মৃত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ করালো প্রযুক্তি
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৭:০৪
মৃত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ করালো প্রযুক্তি
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

ছয় বছর আগে মারা যাওয়া এক মেয়েকে ভার্চুয়াল বাস্তবতায় মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করালেন দক্ষিণ কোরিয়ার তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা।


সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে লিউকোমিয়ায় মারা যায় ছোট্ট শিশু না-ইয়ন। সেই শিশুটিকে ভার্চুয়াল বাস্তবাতায় মায়ের সামনে আনা হয়। মা ঝাং জি সাং মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েকে ছুঁয়ে আদর করেন। এসময় মৃত মেয়েকে পেয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকেন ঝাং জি।


তবে ঝাং জি কাঁদলেও বাস্তবে আসেনি তার মেয়ে। ঝাং জি এর হাতে স্পর্শকাতর গ্লাভস ও চোখে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) বক্স লাগানো হয়। এর মাধ্যমে তিনি ভার্চুয়ালি মেয়েকে দেখতে পান, কথা বলেন এবং সেন্সরের মাধ্যমে মেয়েকে ছুঁয়ে আদর করেন। প্রযুক্তিবিদরা প্রথমে না-ইয়ান এর ছবি নিয়ে তার মতো এনিমেশন তৈরি করেন। পরে সেই এনিমেশনকে সংযুক্ত করা হয় ভিআর বক্স ও সেন্সর হ্যান্ড গ্লাভসে।


দক্ষিণ কোরিয়ার একটি টেলিভিশন এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভিডিও প্রচার করে। ভিডিওতে দেখা যায় একটি গ্রিন স্ক্রিন কক্ষে মা ঝাং জি ভিআর বক্স ও গ্লাভস পরে মেয়েকে ডাকছেন। তিনি ভার্চুয়ালি দেখতে পান মায়ের ডাক শুনে তার মৃত মেয়ে কয়েকটি পাথরের টুকরোর পাশ থেকে দৌড়ে তার দিকে ছুটে আসে। এসময় মেয়েটি বলে, মা, তুমি কোথায় ছিলে? তোমাকে আমার খুব মনে পড়ে। আমাকে তোমার মনে পড়ে?


উত্তর দেয়ার আগেই বাস্তবে কেঁদে ফেলেন মা। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তোমাকে আমার খুব মনে পড়ে। এসময় মা তার মেয়েকে ছুঁয়ে আদর করেন। মা-মেয়ের এমন ভার্চুয়াল মিলনের সময় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। উপস্থিত অন্যান্য প্রযুক্তিবিদরাও কাঁদতে থাকেন।


এদিকে এ ঘটনাকে মানুষের আবেগ আর বিশ্বাস নিয়ে প্রতারণা হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। সামাজিকমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশের পর দক্ষিণ কোরিয়ার বহু মানুষ এ ধরণের রিয়েলিটি শোর বিরোধিতা করছেন।


বিবার্তা/অনামিকা/জাই

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com