পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে গবেষণায় জোর দিতে হবে: আনোয়ার হোসেন
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৫১
পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে গবেষণায় জোর দিতে হবে: আনোয়ার হোসেন
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

বাঙালি সংস্কৃতিমনা ও ভ্রমণপিপাসু। বাংলাদেশজুড়ে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয়, নৈসর্গিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থান। বছরের বিভিন্ন ঋতুতে, বিশেষ দিবসে সুযোগ পেলেই মানুষ শহুরে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি পেতে একটু বিনোদন ও আনন্দের খোঁজে ছুটে যান পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা পর্যটন বিকাশের পূর্বশর্ত। এসব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করলেই দেশের পর্যটনশিল্প থেকে আসবে বড় অংকের রেভিনিউ।


বিবার্তা২৪ডটনেটের সাথে একান্ত আলাপে এসব কথা বলেন ট্যুর অপারেটর এজেন্সি গ্লোরি হলিডেস ও ট্রাভেল এজেন্ট গ্লোরি এয়ার ট্রাভেলসের প্রধান নির্বাহী মো. আনোয়ার হোসেন।



মো. আনোয়ার হোসেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ারের পরিচালক, ট্যুরিজম ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর (টিডাব) বিজনেস ডেভেলপমেন্ট পরিচালক, ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটা)-এর সদস্য, প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসহ বিভিন্ন ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে দেশের পর্যটনশিল্প বিকাশে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছেন। তরুণ বয়স থেকেই ভ্রমণের তীব্র নেশা থেকে তিনি পৃথিবীর বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন।



সম্প্রতি রাজধানীর গুলশান-১ গ্লোরি হলিডেসের প্রধান কার্যালয়ে বিবার্তার সাথে কথা বলেন মো. আনোয়ার হোসেন। আলাপে উঠে এসেছে করোনার পর দেশের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টদের অবস্থা, দেশের পর্যটনশিল্প খাতের হালচালসহ নানান বিষয়। দীর্ঘ আলাপের চুম্বক অংশ বিবার্তার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।



বিবার্তা: আপনারা ট্যুরিস্টদের জন্য কী ধরনের সেবা দিচ্ছেন?


মো. আনোয়ার হোসেন: গ্লোরি হলিডেস ও গ্লোরি এয়ার ট্রাভেলস হলো ট্যুর অপারেটরদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভ্রমণপিপাসুদের ভ্রমণকে স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দময় করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা আমরা দিয়ে থাকি। যেমন-ট্রান্সপোর্ট, এয়ার টিকিট, হোটেল বুকিং, গাইড সার্ভিস, প্যাকেজ ও গ্রুপ ট্যুরের আয়োজন। ভিসা পেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাসহ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনে সহযোগিতা করে থাকি। ট্যুরিস্টদের সেবাদানের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ ট্যুরিজমের উন্নয়নে সাংগঠনিকভাবে বিভিন্ন কাজ করছি।



বাংলাদেশের ট্যুরিজমকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরে বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ারের পরিচালক হিসেবে কাজ করছি। আগামী মার্চে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১১তম আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার আয়োজন করতে যাচ্ছি। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্টজম মিনিস্টার, ট্যুরিস্ট এখানে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে বিদেশিরা আমাদের ট্যুরিজম সম্পর্কে ধারণা পাবেন। দেশের সব ট্যুর অপারেটস ও ট্রাভেল এজেন্টরা এতে অংশগ্রহণ করবেন।



বিবার্তা: মহামারি করোনার পর বর্তমানে দেশের ট্যুর অপারেটররা কেমন আছেন?


মো. আনোয়ার হোসেন: দেখুন, গত ২০২০-২১ সাল, দুই বছর করোনার কারণে দেশসহ সারাবিশ্বে যতগুলি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে ট্যুরিজম অন্যতম। এটা হলো একটা লাক্সারিয়াস সেক্টর। কেননা যান্ত্রিক জীবনে মানুষ তার সব প্রয়োজন মিটিয়ে একটু আনন্দ-বিনোদনের জন্য ‍ঘুরতে যায়। মনের প্রশান্তির জন্য পাহাড়, সমুদ্র, নদ-নদী ও নির্জন প্রকৃতিকে বেছে নেয়। নিজেকে রিফ্রেস করে আবার ব্যস্ত জীবনে ফিরে আসে। করোনার সময় মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। কাজ না থাকলে ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি কর্মীদের বেতন-ভাতা দিবে কীভাবে? ফলে অসংখ্য ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। কেউ কেউ তাদের ব্যাংকে জমানো টাকা খরচ করেও প্রতিষ্ঠান চালিয়ে রাখতে পারেননি।



করোনা পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণে আসে, দেশসহ বিশ্বের সব কিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে থাকে, তখন ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সির মালিকরাও ছোট্ট পরিসরে কার্যক্রম চালু করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে না হতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্বের পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে। ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এয়ার টিকিটের মূল্যও বেড়ে গেছে। যেমন-ঢাকা থেকে নেপাল যে এয়ার টিকিটের দাম ছিল ১৬-১৮ হাজার টাকা এখন সেটা হয়ে গেছে ৩০ হাজার টাকা। থাইল্যান্ডে এয়ার টিকিটি যেখানে আগে ছিল ২৫ হাজার টাকা, এখন সেটা হয়ে গেছে ৩৫ হাজার টাকা।



ট্যুরিস্টদের পছন্দের ভ্রমণের এসব দেশগুলির টিকিটের মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের মিডরেঞ্জের ট্যুরিস্টদের সমস্যা হচ্ছে। ফলে আমাদের মতো ট্যুর অপারেটর কোম্পানিগুলির ব্যবসার অবস্থা তেমন ভালো যাচ্ছে না। আশার কথা হলো, এখন দেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের সবকিছু ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছে। আশা করছি, অল্পদিনের মধ্যেই সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।



বিবার্তা: দেশের পর্যটনশিল্পখাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আপনার বিশ্লেষণ জানতে চাই।


মো. আনোয়ার হোসেন: বিশ্বের পর্যটন সফল দেশগুলি পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এসব দেশের বেশির ভাগ রেমিটেন্স আসে পর্যটনশিল্প থেকে। সার্কভুক্ত দেশগুলি যেমন- ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার প্রধান আর্নিং সোর্স হচ্ছে পর্যটন। আমাদের দেশেও সিলেট, কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সেন্টমার্টিন, সুন্দরবন, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানের মতো অসংখ্য দর্শনীয় স্থান এবং দেশজুড়ে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন রয়েছে। আমাদের দেশে পর্যটনশিল্পের অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এই শিল্পখাতের উন্নয়নে নজরদারি বেড়েছে। বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।


বিবার্তা: দেশে পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের পথে বাধাসমূহ কী কী?


মো. আনোয়ার হোসেন: আমাদের দেশে পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন- দেশের পর্যটনশিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে যে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয় তা একেবারেই অপ্রতুল। এটাকে আরো বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বাপক) ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড (বিটিবি) কাজ করে। সংস্থা দুটি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। দেশের পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা সংস্থা দুটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেইসাথে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ট্যুরিজম শিল্পকে বিদেশিদের কাছে পরিচয় করানো। কাজটি প্রয়োজনের তুলনায় কম হচ্ছে। এখানে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।



আরেকটি বিষয় হলো, দেশের পর্যটনশিল্পের অবকাঠামোগত অনেক পরিবর্তন করতে হবে। যেমন- কক্সবাজার, সিলেটের বিছানাকান্দি, সুন্দরবন বড় ট্যুরিস্ট জোন। এখানে সারাদেশের হাজারো ট্যুরিস্ট ঘুরতে গিয়ে গোসল করেন। গোসলের পর পোশাক পরিবর্তনের কোন রুম বা বাথরুমের ব্যবস্থা এখানে নেই। বিষয়গুলোতে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। আর ট্যুরিস্টদের সিকিউরিটি বড় একটা বিষয়।



সবাই চায় নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণ। দেশের প্রত্যেক ট্যুরিস্ট জোনে নিরাপত্তায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।



বিবার্তা: পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে আপনার পরামর্শ কী থাকবে?


মো. আনোয়ার হোসেন: পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশের হোটেল ভাড়া বেশি। দেশের অভ্যন্তরীণ ট্যুরিস্টদের জন্য এয়ারলাইন্স ভাড়াও বেশি। এগুলিকে কমিয়ে এনে নিরাপত্তা আরো জোরদার করলে দেশের মানুষ দেশেই ভ্রমণ করবে। দেশের মুদ্রা দেশেই থাকবে।



দেশের পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। দেশের বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় অনেক বড় একটা সেক্টর। এখানে আবার পর্যটন নিয়েও কাজ হচ্ছে। আমরা চাই পর্যটনশিল্পের জন্য আলাদা একটা মন্ত্রণালয় করা হোক। এটা করা হলে অটোমেটিক্যালি পর্যটনশিল্পের বিকাশে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে।



বিবার্তা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যটনশিল্প নিয়ে যে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?


মো. আনোয়ার হোসেন: বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড (বিটিবি) কিছু বিষয় নিয়ে রিসার্চ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ রয়েছে। সারাদেশের সব বিভাগীয় জেলা শহরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যটনশিল্পের আলাদা বিভাগ চালু করেছে। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) পক্ষ থেকে বছরের বিভিন্ন সময় আমরা ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। এভাবে অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলিও নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করছে। এ বিষয়গুলি আগে ছিল না। আজ থেকে ২০ বছর আগেও ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে এভাবে পড়াশোনা করার ও প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ ছিল না। এখন যে কেউ চাইলে এ বিষয়ে সহজে পড়াশোনা করতে পারছে।


বিবার্তা: খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন দেশে পর্যটনশিল্প নিয়ে যে গবেষণা হচ্ছে, তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে আপনার মতামত কেমন?


মো. আনোয়ার হোসেন: দেশের পর্যটনশিল্প শিক্ষায় যতটা এগিয়েছে, রিসার্চে ততটা এগোয়নি। পর্যটনশিল্প নিয়ে গবেষণার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটা মাস্টার প্ল্যানের জন্য বাজেট করা হয়েছে। বিটিবির মাধ্যমে এটা বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে।



আশা করছি, আগামী দেড় বছরের মধ্যে এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। দেশে প্রতি বছর কতজন রিয়েল ট্যুরিস্ট আসেন, কতজন দেশের বাইরে যান, দেশের মধ্যে কতজন ট্যুরিস্ট ভ্রমণ করছেন এসব তথ্য বাপক, বিটিবি বা অন্যান্য সংগঠনের কাছে নেই।



এছাড়াও দেশে কতগুলি হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর অ্যান্ড ট্রাভেল কোম্পানি, অ্যাজেন্সি, সংশ্লিষ্ট সংগঠন আছে এগুলির সংখ্যা কত, কোন কোম্পানি কি ধরনের সেবা দিচ্ছে, তার মান, ঠিকানা, যোগাযোগের ভা‍র্চুয়ালি কোনো লাইব্রেরি নাই। অনলাইনে কিছু থাকলেও তা বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে। এগুলো একসাথে করতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হলে পর্যটনশিল্পের জন্য একটা সমৃদ্ধ ভা‍র্চুয়ালি লাইব্রেরি হতো। দেশের সব ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য একটা প্লাটফর্মে থাকলে দেশসহ বিশ্বের যে কেউ সহজে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প সম্পর্কে জানতে পারত।



বিবার্তা: আগামীতে পর্যটনশিল্পখাতকে কোথায় দেখতে চান?


মো. আনোয়ার হোসেন: সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা রূপসী বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। আগামীতে পর্যটন শিল্পখাতকে আমি একটা পরিকল্পিত ও ডিজিটাল স্মার্ট সেক্টর হিসেবে চাই। যুগটা তথ্যপ্রযুক্তির। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পটা যেনো আরো পরিকল্পিত, ‍মানসম্পন্ন ও সুন্দর ভাবে গড়ে উঠে। এই সেক্টরে অনেক উদীয়মান উদ্যোক্তা রয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি সম্মিলিত উদ্যোগে যদি কাজ করা যায়, তাহলে পর্যটন শিল্পকে ডিজিটাল সেক্টর হিসেবে গড়ে তুলতে বেশি দিন লাগবে না। মানুষ যাতে নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন এমন একটা সুষ্ঠু, সুন্দর, উপযুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে আমারা সাধ্যমতো কাজ করছি। আশা করছি, সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় এটা সম্ভব হবে।


বিবার্তা/গমেজ/রোমেল/জেএইচ





সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com