
পবিত্র শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণ ও পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখার লক্ষ্যে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় (বাদ মাগরিব) ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা হবে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ টেলিফোন নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানোর অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) শবে বরাত পালিত হয়। শবে বরাতের পরদিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকে। শাবান মাস শেষেই শুরু হয় মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান।
সোমবার শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে, শবে বরাত পালিত হবে ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে। চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, শাবান মাস শুরু হবে বুধবার (২১ জানুয়ারি)। এক্ষেত্রে ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে।
ইসলাম ধর্মে গুরুত্বপূর্ণ চারটি রাতের অন্যতম শবে বরাতে পরম করুণাময় তার বান্দার জন্য খুলে দেন রহমত আর দয়ার ভাণ্ডার। এই রজনী জানান দেয় রমজানের আগমনী বার্তা।
শবে বরাত এখানে দুটি ভিন্ন ভিন্ন শব্দের সংমিশ্রণ রয়েছে। প্রথম শব্দটি ফারসি যার বাংলা অর্থ হলো রাত। আর দ্বিতীয় শব্দটি আরবি যার বাংলা অর্থ হলো নাজাত পাওয়া, মুক্তি পাওয়া। এ পূর্ণ শব্দটিকে এককথায় এভাবে প্রকাশ করা যায় যে শবে বরাত হলো, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার রাত।
এ রাতে ইবাদত করার বিষয়টি নির্ভরযোগ্য হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। নবীজির যুগ থেকে শুরু করে সাহাবা তাবেইন ও তাবে তাবেইন থেকে অদ্যাবধি এ পর্যন্ত এরাতে বিশেষ নফল ইবাদতের আমল ধারাবাহিকতার সাথে চলে আসছে।
হাদিস শরিফে এ রাতের ফজিলত ليلة النصف من شعبان বলে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আজকে আমাদের সমাজের কিছু লোক সম্পূর্ণরূপে এ রাতের ফজিলত কে অস্বীকার করছে। আর কিছু লোক ফজিলতের নামে বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘনে লিপ্ত হচ্ছে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]