স্মার্টফোন কেনার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয়
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৩৮
স্মার্টফোন কেনার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয়
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

প্রতিদিনকার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন। এটি ছাড়া এখন কল্পনা করা যায় না আধুনিক জীবন।


শুধু যোগাযোগ রক্ষার্থেই নয়; ছবি তোলা, গান শোনা, মুভি দেখা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্লাউডে সংরক্ষণ, ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ নানা কাজে ব্যবহার হচ্ছে এ ডিভাইসটি। তাই স্মার্টফোন কেনার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।


র‌্যাম : স্মার্টফোন কত দ্রুত কাজ করবে তা অনেকটা র‌্যামের ওপরই নির্ভর করে। ইন্টারনেট সেবার সহজলভ্যতার কারণে ডাটা ব্যবহার বেড়েছে। স্বাচ্ছন্দ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার বা মুভি দেখার জন্য ২-৩ গিগাবাইটের র‌্যাম সংবলিত ডিভাইস হলে ভালো। তবে সাধারণ কাজের জন্য ২ গিগাবাইট র‌্যামের স্মার্টফোন হলেই স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।


ক্যামেরা : সবাই এখন মোবাইলে ক্যামেরাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে মেগাপিক্সেল বেশি হলেই স্মার্টফোনের ক্যামেরাটি সেরা হবে, এমন ধারণা অনেকের। কিন্তু বিষয়টি একেবারেই তা নয়। মেগাপিক্সেলের পাশাপাশি ক্যামেরা অ্যাপারচার, আইএসও লেভেল, পিক্সেলের আকার ও অটোফোকাসের মতো ব্যাপারগুলো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।


ডিসপ্লের রেজুলেশন : স্মার্টফোনের ব্যবহারের ওপরই ডিসপ্লের আকার বা রেজুলেশন নির্ভর করে। ভিডিও, ছবি বা ভিডিও সম্পাদনা অথবা ডাউনলোড ও সিনেমা দেখার জন্য ডিভাইসের ডিসপ্লে সাড়ে ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি হলে ভালো হয়।


স্টোরেজ : ৩২জিবি স্টোরেজের স্মার্টফোন কিনলেই যথেষ্ট। তবে ৬৪ বা ১২৮ জিবি স্টোরেজের স্মার্টফোনও রয়েছে। তবে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারযোগ্য ৩২ জিবি স্টোরেজের ডিভাইসও কেনা যায়।


ব্যাটারির স্থায়িত্ব : ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে স্মার্টফোন ব্যাটারির আয়ুষ্কাল। বিভিন্ন অ্যাপ, গেম এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের মতো কাজের জন্য স্মার্টফোন ব্যাটারি ৩০০০ থেকে ৩৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের হলে ভালো হয়। শুধু যোগাযোগের কাজে ব্যবহারের জন্য হলে ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার বা তার চেয়ে কম হলেও চলে।


সিকিউরিটি সিস্টেম : এখন বেশির ভাগ ডিভাইসেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর বা আইরিস সেন্সরের মতো অতিরিক্ত নিরাপত্তা ফিচার থাকে। এগুলো কেবল হ্যান্ডসেট লক-আনলকে নয়, কাজ করে নির্দিষ্ট ফাইল, নথি অথবা অ্যাপে অ্যাকসেস পেতে পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে।


প্রসেসর কেমন : ডিভাইসভেদে প্রসেসিং ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়। ডিভাইসের তথ্য প্রসেসিং বিষয়টি কিছুটা অপারেটিং সিস্টেমের ওপরও নির্ভর করে। ছবি ও ভিডিও সম্পাদনার পাশাপাশি গেম খেলতে হলে সর্বশেষ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর সংবলিত ডিভাইস ব্যবহার করাই শ্রেয়। পাশাপাশি মিডিয়াটেক প্রসেসর যুক্ত হ্যান্ডসেটও বেছে নেয়া যেতে পারে।
গঠন কাঠামো : স্মার্টফোনের মতো মোবাইল ডিভাইসের স্থায়িত্বনির্ভর করে এর কাঠামোর ওপর। ধাতব ও প্লাস্টিক এ দুই কাঠামোয় বিভক্ত হ্যান্ডসেটের পুরো বাজার।


ইউজার ইন্টারফেস : স্মার্টফোন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ইউজার ইন্টারফেস ও ডিভাইসটি কোন অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) চালিত, সেটাতে গুরুত্ব দেয়া উচিত।


অডিও-স্পিকার : ভিডিও স্ট্রিমিং অথবা ভিডিও কনফারেন্সের কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে স্পিকার ও মানসম্মত অডিও প্রযুক্তিতে।


হেডফোন জ্যাক ও ইউএসবি পোর্ট : স্মার্টফোনে এখন মাইক্রো-ইউএসবি ও ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট সহজলভ্য হলেও এগুলোয় গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তবে ইউএসবি টাইপ-সি পোর্টবিশিষ্ট স্মার্টফোন কেনাই ভালো। এর মাধ্যমে চার্জ দেয়া সহজ। কিছু ডিভাইসে থাকে সাড়ে ৩ মিলিমিটারের হেডফোন জ্যাক। এগুলো বছর দুয়েক ভালো কাজ করতে সক্ষম।


বিবার্তা/উজ্জ্বল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com