার ও বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার আগ্রহ আছে। আশার কথা, এই বিষয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরন্তর তাগিদ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্য তরুণদের আহ্বান জানাচ্ছেন, অনুপ্রাণিত করছেন। ফলে, মহাশূন্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কার্যক্রম থেকে শুরু করে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা এখন প্রান্তিক কৃষকসহ সকল নাগরিক ভোগ করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিভিত্তিক নতুন নতুন বিভাগ যেমন, রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে নতুন গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। গবেষণার ক্ষেত্রে আরো আশার খবর হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্যে এই বছর থেকে বঙ্গবন্ধু ওভারসিজ স্কলারশিপ চালু হয়েছে। এই স্কলারশিপের আওতায় আমাদের শিক্ষকরা বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান বাড়বে এবং দেশের উন্নয়নে তা কাজে লাগবে।


উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী অর্থাৎ মুজিববর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ ফর ফরেন স্টুডেন্টস’-এর আওতায় দশজন বিদেশী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।


প্রসঙ্গত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটা কথা বলতে চাই। শতবর্ষপূর্তি উদ্যাপনের প্রাক্কালে আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্বপালন পরম সৌভাগ্যের। এই শুভলগ্নে আমাকে দায়িত্বপালনের দুর্লভ সুযোগ করে দেয়ার জন্যে আমি বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মো. আবদুল হামিদ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পাওয়ার আগে আমি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বাংলাদেশসহ সব দেশেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উপাচার্যকেন্দ্রিক। বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩ অনুসারে দেশের চারটি যথা ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অবারিত মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে উপাচার্যের ক্ষমতা সীমাহীন আর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরসহ অন্য পদগুলো কম গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে উপাচার্য বিদ্যায়, বিনয়ে, প্রজ্ঞায় ও নেতৃত্বে স্বপ্নবান এবং টিমওয়ার্কে বিশ্বাসী হলে সিনেট, সিন্ডিকেট, একাডেমিক পরিষদসহ সামগ্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরগণের সহযোগী ভূমিকা কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে।


সর্বোপরি, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকরা সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক, উদার ও মানবিক গুণসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ হিসাবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে এবং অদূর ভবিষ্যতে উন্নত দেশে রূপান্তরের পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।


লেখক: প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

বি-৮, ইউরেকা হোমস, ২/এফ/১, 

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com