ই-ক্যাব নির্বাচন
নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ জানালেন চেঞ্জমেকার্স প্যানেলের সদস্যরা
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২২, ১১:১০
নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ জানালেন চেঞ্জমেকার্স প্যানেলের সদস্যরা
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

চারদিকে চলছে অনলাইন ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২২-২৪ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার জোর প্রস্তুতি। সভা-সমাবেশ।


আগামী ১৮ জুন অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে উপলক্ষে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী আবেদন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯ সদস্য মিলে গঠন করেছে চেঞ্জ মেকার্স টিম।


বুধবার রাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভোটার ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এলেন এই প্যানেলের সদস্যরা।


প্রথমেই আসেন এই প্যানেলের পতাকাবাহী মোজাম্মেল হক মৃধা ওরফে সোহেল মৃধা (কিনলে ডট কম)। এরপর মঞ্চে আসেন মো. আবু সুফিয়ান নিলাভ (নিজল ক্রিয়েটিভ)। এরপর একে একে আসেন মো. তাসদীখ হাবীব (ক্লিনফোর্স লিমিটেড), নুসরাত আক্তার লোপা (হুর নুসরাত), ইলমুল হক সজিব (সেবা.এক্সওয়াইজেড), বিপ্লব ঘোষ রাহুল (ই-কুরিয়ার), জিসান কিংশুক হক (আরটিএস এন্টারপ্রাইজ), শাফকাত হায়দার (সিপ্রোকো কম্পিউটার লিমিটেড) এবং ওয়াসিম আলিম (বাংলামেডস)।


প্যানেল পরিচিতি প্রকাশের পর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জিসান কিংশুক জানান, আগামী ৩০ মে ধানমন্ডিতে ইশতেহার ঘোষণা দেয়া হবে। প্রথম দিনেই একসঙ্গে নির্বাচন করতে যারা আবেদন নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে চালডাল ডটকম সহপ্রতিষ্ঠাতা জিয়া আশরাফ, আশরাফুজ্জামান (ভার্চুয়াল মার্কেট সল্যুশন লিমিটেড), এ এম ইশতিয়াক সারওয়ার (আমার পে) ও শামসুল ইসলাম (উনিকো বাংলাদেশ) তাদের সমর্থন জানিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহর করছেন।


প্রার্থীরা ভোটারদের সামনে একে একে নিজেদের ব্যবসায় সফলতার উপাখ্যান তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের যোগ্যতারও বিবরণ দেন। তারা জানান, প্রার্থী হিসেবে এই প্যানেলের ৯ সদস্য এরই মধ্যে ই-কমার্স খাতে ৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনতে সক্ষম হয়েছেন। কমপক্ষে ৬ হাজার ২২৫ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এরাই ২৭ লাখ ৮৫ হাজার কাস্টমার অর্ডার ডেলিভারি করেছে সফলতার সঙ্গে।


ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৭৯৫ জন। প্যানেল পরিচিতি সন্ধ্যায় ভোটার এবং ভোটার নন এমন ব্যক্তিরাও ই-ক্যাবের পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে নিজেদের আশাবাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।


এদের মধ্যে বেসিস পরিচালক ও ই-ক্যাবের ভোটার আহমেদুল ইসলাম বাবু বলেন, নির্বাচন কোনো ভাঙন প্রক্রিয়া নয়; এটা গড়ার নতুন প্রত্যয়। ই-ক্যাব ভালো নেতৃত্ব দিক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা আশা করছি সেই যোগ্য নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়েই বেসিস আইসিটি দাবি আদায়ে একাটা হবে। ঐক্য বজায় রেখে গঠনমূলক নেতৃত্ব জোরদার হোক।


ভোটার নন উপস্থিত এমন একজন ব্যবসায়ী দেবাশীষ ফোনি বলেন, ই-কমার্স পেশা এখন আমাদের জন্য বিব্রতকর অবস্থা। আশা করবো, এই প্যানেল থেকে একজনও যদি নেতৃত্বে আসেন তবে পরবর্তী নেতৃত্ব পুঞ্জি স্কিমের বাটপার কোম্পানিগুলোকে ই-ক্যাব থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করবে।


মাহমুদুল হাসান নামের অপর এক ই-কমার্স ব্যবসায়ী বলেন, ই-কমার্স ইকোসিস্টেমে বাটপার ও প্রতারকদের মুক্ত করে সম্মানের ধারায় ফিরে আসবে এটাই প্রত্যাশা করছি।


ভোটারদের মধ্যে কাজী কাউসার সুইট বলেন, একটি বাণিজ্যিক সংগঠনের কাছে সদস্যরা মেন্টরশিপ বা ইনভেস্টমেন্ট প্রত্যাশা করে না। আমারা চাই সেগমেন্টেশন অনুযায়ী সদস্যদের মর্যাদা দেয়া হোক। সচিবালায়ের কোনো কর্মচারী যেনো ফোন দিয়ে অপেশাদার সুলভ আচরণ না করে।


তার মতোই ইসিতিয়াক নামের অপর ব্যবসায়ী বলেন, নানা প্রতিশ্রুতির খই ফুটানোর চেয়ে ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্সকে অন্তর্ভূক্ত করার মতো প্রাথমিক কাজগুলো আগে সম্পাদন করা হবে সেটাই ভোটারদের প্রত্যাশা।


বিবার্তা/গমেজ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com