১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫০
১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রিন্ট অঅ-অ+

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী চলতি বছর দাখিল পরীক্ষার অংশ নিয়েছিল। এ মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। ফলে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।


গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


স্থানীয়রা জানান, নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষার ওই মাদরাসা থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করতে পারেনি কোনো শিক্ষার্থী।


একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি এমপিওভুক্ত মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক মিলেও মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থীকে পাস করাতে পারলো না। বিষয়টি খুবই দুঃখের। এর দায় সম্পূর্ণ শিক্ষকদের। শিক্ষকরা ভালোভাবে পড়াননি দেখে ফলাফল এমন হয়েছে। না হলে একজন শিক্ষার্থীও পাস করবে না এটা কোনো কথা হলো?


এ বিষয়ে জানতে মাদরাসাটির সুপার মো. আবুল খায়েরকে ফোন করা হলে তিনি এই প্রতিবেদকের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইউনুস বলেন, ফলাফল জানার পর মাদরাসার সুপারকে আমি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তিনি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন- ‘মহিলা মাদরাসার বেশিরভাগ ভালো শিক্ষার্থীরই বাল্য বিয়ে হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে খারাপ শিক্ষার্থী দিয়েও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হয়েছে।’ তার এই বক্তব্য আমরা গ্রহণ করছি না। শোকজের লিখিত জবাবের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com