বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার: শেখ হাসিনা
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪১
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার: শেখ হাসিনা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মো. মফিজুল হক সরকার
প্রিন্ট অ-অ+

'আমি কী চাই? আমি চাই, বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাক। আমি কী চাই? আমার বাংলার বেকার কাজ পাক। আমি কী চাই? আমার বাংলার মানুষ সুখী হোক। আমি কী চাই? আমার বাংলার মানুষ হেসেখেলে বেড়াক। আমি কী চাই? আমার সোনার বাংলার মানুষ আবার প্রাণ ভরে হাসুক।' সমৃদ্ধ অর্থনীতির স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে সুখী মানুষের বৈষম্যহীন সহাবস্থান এমনই স্বপ্ন ছিল— বাংলাদেশ নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। তাঁরই অমর বাণী— 'আমার মাথা কিনতে পারে, পৃথিবীতে এমন শক্তি কারুর নেই। চিরদুঃখিনী বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে, শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সোনার বাংলা গড়তে গিয়ে আমাকেও হয়তো আন্দোলনের ভাগ্য বরণ করতে হবে, মরতে হবে প্রতিক্রিয়াশীল আর ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে। কিন্তু আমি নতি স্বীকার করব না।


নতি স্বীকার কোনোদিন করেননি তিনি। করেননি অন্যায়ের সাথে আপস। বীরত্বের মহান দৃষ্টান্ত— আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার চেয়েও বড়ো তিনি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা। শুধু স্বাধীন বাংলাদেশ নয়— এই দেশ ও দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক চেতনা ও জাতীয়তাবোধ এবং বিশ্বায়নে শক্তিশালী অর্থনীতির বাংলাদেশ এই ধারণার সাথেও পরিচয় করিয়েছেন বঙ্গবন্ধু।


কিন্তু, হায়! যার চোখে ছিল সোনার বাংলার স্বপ্ন, তার চোখ মুদিত হওয়ার সাথে সাথে বাংলায় নামে ঘোর অন্ধকার। শত্রুর গুলিতে তাঁর দেহ ঝাঝরা হওয়ার সাথে সাথে বাংলার প্রাণও বধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে শহিদ হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিন্তু পৃথিবীতে থেকে যায় তাঁর দুই নয়নের মণি শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। নেপথ্যে থেকে শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্নের জাগানিয়া শক্তি। আর সম্মুখ সমরে বুক চিতিয়ে লড়াকু জননেত্রী শেখ হাসিনা— বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার।



১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মাধ্যমে শেষ হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ, প্রকৃতপক্ষে সেদিন শুরু হয় শেখ মুজিবুর রহমান তথা বাংলাদেশের সত্যিকারের যুদ্ধ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত বাংলাকে একেবারে ঢেলে সাজানো।



স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশকে গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু সময় পেয়েছেন মাত্র সাড়ে তিন বছর। পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন এবং উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে অধিকাংশ অর্থ ও সময়। এ সময়ের মধ্যে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও ভৈরব সেতুসহ ৫৬৭টি সেতু নির্মাণ ও মেরামত, ৭টি নতুন ফেরি, ১৮৫১টি ওয়াগন ও যাত্রীবাহী বগি, ৪৬০টি বাস, ৬০৫টি নৌযান ও ৩টি পুরোনো বিমান বন্দর চালু করে অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া মাইন উদ্ধার ও সংস্কার করে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর চালু করা হয়। পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত ব্যাংক, বীমা, ৫৮০টি শিল্প ইউনিট জাতীয়করণ ও উৎপাদনক্ষম করে লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।


ভারত থেকে ফেরা ১ কোটি লোকের পুনর্বাসন ও দেশের অভ্যন্তরে ৩ কোটি ছিন্নমূল মানুষের খাদ্যসংস্থান, ৩ মাসের মধ্যে ভারতীয় সৈন্য ফেরত পাঠানো, মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে অস্ত্র ফিরিয়ে নেওয়া, মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লাখ শহিদ পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের দায়িত্ব গ্রহণ, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন, প্রাথমিক শিক্ষকদের সরকারি কর্মচারীর মর্যাদা প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গণতান্ত্রিক অধ্যাদেশ প্রণয়ন, ড. কুদরত-ই-খুদা কমিশন গঠন, জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে ও সরকারি কর্মকাণ্ডে বাংলা ভাষাপ্রচলন, ১১ হাজার নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনসহ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ পুনঃনির্মাণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, প্রতি থানা ও ইউনিয়নে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও হাসপাতাল নির্মাণ এবং অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীদের স্থায়ী চাকুরের মর্যাদাদান, জাতীয় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীকে জাতীয় মর্যাদায় পুনর্গঠন, কুমিল্লায় দেশের প্রথম সামরিক একাডেমি স্থাপন, পুলিশ বিডিআর, আনসার ও বেসামরিক প্রশাসনের অবকাঠামো গড়ে তোলা, পাকিস্তানে আটক ৪ লাখ বাঙালিকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসিত করা, কয়েক লাখ পাকিস্তানিকে ফেরত পাঠানো, বাঙালি জাতি ও ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি এবং জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর প্রথম বাংলায় ভাষণ দান, জাতিসংঘের সদস্যপদ ও দুই শতাধিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায়, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি এবং ফারাক্কার পানি বন্টন চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৪হাজার কিউসেক পানির ব্যবস্থা- এসব বঙ্গবন্ধু শাসনামলের সাফল্য।


নিশ্চয়ই মনে প্রশ্নের উদয় হচ্ছে, এই বিবরণ কেন দিলাম। উত্তর খুবই সোজা। সদ্য স্বাধীন একটি দেশ অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ থাকে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম ছিল না। সুযোগ ছিল সীমিত কিন্তু সীমাবদ্ধতা ছিল অসংখ্য। অথচ দেখুন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলের কোন সেক্টরে কাজ করা বাদ রেখেছিলেন তিনি? রাতারাতি আর কী উন্নয়ন হতে পারত এই দেশে? রাতারাতি উন্নয়ন হয়? প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না। কারণ বঙ্গবন্ধুকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছিল, তাকে দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হয়নি, তার আগেই হত্যা করা হয় তাকে। শোষণহীন সমাজ গড়তে চাইতেন বঙ্গবন্ধু, তাই তাকেই চক্রান্তের রোষানলে পড়তে হয়। মূর্খের দল তার শাসনব্যবস্থাকে উপলব্ধিও করতে পারেনি। তাই, ১৫ আগস্টের মতো কলঙ্কজনক দিন আজীবন বয়ে বেড়াতে হয় আমাদের!



পাকিস্তানপন্থিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে ১৯৭১ সালের সামরিক ও রাজনৈতিক পরাজয় এবং ১৯৭২-এর আদর্শিক পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা না করে '৭২-এর সংবিধান থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা মুছে ফেলা যেত না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও বন্ধ করা যেত না।



অবশ্য '৭২-এর সংবিধান নিয়েও অনেকেরই সমস্যা। কেউ কেউ মত দিয়ে থাকেন বাকশাল না করলে বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হতো না। সত্যিই হাস্যকর। বাকশাল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত কোনো লাভ হতো কি! বাকশালের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করাই তো উদ্দেশ্য ছিল জাতির পিতার। তা তো স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালিপ্সুদের ভালো লাগার কথা নয়! বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে যে দেশ দ্রুত যুগান্তকারী উন্নয়নের দিকে হাঁটছিল সেই দেশকে এক লহমায় পিছিয়ে দেওয়া হলো ১০০ বছর! বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অকাল প্রয়াণে বাংলাদেশ নিমজ্জিত হয়েছে অন্ধকারের অতল গহবরে।



কিন্তু, মুজিব তো কখনো মরেন না, মরে না তার আদর্শ, মরে না তার স্বপ্ন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের একমাত্র অনন্য অধ্যায়। তিনি বাঙালি জাতিসত্তার প্রতীক। তাঁর মতার্দশই সার্বভৌম বাংলাদেশের শেষ কথা, তাঁর স্বপ্নই সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে বাঁচার একমাত্র পথ। তার মুখেরই ভাষ্য...



'বিপ্লবের পর বিপ্লবকে বাধা দিয়েছে যারা, শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতা করেছে যারা, দেশের মানুষকে হত্যা করেছে যারা, তাদের কোনো দেশ কোনো যুগে ক্ষমা করে নাই। কিন্তু আমরা করেছিলাম, সবাইকে ক্ষমা করেছিলাম। বলেছিলাম দেশকে ভালোবাসো, দেশের জন্য কাজ করো, স্বাধীনতাকে গ্রহণ করে নাও। কিন্তু অনেকের পরিবর্তন হয় নাই। আমরা চেয়েছি একটি শোষণমুক্ত সমাজ, আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র, আমরা চেয়েছিলাম এদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য।'


যা চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান— যে স্বপ্ন নিয়ে জীবনের সুবর্ণ সময় কাটিয়েছেন শাসকের অত্যাচারে-বন্দিত্বে, সংগ্রাম আন্দোলনের ময়দানে সীমাহীন দুর্ভোগ মাথা পেতে নিয়েছেন শুধু বাংলাদেশ ও বাঙালির নিজস্ব পরিচয়, নিজস্ব ভূখণ্ড, শক্তিশালী রাজনীতি-অর্থনীতি-সমরনীতি-পররাষ্ট্রনীতির জন্য— তার সে স্বপ্ন বৃথা যায়নি, নিস্ফল হয়নি। বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে পিতার মতোই শক্তিমত্তা নিয়ে আবির্ভূত হন শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। নবগঠিত বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধু যে আদর্শ, পরিকল্পনা ও স্বপ্নের ওপর দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন, তা স্বাধীনতাবিরোধী ও একাত্তরের পরাজিত শক্তির কারণে বঙ্গবন্ধু সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। জাতির পিতার অবর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির কাণ্ডারি হিসাবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


২০০৯ সালে জনগণের নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। টানা তিন মেয়াদের দেশ পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়নের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। উন্নতসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিয়েছেন বেশ কিছু মেগা প্রকল্প। কিছু কিছু প্রকল্পের সুফল জনগণ এরই মধ্যে ভোগ করতে শুরু করেছে। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পর বাংলাদেশ আরো বদলে যাবে। তখনই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উন্নতসমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন অপ্রতিরোধ্য গতিতে রূপকল্প ২০৪১ অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়।


শেখ হাসিনার স্পর্ধিত উচ্চারণ শুনলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে বাংলাদেশকে তিনি কোথায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে পথ চলছেন, ‘আজ সেই সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব এসেছে। এ দায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের একার হতে পারে না। এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা সবাই মিলে যেমন এক ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার আরেক সংগ্রামে আবার আমরা একসাথে নিঃশ্বাস নেব, এক প্রত্যয়কে অবলম্বন করব, এক লক্ষ্যে হব পথের সাথী।’



শুধু কথায় নয়, কাজেও তিনি অটল-অবিচল-প্রত্যয়ী।



তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের অবসান ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, বাঙালি পেয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে ফুটেছে হাসি। আজ খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণ বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করত সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। কারণ একটাই, পিতার মতোই কন্যা সোনার বাংলার স্বপ্ন বুকে নিয়ে বলেন,


‘আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে, তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়।’


লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মো. মফিজুল হক সরকার


(বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার: শেখ হাসিনা গ্রন্থথেকে)


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com