এনায়েতউল্লাহ ট্রাস্ট ফান্ড গঠনে উদ্যোক্তাদের বিচার হবে না?
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২২, ১৫:৩১
এনায়েতউল্লাহ ট্রাস্ট ফান্ড গঠনে উদ্যোক্তাদের বিচার হবে না?
শেখ আদনান ফাহাদ
প্রিন্ট অ-অ+

স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু প্রায়শ হতাশা ব্যক্ত করতেন। হতাশার অন্যতম কারণ ছিল এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যমের মিথ্যাচার। হৃদয়বান রাজনীতিবিদ, মানবতাবাদী নেতা আমাদের জাতির পিতার সরকারের প্রত্যেকটি প্রকল্প এবং কাজকে বিতর্কিত করা, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে মানুষের মনে আশার পরিবর্তে হতাশার বিষ ঢুকিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ব্যর্থ প্রমাণ করার কাজ করত এই সংবাদমাধ্যমগুলো। অন্যতম ছিল হলিডে পত্রিকা। হলিডে পত্রিকার সম্পাদক এজেডএম এনায়েতউল্লাহ।


বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর মোশতাক এবং জিয়াউর রহমানের সাথে মিলে যে কজন সাংবাদিক এই নারকীয় অপরাধের বৈধতা প্রদানের চেষ্টা করেছে, বিশ্ববাসীর সামনে এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করেছিল তাদেরই নেতা এই এজেডএম এনায়েতউল্লাহ। এমন একজন হলুদ সাংবাদিক, মিথ্যাচারী, অপ-সাংবাদিককে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে আমদানি করে ট্রাস্ট ফান্ড করে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা কারা করল এবং কিভাবে বাস্তবায়ন করল তার পবিত্র অনুসন্ধানে দরকার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। কারণ এমন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিরোধী।


অর্থনৈতিক উন্নয়নের মহাসমারোহে আজ দেশের প্রশাসকরা হয়ত জাতিগঠনের গুরুদায়িত্ব পালনের কথা ভুলে গেছেন, হয়ত বুদ্ধিবৃত্তিক জিহাদের দরকারকে এড়িয়ে চলছেন। ভুলে যাচ্ছেন যে মিথ্যা এবং গুজবের প্রতিক্রিয়া কতখানি ধ্বংসাত্মক হতে পারে ! মিথ্যার আশ্রয়ে মানুষকে দ্বিধায় ফেলে দেশে ভয়াবহ দুর্যোগ ঘটানো হতে পারে। সরকারের সাথে মানুষের দূরত্ব বাড়িয়ে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের কালো থাবায় বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের নেতৃত্বকে শেষ করে দিতে পারে।


এমন একটি বাস্তবতায় এনায়েতউল্লাহ খানের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাবে, এমন অপমানজনক এবং ধ্বংসাত্মক ভাবনা কাদের মাথায় আসল? কে বা কারা এই কুবুদ্ধি নিয়ে ভিসি মহোদয়ের কাছে গেল এবং প্রোগ্রাম করল? সব বের করার জন্য তদন্ত করা হোক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি তদন্ত কমিটি করুক। আর্থিক দুর্নীতির মতই কিংবা তার চেয়েও বড় দুর্নীতি বুদ্ধিবৃত্তিক এই দুর্নীতি। বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও প্রতিবাদ আসা জরুরী। বিভাগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সব শিক্ষকও প্রতিবাদ করুক। আমরা বাইরের লোক হয়ে যদি প্রতিবাদ করতে পারি, আপনারা কেন ভেতরের হয়ে করবেন না?


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। এই বিভাগকে বারবার কলঙ্কিত করেছে এক শ্রেণির স্বাধীনতা-বিরোধী শিক্ষক। রাজাকারের নামে এই বিভাগে গ্রন্থাগার বানিয়ে রাখা হয়েছিল। আমরা শিক্ষার্থীরা জানতাম না। একটা রাজাকারের নামে প্রতিষ্ঠিত গ্রন্থাগারে আমরা জ্ঞানচর্চা করেছি! ইয়া আল্লাহ! আল্লাহ মাফ করুক! আমাদেরকে জানতে দেয়া হয়নি। দেরীতে হলেও সাবেক উপাচার্য আআমস আরেফিন সিদ্দিক এবং সাবেক বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক মফিজুর রহমানের দায়িত্বকালে বিভাগকে কলঙ্কমুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।


২০১৬ সালের নভেম্বরে স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তির নামে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পাঠাগারের নতুন নামকরণ করা হয়; তখন থেকে শহীদ সাংবাদিক সৈয়দ নাজমুল হকের নামে পরিচিত হয় পাঠাগারটি। মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আতিকুজ্জমান খানের নামে এই গ্রন্থাগার ছিল। বিভাগের একদল আলোকিত শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী আতিকুজ্জামান খানের নাম অপসারণ এবং নতুন নামকরণের দাবিতে ছাত্রছাত্রীদের ‘স্বাক্ষর সংগ্রহ’ করে উপাচার্য এবং বিভাগের চেয়ারপার্সনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলে সব নিয়ম মেনে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়।


রাজাকারের নাম সরিয়ে একজন শহীদের নামে নামকরণ করতে বিভাগের একাডেমিক কমিটি হয়েছে, সিন্ডিকেট হয়েছে। অন্যদিকে একজন স্বাধীনতা বিরোধীর নামে ২০২২ সালে মুজিববর্ষ চলাকালে ট্রাস্ট ফান্ড হল কোনো একাডেমিক কমিটি না করে। শিক্ষকদের অগোচরে, গোপনে। কারণ প্রকাশ্যে করতে গেলেই কেউ না কেউ তো বাধা দিত! এই অপতৎপরতার তদন্ত খুব দরকার। না হলে জাতির পিতার সাথে বেঈমানি হবে, শেখ রাসেলের রক্তের সাথে বেঈমানি হবে। ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ, কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের সন্তানরা তাদের কাজ ঠিকই করে চলেছে।


অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেকেও বেশি সরকার এইসব অপকর্মের বিচার হওয়া। রাজাকারের সন্তানরা কি বিশ্ববিদ্যালয়ে এভাবে অপকর্ম করে বেড়াবে? রাজাকারের তালিকা সরকার প্রকাশ করতে পারল না। সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এই সরকারের। সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ইতিহাস জানেন না সঠিকভাবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা পদক্ষেপ না নিলে এই ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল হত না। শেখ হাসিনার মত নেতৃত্বে কালে কালে আসে না। যুগে যুগেও আসেনা। উনি তো আজীবন থাকবেন না। পরবর্তী নেতৃত্বের জন্য আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশকে ভুগতে হবে বলে আমার মনে যথেষ্ট দুশ্চিন্তা আছে।


তরুণ গবেষক, লেখক রুদ্র সাইফুল এর লেখা থেকে ধার করছি। যদি কোনো অসত্য তথ্য এখানে থাকে তাহলে আশা করি কোনো রাজাকারের সন্তান এসে বাপের পক্ষে প্রতিবাদ জানাবেন। রুদ্র সাইফুল লিখেছেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পটভূমি তৈরির অন্যতম নাটেরগুরু স্বাধীনতাবিরোধী এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, খুনি জিয়ার অবৈধ সামরিক সরকারের মন্ত্রি হিসাবেও জিয়ার সকল অপকর্মের সঙ্গী ছিলো এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ইন্ধনদাতা ছিল এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, দেশের শিক্ষাবিদ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের তথ্য পাকিস্তানি সেনাদের হাতে তুলে দেয় এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, পুরস্কারস্বরূপ জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজির কাছে বিশেষ অর্থ লাভ; পঁচাত্তরে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পটভূমি তৈরির পেছনেও আইএসআই-এর সঙ্গে কাধে কাধ মিলিয়ে কুখ্যাত হলিডে পত্রিকাকে ব্যবহার করে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু। সাপ্তাহিক হলিডে পত্রিকা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর সরকার ও জাতীয় রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার গুজব ছড়িয়ে যায়, সেই সময়ে সিআইএ ও আইএসআই-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে এসব অপকর্ম করেছিলো এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, পরে তাকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে প্রমাণসহ আটক করা হয় এবং সাপ্তাহিক হলিডে নিষিদ্ধ করা হয়।


এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু সিআইএ ও আইএসআই-এর ফান্ডে Civil Liberty and Legal Aid Committee নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলে, এই সংস্থার সমন্বয়কারী হিসেবেও কাজ করে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, সংগঠনটি বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক আটক কুখ্যাত রাজাকার ও আলবদর পরিবারের সদস্যদের আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার মিশন পরিচালিত করে, ১৯৭৪ থেকে পঁচাত্তরের আগস্ট পর্যন্ত চরম মাত্রায় বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে একের পর এক গুজব তৈরি করে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু; ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পূর্বে কয়েক দফায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের সঙ্গেও মিটিং করতে দেখা যায় এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টুকে। এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু ১৯৭৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত খুনি জিয়ার নির্দেশে বাংলাদেশ টাইমসের সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে, পরে ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত খুনি জিয়ার মন্ত্রিসভায় পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু; খুনি জিয়ার সকল অপকর্মের সঙ্গী এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু।


পরবর্তীকালে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু মিয়ানমার, চীন, কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে; খুনি জিয়ার আমলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করে এবং বিশ্ববেহায়া এরশাদের দয়ায় ঢাকা ক্লাবের সভাপতি হিসাবেও ১৯৮৪-১৯৮৫ মেয়াদে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে। ১৯৭৬ সালে তিনি জাতীয় বেঈমান মাওলানা ভাসানী এবং খুনি জিয়ার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ও কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার মিশনে সফল হয় এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু; পরবর্তীকালে বিশ্ববেহায়া এরশাদের ঘেঁটুপুত্রদের মধ্যেও অন্যতম ছিলো এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু। এরশাদের পতনের পর জঙ্গিমাতা খালেদার ঘনিষ্ঠজনে পরিণত হয় এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু, কুখ্যাত প্রধান বিচারপতি মুহম্মদ হাবিবুর রহমানের মাধ্যমে ১৯৯৪ সালে প্রধান যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়া সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নেপথ্য অনুঘটক ছিলো এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু; দেশবিরোধী সকল অপকর্মের সঙ্গে এভাবেই নিজেকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রাখে এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু।


২০০১ সালের কারচুপির নির্বাচনে সিআইএ ও আইএসআই লবিʼর অন্যতম ক্রীড়নক হয়ে ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা রʼকেও দলে টেনে বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিজোটকে ক্ষমতার মসনদে বসানোরও অন্যতম কারিগর এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টু; জঙ্গিমাতা খালেদা ও জঙ্গিরাজ খুনি তারেকের সরাসরি সহযোগিতায় ২০০৩ সালে নিউ এজ পত্রিকার প্রকাশনার সূচনা করে পুনরায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের ডালপালা বিস্তৃত করে। কুখ্যাত স্বাধীনতাবিরোধী এনায়েতউল্লাহ খান মিন্টুর যাবতীয় ষড়যন্ত্র ও অপকর্মের খুব সামান্যই তুলে ধরলাম”। (রুদ্র সাইফুল, ফেসবুকঃ২০২২)


হলিডে পত্রিকার উত্তরাধিকারগণ কিভাবে বাংলাদেশে সক্রিয় আছে তার একটি উদাহরণ দিই। হলিডে পত্রিকার নিয়মিত লেখক অধ্যাপিকা নিয়াজ জামানকে বাংলা একাডেমি পদক দিয়েছিল এই আওয়ামী লীগ সরকারই। নিয়াজ জামানের লেখায় কী ছিল এটা কি আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব জানেন? বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের মতো প্রসঙ্গে এই ব্যক্তি ১৯৯৬ সালের একটি লেখায় বঙ্গবন্ধুকে বলেছেন ভুজঙ্গ ও সাপ: ‘Fearing what might happen if any one of the family were left alive, the Bengali Majors did what the Pakistani’s had not; destroyed the serpent and his eggs- except for two daughters who were out of the country.’ কিভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের আড়ালে কিংবা প্রকাশ্যে স্বাধীনতা-বিরোধীরা এইদেশে বেঁচে থাকে এবং তাদেরকে পুরস্কার দেয়া হয়! বর্তমান আওয়ামী লীগ কি অতীত ভুলে গেছে? ক্যাম্পাসে বলা হচ্ছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতা নাকি এনায়েত উল্লাহর নামে ট্রাস্ট ফান্ড করতে ভিসি মহোদয়কে তদবির করেছেন!!এই খবর মিথ্যা হোক, আমি এটা চাই। কিন্তু সত্য হলে? আমি চাই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজের এর তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ দিন।


কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালরাত্রিতে সব হারিয়েছেন তিনি। সন্তানসম ছোটভাই শেখ রাসেলকে পর্যন্ত বাঁচতে দেয়নি খুনিরা। সেই খুনিদের বুদ্ধিপিতা এনায়েতউল্লাহ খানদের যারা এইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মত প্রতিষ্ঠানে পুনর্বাসিত করে তাদের বিচার করা উচিত না? এই ঘটনার তদন্ত করে হোতাদের উপযুক্ত শাস্তি বিধানের দায়িত্ব এই বিশ্ববিদ্যালয়ের, ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। ভিসি মহোদয় মুখে বলেছেন ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল হয়েছে। দ্রুত লিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রেস রিলিজ দিয়ে বাতিল ঘোষণা করা হোক এই ট্রাস্ট ফান্ড। ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের নিউজ এসেছে দেশের বড় বড় পত্রিকায়। এখন লিখিতভাবে বাতিল করলেই বরং সঠিক সিদ্ধান্ত হবে। আর ট্রাস্ট ফান্ড গঠনে যারা উদ্যোগ নিয়েছে তাদের উপযুক্ত বিচারও নিশ্চিত করতে হবে।


লেখকঃ শেখ আদনান ফাহাদ, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com