ষড়যন্ত্রের আগস্ট ও শোককথা
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২১, ১৬:১৭
ষড়যন্ত্রের আগস্ট ও শোককথা
ড. আ স ম মঞ্জুর আল হোসেন
প্রিন্ট অ-অ+

আগস্ট সামনে এলেই অসংখ্য বিবেকবান মানুষের ন্যায় আমার মধ্যেও একধরনের অস্থিরতা কাজ করে। ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। ২০০৪ সালে ২১ শে আগস্ট গণতন্ত্রের মানসকন্যা, তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়।কাকতলীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন প্রাণে বেচে গেলেও তৎকালিন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জনের মৃত্যু হয় ও অসংখ্য নেতাকর্মী স্প্রিন্টারের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়।


এছাড়া ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ব্যানারে জঙ্গীরা সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা চালায়। ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা, ২০০৪ সালে ২১শে আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালে ১৭ ই আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা সবই একই সূত্রে গাথা। উদ্দেশ্যে একটাই এদেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক চর্চাকে গলাচেপে হত্যা করা। তাই আগষ্ট আসলেই মনের গহিনে এক অজানা আতংক ভর করে।


বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবকে নিয়ে লিখতে গেলে মনের মধ্যে সংশয় কাজ করে। কেননা তাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিশেষণে বিশেষায়িত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, ভাষা আন্দোলন প্রতিটি শব্দে মিশে আছে বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস। ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পাশাপাশি তার সহধর্মিনী মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বড় পুত্র শেখ কামাল ও তার সহধর্মিনী সুলতানা কামাল, দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামাল ও তার সহধর্মিনী রোজী জামাল, এগারো বছরের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল, ভ্রাতা শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাদ, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি ও তার স্ত্রী আরজু মনি, কর্নেল জামিল সহ পরিবারের ১৬ জন সদস্যকে একে একে হত্যা করে।


ঘাতকরা শুধু হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হননি, কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইন করে এই নারকীয় হত্যা কান্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিল। ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট এই হত্যা কান্ডের সময় শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা দেশের বাহিরে থাকায় ভাগ্যক্রমে বেচে যান।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নিথরদেহ খুনিদের পাহারায় ধানমন্ডি’র ৩২ নং বাড়িতে রেখে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথগ্রহন করেন ইতিহাসের মিরজাফর খ্যাত খন্দকার মোশতাক। তার মন্ত্রী সভায় যোগ দেয় আওয়ামীলীগের অনেক ভীরু কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক নেতা। তৎকালিন অবৈধ অসাংবিদানিক মোশতাক সরকার খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকুরী দিয়ে পুরষ্কৃত করেন।


বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনিরা রেডিও টেলিভিশন ও অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সেই সময়ে সারাদেশে খুনিরা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের উপর একদিকে যেমন অবর্ণনীয় জুলুম নির্যাতন চালায়, অন্যদিকে প্রচার করতে থাকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় তার জনপ্রিয়তা ছিল শূন্যের কোটায়। এসব কিছুর উদ্দেশ্যে ছিল একটাই সেটা হলো এই হত্যা কান্ড নিয়ে কেউযেন কোন প্রতিবাদ না করতে পারে।


খুনিরা নিশ্চিত ছিল হ্যামিল্টনের বাঁশিওয়ালাকে পৃথিবীর কোন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি সেখানে তার ডাক এদেশে জনগণ উপেক্ষা করতে পারবে না। তাইতো ঢাকাতে তার নামাজের জানাযাও করতে দেয়া হয়নি। এ ছাড়াও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ভয়-ভীতি ও লোভ দিয়ে দলে টেনে দলের মধ্যে অবিশ্বাস দ্বন্দ তৈরি করেছিল এবং তাদের দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বৈরাচারী প্রমাণ করার একটা চেষ্টাও চালিয়েছিল তৎকালিন খুনি ও তাদের দোসররা। সেই সময়ে অবৈধ খুনি সরকারের ডাকে সারা না দেয়ায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জীবন দিতে হয়ছিল জাতীয় চারনেতাকে। কারাগারে জাতীয় নেতৃবৃন্দের হত্যাকান্ডের কথা চিন্তা করলে এখনও গা শিউরে উঠে।


রাজনীতি পরিক্রমায় ১৯৮১ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি ঘোষণা করা হয় এবং ঐ বছরের ১৭ই মে প্রায় ৬ বছরের নির্বাসিত প্রবাস জীবন কাঠিয়ে দেশে ফেরেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আপা (জননেত্রী শেখ হাসিনা) দেশে ফিরে দল পুনর্গঠনের কাজে কঠোর পরিশ্রম করতে থাকে।


বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের ২১ বছর পর আওয়ামীলীগ ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ক্ষমতায় এসেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনকে প্রভাবিত করেননি। চাইলেই তিনি পারতেন যেনতেন বিচারের মাধ্যমে তার বাবার খুনিকে শাস্তি দিতে। তিনি তা না করে নিয়মতান্ত্রিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারকার্য পরিচালনা করেন। কিন্তু দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের বলি হয়ে আওয়ামীলীগকে ২০০১ সালে ক্ষমতার বাইরে যেতে হয়।


ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার আবারও বাধাগ্রস্থ হয় এবং জাতির কলঙ্কের বোঝা দীর্ঘ হতে থাকে। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরার পর থেকেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি প্রধান টার্গেট ছিলেন। কেননা বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত খুনিরা ও তাদের রাজনৈতিক দসররা জানতেন বঙ্গবন্ধুর রক্তের ধারা তার কন্যার মধ্যে বিদ্যমান। তাই তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন না তখন থেকে তাকে হত্যার নানা ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় বলে একটি দেশের জনপ্রিয় কোনো শীর্ষ নেতাকে হত্যা করা আকস্মিকভাবে সম্ভব নয়, হত্যা করতে প্রয়োজন পরিকল্পনা ও যথাপোযুক্ত পরিবেশ।


এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জনপ্রিয় স্থানে বোমা গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রতিক্রিয়া কেমন তাও পরীক্ষা চলতে থাকে। অবশেষে ঘাতকরা ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট এ সুপরিকল্পিতভাবে শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালায়। নেত্রী সেদিন ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেচে যান কিন্তু সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন নেতাকর্মী প্রান হারান। এই হত্যা কান্ডের পর থেকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে মামলার আলামতসহ অনেক প্রমাণাধি নষ্ট করে ফেলা হয়। ২১ শে আগস্ট শেখ হাসিনা হত্যা চেষ্টা নীল নকশা সফল না হওয়ায় স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে থাকে।


এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালের ১৭ই আগস্ট জঙ্গীরা একযোগে ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালায়। উদ্দেশ্যে একটাই দেশে স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির অবস্থান জানান দেয়া। ২০০৫ সালে কয়েকটি স্থানে বোমা মেরে জঙ্গিরা বিচারক ও আইনজীবিসহ ৩০ জনকে হত্যা করে। এইসব হত্যাকান্ডের উদ্দেশ্যে ছিল বিচার বিভাগকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিচারাধীন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করা।


অবশেষে ২০০৯ সালে জনগনের রায় নিয়ে পুনরায় আওয়ামীলীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করে এবং নিয়মতান্ত্রিক বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ফাসিঁর রায় কার্যকর করা হয়। এই রায় বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়। এছাড়া ২০০৪ সালে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা রায়ও প্রকাশ হয় ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে। সেই মামলায় তৎকালিন জোট সরকারের দুইজন প্রতিমন্ত্রীসহ ১৯ জন আসামী ফাসির আদেশ হয় এবং তারেক রহমানসহ আরো ১৯ জন আসামী যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হন।


জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসীন হলেও ষড়যন্ত্রকারীদের কোনোভাবেই দমন করা যাচ্ছিল না। উল্টো বিডিআর বিদ্রোহের মত ঘটনা ঘটিয়ে সরকার পতনের চেষ্টা চালানো হয়। উদ্দেশ্যে ছিল যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার বাধাগ্রস্থ করা। কিন্তু শেখ হাসিনার বিচক্ষন নেতৃত্বে কাছে কোনো ষড়যন্ত্র ধোপে টিকেনি। তার সরকারের নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ন্যায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য ও সম্পন্ন হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারিক কার্য সম্পন্ন হলেও বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে দেশি বিদেশী নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে।হয়তো ভবিষ্যতে ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা এই কালো অধ্যায়কে সামনে নিয়ে আসবে এবং জাতির সামনে এদের মুখোশ উন্মোচন করবেন।


আওয়ামীলীগ সরকারের গত ১৩ টি বছরের বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। দেশের অর্থনীতি এই সময়ে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশ নিম্নমধ্যম আয়ের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। দেশের মাথাপিছু আয় ও বৈদেশ্যিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশে মেগাপ্রকল্প সমূহঃ পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল এই সরকারের সময়ে বাস্তবায়নের পথে। এই সবই সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিচক্ষনতায়।


সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ ও কোভিড মহামারীর দুর্যোগ পার করছে।এই সময়েও জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিচক্ষনতার সাথে কোভিড মোকাবেলা করছে। করোনার টিকা যেখানে অনেক উন্নত দেশ এখন ও সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে সরকারের দক্ষ পররাষ্ট্র নীতির ফলে টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে এবং দেশে গনটিকা কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা চলছে।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের সফলতাকে ধরে রাখতে হলে দল হিসেবে আওয়ামীলীগকে সাংগঠনিক ভাবে আরো শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে আদর্শচ্যূত কিছু কাউয়া দলে প্রবেশ করেছে ও সাংগঠনিক পদ-পদবি দখল করেছেন। ফলে কেন্দ্র ও তৃনমূলে দলের পোড়খাওয়া নেতাদের সাথে এই হাইব্রিড কাউয়াদের দ্বন্দ শুরু হয়েছে। এই কাউয়ার দল দলীয় পদ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চারপাশে ভর করেছে এবং তাদের কর্মকান্ড সরকারের ভাবমূর্তিকে প্রায়সই প্রশ্নবিদ্ধ করছে।


আগস্ট এলেই এই হাইব্রিড কাউয়ালীগদের জন্য মনের মধ্যে একটা ভয় বা আতঙ্ক কাজ করে। এর কারন ও ১৫ই আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকতে বিশ্বাস করতে পারেননি যে বাঙ্গালীরা তাকে মেরে ফেলতে পারে। ১৫ই আগস্টের ষড়যন্ত্র সফল হয়েছিল দলের কিছু বিশ্বাসঘাতক নেতার কারণে। তাই সময় থাকতে আওয়ামীলীগকে আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তৃণমূল ও কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা এখনো উপেক্ষীত।হাইব্রিড কাউয়াদের দৌরাত্মে তারা অনেকটাই নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে যেটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়।দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে সংকট ঘনীভূত হওয়ার পূর্বে এই নীতিভ্রষ্ট নেতাদের দমন করে দলের ঐক্য ও সংহতি আরো জোরদার করবেন এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিবেন এটাই হোক আগস্টের কামনা।


লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


বিবার্তা/আবদাল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com