তৈরি পোশাকে বাড়ছে আয়কর
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০১৮, ১৭:২৯
তৈরি পোশাকে বাড়ছে আয়কর
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

নতুন বাজেটে তৈরি পোশাকে গত বছরের তুলনায় আয়কর বাড়ানো হচ্ছে।


বৃহস্পতিবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এই প্রস্তাব করেন।


নতুন বাজেটে তৈরি পোশাকের সাধারণ কারখানার করহার ১৫ শতাংশ ও তৈরি পোশাকের তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রে গত বছর একক আয়কর হার ছিল ১২ শতাংশ।


অন্যদিকে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবেশসম্মত ভবন সনদ (গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন) আছে এমন সবুজ কারখানার আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশে নির্ধারণের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।


মুহিত বলেন, দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তৈরি পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এ খাতকে বিশেষ কর সুবিধা প্রদান করা হয়।


এছাড়া তৈরি পোশাক খাতের পণ্যের রফতানি মূল্যের ওপর উৎসে করহার আগের বছরের মতোই দশমিক ৭ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে।


আসছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। পুরো বাজেটে খরচের চাহিদা মেটাতে অর্থমন্ত্রী তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে চান, যা মোট জিডিপির ১৩.৪ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর নিয়ন্ত্রিত কর থেকে দুই লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা, এনবিআরবহির্ভূত করব্যবস্থা থেকে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা এবং কর ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা।


বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া এডিপিতে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর জন্য আলাদা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।


বাড়তি খরচের চাহিদা মেটাতে অর্থমন্ত্রীকে বড় অঙ্কের ঘাটতি রাখতে হচ্ছে নতুন অর্থবছরে। বাজেটে ঘাটতি থাকছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। এটি মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৪.৯ শতাংশ। অবশ্য বাজেটে চার হাজার ৫১ কোটি টাকা বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার আশা থাকছে। ওই অনুদান পাওয়া গেলে ঘাটতি দাঁড়াবে এক লাখ ২১ হাজার ২৪২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৪.৭ শতাংশ।


ঘাটতি মেটাতে অর্থমন্ত্রীর দরকার হবে এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫৪ হাজার ৬৭ কোটি টাকা। ঘাটতির বাকি ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা নেয়া হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হবে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যবস্থা থেকে সংগ্রহ করা হবে ২৯ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।


বিবার্তা/তৌহিদ/সোহান

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com