ফটিকছড়িতে মাওলানার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২০:২৫
ফটিকছড়িতে মাওলানার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে হেফাজত নেতা ও স্থানীয় নাজিরহাট বড় (কওমী) মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা সলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে 'এহসান এস সোসাইটি' নামে অর্থ লগ্নিকারী একটি প্রতিষ্টানের প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠেছে।


এই অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছেন সহস্রাধিক গ্রাহক। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গত ৯ আগস্ট ফটিকছড়ি থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।


২০০৭ সালে উপজেলার নাজিরহাটে অফিস খুলে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলো এহসান এস সোসাইটি নামে এমএলএম প্রতিষ্ঠানটি। সহস্রাধিক গ্রাহকের জামানতকৃত প্রায় ৫ কোটি টাকার ডিপিএসের মেয়াদ পূর্তির পূর্ব মূহুর্তে হঠাৎ সটকে পড়েন প্রতিষ্ঠানটির নাজিরহাট শাখার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এরপর থেকে কার্যালয়টি নিয়মিত বন্ধ রয়েছে। ফলে জামানত হারানোর ভয়ে প্রতিষ্ঠানটির সহস্রাধিক গ্রাহক উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়ে।


পরে প্রতিষ্ঠানটির নাজিরহাট শাখার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মাওলানা সলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ক্ষুদ্ধ গ্রাহকরা।


এদিকে, গত শুক্রবার সকালে মাওলানা সলিম উল্লাহ ও উক্ত শাখার অপর দুই কর্মকর্তা মুনির বিন হাসান ও জাবের আহমদকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও জামানতকৃত টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে নাজিরহাট বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা।


মানববন্ধনে গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, মাওলানা ছলিম উল্লাহ ২০০৭ সালে এহসান এস সোসাইটি নাজিরহাট শাখা চালু করে। এটি একটি ইসলামী শরীয়াহ্ ভিত্তিক ও সুদমুক্ত প্রতিষ্ঠান দাবি করে ডিপিএস খোলার জন্য তিনি স্থানীয়দের বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করেন। এখন তিনি আমাদের জামানতের সব টাকা যোগসাজশের মাধ্যমে আত্মসাত করে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন মর্মে নাটক সাজাচ্ছেন।


তারা আরো বলেন, বর্তমানে মাওলানা সলিম উল্লাহ বেশ অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে তাঁর নামে কয়েকটি প্লট ও নাজিরহাটে ৫ তলা বিশিষ্ট দু'টি ভবন রয়েছে।


তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মাওলানা সলিম উল্লাহ বলেন, ''আমি দীর্ঘ দিন দায়িত্বে থাকলেও ২০১৩ সালে দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেই। সুতরাং আমার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সত্য নয়। আমার শ্বশুর থেকে কিছু জায়গা পেয়েছি। সেগুলো বিক্রি করে এসব করেছি।''


ফটিকছড়ি থানার উপ পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।


বিবার্তা/ফয়সাল/কামরুল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com