
উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল বাতাস ও কুয়াশার কারণে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৬টা ও ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের বেলায় রোদের কারণে কিছুটা উষ্ণ আবহাওয়া থাকলেও রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বাড়ছে। ভোরে কখনো হালকা আবার কখনো ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ।
তবে রবিবার ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আগের কয়েকদিনের তুলনায় কুয়াশা কিছুটা কম থাকলেও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে শীতের অনুভূতি ছিল স্পষ্ট।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই তাপমাত্রা কমতে থাকে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়। ফলে রাতে কম্বল ব্যবহার এবং সকালে বাইরে বের হতে গরম কাপড় পরতে হচ্ছে।
পঞ্চগড়ের স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরেই জেলায় শীতের আমেজ বেড়েছে। কোনো দিন ঘন কুয়াশা, আবার কোনো দিন হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও রাত ও সকালে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকেই ধীরে ধীরে ঠান্ডা বাড়তে থাকে। গভীর রাতে কম্বল ছাড়া ঘুমানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সকালে গরম কাপড় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও কষ্টকর।
এদিকে রাত ও ভোরে ঠান্ডা বাতাসের কারণে দুর্ভোগে পড়ছেন রিকশাচালক ও মোটরসাইকেলের আরোহীরা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। রোববার সকাল ৬টা ও ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। এর আগে শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও জানান, আগামী দিনগুলোতে পর্যায়ক্রমে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]