প্রেম যমুনার ঘাটে
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:১২
প্রেম যমুনার ঘাটে
পর্যটন ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

দৃষ্টিনন্দন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর প্রেম যমুনারঘাট। কালীতলা ঘাট ঘুরে অটোতে করে সরাসরি এখানে পৌঁছাতে পারবেন। এখানে এসে প্রেম করে বলে নাম প্রেম যমুনার ঘাট কি না তা জানা না থাকলেও, প্রেম যমুনার ঘাট নামটি শুনলে যে কেউ বেশ মজা পান। তবে নামটার পেছনে ইতিহাস জানা নেই।


এই ঘাটের খোলামেলা পরিবেশ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এরকম পরিবেশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আপনিও এখানে যেতে পারেন।


বগুড়া শহর থেকে ২২ কিলোমিটার পূর্বে সারিয়াকান্দিতে অবস্থিত ভ্রমণস্পট প্রেম যমুনার ঘাট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে এখানে তৈরি করা হয়েছে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে একটি বিশাল বাঁধ।এখানে ভ্রমনপ্রিয় মানুষদের ভ্রমণের জন্য নদীতে আছে ছই ছাড়া এবং ইঞ্জিনের নৌকা। ইচ্ছা করলেই ঘুরে আসা যায় ওই পাড়ের চর থেকে। যমুনার বুকে প্রেম যমুনার ঘাটটিই সবচেয়ে সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন ঘাট।


নদীতে ভ্রমণের সময় হঠাৎ করে পেয়ে যেতে পারেন ছোট বড় অনেক চর। এমন চর পেয়ে গেলে সেখানে নেমে গোসলও করতে পারেন মনের আনন্দে। এটি হতে পারে আপনার জীবনের একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা।


২০০০ সালে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সারিয়াকান্দির কালিতলা, দীঘলকান্দি ও দেবডাঙ্গায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষার্থে গ্রোয়েন বাধ নির্মাণ করা হয়। গ্রোয়েন বাধ গুলো নির্মাণের ফলে যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে সারিয়াকান্দি রক্ষা হয়েছে অন্যদিকে স্থাপনা গুলি নদীর তীরে সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে চলেছে। স্থানীয় অধিবাসীরা আগত দর্শনার্থীদের যথাসাধ্য আদর আপ্যায়ন করে থাকেন। এখানে যাবার আগে বগুড়ার সাতমাথার আকবরিয়া থেকে প্যাকেট লাঞ্চ নিয়ে যেতে পারেন। তাতে যমুনার চরে বসে সেরে ফেলতে পারেন ছোটখাটো একটি পিকনিক।


যেভাবে যাবেন: প্রথমত ঢাকা থেকে বগুড়া যাবার জন্য কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে সহজেই পেতে পারেন বাস। এক্ষেত্রে নন এসি বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ৩৫০ টাকা, এসির ক্ষেত্রে ভাড়া হবে ৭০০- ১০০০ টাকা। বাস আপনাকে নামিয়ে দেবে বগুড়ার সাতমাথা কিনবা ঠনঠনিয়া বাসস্টান্ড। এখানে থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে সোজা যেতে পারেন সারিয়াকান্দি। বগুড়া থেকে মাত্র ২২ কি.মি. সময় লাগবে সর্বোচ্চ আধাঘণ্টা।


কোথায় থাকবেন: থাকার জন্য বগুড়ায় আপনার জন্য আছে হোটেল নাজ গার্ডেন (ফোর স্টার মানের), পর্যটন মোটেল (বনানী মোড়ে), সেফওয়ে মোটেল (চারমাথা), নর্থওয়ে মোটেল (কলোনী বাজার), সেঞ্চুরি মোটেল (চারমাথা), মোটেল ক্যাসল এমএইচ (মাটিডালি)। এগুলো প্রত্যেকটাই শহরের বাইরে, নিরিবিলি পরিবেশে। আর শহরের মধ্যেও অনেক হোটেল আছে তার মধ্যে একেবারে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হোটেল আকবরিয়া অন্যতম। নবাব বাড়ি রোডেও আছে কয়েকটি হোটেল।


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com