সাক্ষাতকার
'বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু তাঁর আদর্শকে কি মেরে ফেলতে পেরেছে? কোনদিন সম্ভবও নয়।'
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২২, ০০:০৩
'বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু তাঁর আদর্শকে কি মেরে ফেলতে পেরেছে? কোনদিন সম্ভবও নয়।'
হাবিবুর রহমান রোমেল ও মহিউদ্দিন রাসেল
প্রিন্ট অ-অ+

মেজর (অব.) এটিএম হামিদুল হোসেন তারেক, বীরবিক্রম। জন্ম বগুড়া জেলার রজাকপুর গ্রামে। পিতা মরহুম আব্দুল হামিদ (ডেপুটি সুপার অব পুলিশ)। তারেক ছিলেন বগুড়া জেলা স্কুলের ছাত্র। ১৯৭১ সালে ছাত্রাবস্থায় তিনি ৭নং সেক্টরের একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অকুতোভয় অসীম সাহসী একজন যোদ্ধা হিসেবে বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি মাত্র ১৯ বছর বয়সে ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত হন। বগুড়া জেলায় তিনিই একমাত্র ‘বীর বিক্রম’ পদকে ভূষিত ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা।


সম্প্রতি জাতির এই বীর সন্তান বিবার্তা২৪ডটনেটের সাথে একান্ত আলাপে মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর আলাপে মহান মুক্তিযুদ্ধের নানাদিকসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াবহ দুঃস্মৃতির কথা উঠে এসেছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবার্তার বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান রোমেল ও প্রতিবেদক মহিউদ্দিন রাসেল।



বিবার্তা: ১৫ আগস্ট প্রতিবছর ফিরে ফিরে আসে বাঙালির শোকাবহ দিন হিসেবে। কেমন অনুভব করেন সেই বিভীষিকাময় দুঃসহ রাতের কথা মনে হলে?


বীরবিক্রম হামিদুল হোসেন তারেক:১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সময় আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ছিলাম। আমার পোস্টিং ছিল কুমিল্লায়। সেই দিন রাতে যে এইরকম নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটা আমরা জানতাম না। কতিপয় বিপদগামী সেনা সদস্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এটার বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এর সাথে বিদেশি শক্তিও জড়িত ছিল। পরবর্তীকালে এটা বেরিয়ে এসেছে। ঘটনার দিন সকালবেলা এক অফিসার আমার দরজা ধাক্কা দিয়ে বলে, এই তারেক, বেরিয়ে আয়। বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলা হয়েছে।


আমি প্রথমেই বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। সে আমাকে বললো, মেজর ডালিমের ভাষণ শোন। আমি সাথে সাথে রেডিও অন করলাম, আর তখন শুনতে পেলাম ডালিম ভাষণ দিচ্ছে। আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম। তখন বিগ্রেডিয়ার মশরুল হক আমাদের ডাকলেন। আমাদের বলা হলো, আমরা কী করবো, না করবো? বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতাকে এভাবে মারার ঘটনায় আমরা সবাই বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম।আরেকটা কথা বলি,অনেক সময় অনেকে এই বিষয়ে সেনাবাহিনীকে নিয়ে নানান কথা বলে। সেনাবাহিনী এই বিষয়ে ঘুণাক্ষরেও জানত না। তবে বিপদগামী কিছু সেনা সদস্য এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আর তাদের মদদকারী ছিল বিদেশি এজেন্ট।



বঙ্গবন্ধুর এক ডাকে আমাদের দেশের জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশকে স্বাধীন করল। কিন্তু এদেশের শত্রুরা, স্বার্থন্বেষী মহল এটাকে মেনে নিতে পারেনি। আরেকটা বিষয়, একটা দেশে যখন সেনাবাহিনী পরাজিত হয়ে যায়, তখন তারা দেশের ভিতরে আরেকটা বাহিনী গঠন করতে চায়। মিলিটারি ভাষায় এই বাহিনীকে বলা হয় ফোর্থ কলামিস্ট। আর এদের কাজই হচ্ছে, দেশের ‍দুটো ক্যাপিটাল অর্থাৎ নলেজ ক্যাপিটাল আর ইকোনমিক ক্যাপিটালকে ধ্বংস করা। আর এভাবেই তারা নিজেদের বাহিনীকে গড়ে তোলে। যেমন বলা যায়, নলেজ ক্যাপিটালের আওতায় দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে দেশের অর্থনীতিকেও ভেঙে ফেলা হয়। এখনও এ ষড়যন্ত্র থেমে নেই।



কিন্তু এসবের পরেও বঙ্গবন্ধু এদেশকে এমন ভাবে গড়ে তুলেছিল যে, একবার আন্তর্জাতিকভাবেও কমেন্ট করা হয়েছিল যে, বঙ্গবন্ধু ইজ গোয়িং টু মেইক বাংলাদেশ এন ইসরাঈল। অর্থাৎ বোঝানো হয়েছে যে, ইসরাঈল এমন একটা দেশ যারা সমগ্র আরব বিশ্বকে ডোমিনেট করতে পারে। একইভাবে বাংলাদেশও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দক্ষিণ এশিয়ায় এমন পর্যায়ে যাবে, তখন অন্যান্য দেশগুলোকে ডোমিনেট করবে। আর এ বিষয়টা যখন কোনো নেতার মুখ থেকে আসে তখন ষড়যন্ত্র তো বোঝাই যায়। আর এরাই বিপদগামী সেনা সদস্যদের হাত করে নারকীয় এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।


বিবার্তা: বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার মধ্য দিয়ে দেশদ্রোহীরা বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিয়ে বাংলাকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। কিন্তু জাতির পিতার কন্যা দীর্ঘ ২১ বছর পর হাল ধরে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার বিনির্মাণের পথেই হাঁটছেন। আপনার মতামত জানতে চাই?


বীরবিক্রম হামিদুল হোসেন তারেক:বঙ্গবন্ধুকন্যাই সর্বপ্রথম আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিয়েছেন, সার্টিফিকেট দিয়েছেন। সত্যি কথা বলতে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। একমাত্র বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে মুক্তিযোদ্ধারা নানা ধরণের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।


আজকে মুক্তিযোদ্ধারা ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। আমাদের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের রেশনসহ আরো নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এমনকি আমাদের দেয়া হয়েছে ভিআইপি স্মার্ট কার্ডও। এর মাধ্যমে আমরা যেকোন জায়গায় ভিআইপি সুবিধা পাচ্ছি। দেশের রেল, বিমানের টিকিট আমাদের জন্য ফ্রি। বছরে একবার পৃথিবীর যে-কোনোদেশে আমরা ফ্রি যেতে পারি। হজ্জ এবং ওমরাও আমাদের জন্য ফ্রি। এছাড়া এই কার্ড দেখানোর সাথে সাথে আমাদের জন্য রয়েছে নানা ধরণের ভিআইপি সুবিধা। এই যে, বঙ্গবন্ধু কন্যা মুক্তিযোদ্ধাদের এত বড় মর্যাদা দিয়েছেন, এটা অনস্বীকার্য। এখনো তিনি করে যাচ্ছেন। যেটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বঙ্গবন্ধু করার কথা ছিল, আজকে তাঁর অবর্তমানে তাঁর কন্যা সেসব করে যাচ্ছেন।


বিবার্তা: ১৫ আগস্টের হীন হত্যাকাণ্ড ঘটলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা এই বাংলাদেশে সবসময় অমর ও অবিনশ্বর থাকবে, আপনি কী মনে করেন?


বীরবিক্রম হামিদুল হাসান তারেক:



দেখুন, একজন মানুষকে আপনি হত্যা করতে পারেন, কিন্তু তার আদর্শকে কি হত্যা করতে পারেন? একজন মানুষকে আপনি গুলি করে মেরে ফেলতে পারেন। কিন্তু তার আদর্শকে কি গুলি করে মারা যায়?



ঠিক তেমনিভাবে, বঙ্গবন্ধু এমনি একজন। তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁর আদর্শকে কি মেরে ফেলতে পেরেছে? পারেনি, আর কোনদিন সম্ভবও নয়। তাঁর আদর্শ এ দেশের মাটির প্রতিটি ধূলিকণা এবং প্রতিটি ধানের শীষের মধ্যে প্রোথিত আছে। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু। এটা অস্বীকার্য। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কারণে। এটা যদি কেউ অস্বীকার করে তাহলে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে অস্বীকার করা হবে।



বিবার্তা: বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশি এবং আন্তর্জাতিক চক্র যুক্ত ছিল। এই নিকৃষ্টতম হত্যাকাণ্ডে কাকে আপনার মাস্টারমাইন্ড মনে হয়?


বীরবিক্রম হামিদুল হাসান তারেক:একটা জিনিস দেখেন, এই পৃথিবীতে দুটো মহাশক্তির বলয়। এর মধ্যে একটা আমেরিকা। যে দেশ সম্পর্কে বলা যায়, আমেরিকা ইজ দ্যা পুলিশম্যন অব দ্যা হোল ওয়ার্ল্ড। বর্তমানে আমেরিকার ৮৬ মিলিটারি ব্যাচ সারা পৃথিবীতে। একেকটা ব্যাচের রণতরীতে ১৪০০/১৫০০ করে ফাইটার থাকে। কত বড় একটা মহাশক্তি। আমেরিকার সিআইএ, রাশিয়ার কেজিবি, ইসরায়েলের মোসাদ, ইন্ডিয়ার র’, পাকিস্তানের আইএসএস, এরা কিন্তু অনেক গভীরে পরিকল্পনা করে। ১৫/২০ বছর প্ল্যান করে এরা অগ্রসর হয়।


যেমন, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে ২০ বছর প্ল্যান করে দখল করে। সেখানে কিন্তু আমেরিকার সিআইএ কাউন্টার দিয়েছে। আমরা সবাই কর্নেল ফারুককে চিনি। ‍যিনি এ হত্যাকাণ্ডের হোতা। পাকিস্তান আমলে তিনি একবার ক্যাপ্টেন থাকাকালে প্রশিক্ষণের জন্য লিবিয়া গিয়েছিলেন।পরবর্তীতে তিনি দেশে আসেন এবং মেজর হন। এর কিছুদিন পর তিনি আবার মিশর ও লিবিয়া যান। তখন আরব–ইসরায়ের যুদ্ধ চলছিল।



এদিকে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের সাথে বঙ্গবন্ধুর খুব খাতির ছিল। একবার বঙ্গবন্ধু আনোয়ার সাদাতকে বললেন যে, আমার দেশ তো গরীব ও যুদ্ধবিধ্বস্ত। কাজেই আমি আপনাকে অস্ত্র, অর্থ কিছুই দিতে পারবো না। তবে আমি আপনাকে আমার দেশের চা পাঠাবো। ঐ সময় বঙ্গবন্ধু তার জন্য চা পাঠালেন। তখন আনেয়ার সাদাত বললেন, আপনি তো আমাকে চা দিলেন আমি আপনাকে কী দিবো? যাইহোক, যুদ্ধ শেষে আমার অনেক ট্যাংক আছে তন্মধ্য থেকে ২৯টি আপনি নিয়ে যান। বাংলাদেশে ট্যাংক রেজিমেন্টের এই ট্যাংকগুলো সেই কর্নেল ফারুক নিয়ে আসলেন। ভাগ্যের কি বিড়ম্বনা, ওই ট্যাংকগুলো দিয়ে কর্নেল ফারুক এই হত্যাকাণ্ডটা ঘটিয়েছিলো। এখন যদি আপনি রিলেট করতে চান, তাহলে এই বিষয়টি রিলেট করতে পারবেন।



বিবার্তা: আপনার চোখে বঙ্গবন্ধু- জানতে চাই আপনার মুখ থেকেই।


বীরবিক্রম হামিদুল হাসান তারেক:বঙ্গবন্ধুকে সামনাসামনি আমি দেখেছি। তার স্পর্শ আমার শরীরে আছে। উনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন সেই বিষয়ে একটি বিষয় উল্লেখ করে আমি তাঁর ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে চাই। ১৯৮৫ সাল থেকে আমি লেখালেখি শুরু করেছি। পিএসসি করার জন্য বাংলাদেশ থেকে আমি প্রথম হই ৷ তখন পাকিস্তান থেকে স্কলারশিপ অফার আসে আমার জন্য। কুয়েট স্টাফ কলেজে আমি গেলাম। পাকিস্তানে যাওয়ার পর সেখানকার অথরিটিকে জানালাম, আমি একজন লেখক। এখানে অনেকের ইন্টারভিউ নিতে চাই ৷



স্বাধীনতার সময় যারা বাংলাদেশে ছিল, তাদেরই একজন মেজর যিনি বঙ্গবন্ধুকে এরেস্ট করেছিলেন- এমন একজন পাকিস্তানি কমান্ডোর ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে এপ্রোচ করলাম। তখন তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। সেই কমান্ডোকে জিজ্ঞেস করলাম, 'আপনি যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোড থেকে বঙ্গবন্ধুকে ধরেছিলেন, তখন আপনার অনুভূতিটা কেমন ছিল?



তখন তিনি বললেন, আমাকে অর্ডার দেয়া হলো বঙ্গবন্ধুকে ধরে আনার জন্য কিন্তু হত্যা করতে বারণ করা হয়েছিলো। নির্দেশনা অনুযায়ী, ফোর্স নিয়ে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘেরাও করলাম। তিনজন কমান্ডো নিয়ে বাড়িতে ঢুকলাম। বঙ্গবন্ধুকে আমরা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে দেখি। তাকে দেখে আমার কখনও মনে হয়নি তিনি একজন রাজনৈতিক নেতা। বঙ্গবন্ধুর অবয়ব দেখে মনে হলো, তিনি খুবই সাধারণ একজন মানুষ। পরে তাকে এরেস্ট করে আর্মি হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাই। এরপর কি হলো, তা আমার জানা নাই। সত্যি কথা হলো,বঙ্গবন্ধুর মতো একজন ক্যারিশমেটিক নেতার সামনে যখন আমি দাঁড়িয়েছিলাম, তখন মনে হলো আমি ফিদ্যাল কাস্ত্রোর মতো একজন বিশ্ব নেতার সামনে দাঁড়িয়ে আছি।


বিবার্তা: একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন। ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে কেমন দেখতে চান?


বীরবিক্রম হামিদুল হাসান তারেক:ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন পজেটিভ মানুষ। ভুলভ্রান্তি তো দেশের সবখানে হয়ে থাকে। যেমনটি রাজনীতিবিদদের দ্বারাও হয়েছে, আমাদের দ্বারাও হয়েছে অর্থাৎ সেনাবাহিনীদের দ্বারাও হয়েছে।বঙ্গবন্ধু যেমন চেয়েছিলেন, একটি সোনার বাংলাদেশ। তখনকার মানুষের অনুভূতি এবং এখনকার মানুষের অনুভূতিতে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।


যদি আমরা একাত্তরের মানুষের মনমানসিকতার দিকে না যাই, তাহলে বুঝতেই পারবো না বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু কি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে সত্যিকারার্থে মুক্ত করতে।আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশকে একটি লাল সবুজ পতাকা উপহার দিয়েছি। হয়তো আর কিছুদিন পরে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে আহ্বান থাকবে, এই রক্তমাখা পতাকাকে তোমরা যত্ন করো। এই পতাকার মান তোমরা উন্নত থেকে উন্নততর করো। এরই মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে সার্থক করা হবে।


বিবার্তা/রাসেল-রোমেল/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com