ইউরোপে পোশাক রফতানি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৯:৩৪
ইউরোপে পোশাক রফতানি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

রাশিয়া-ইউক্রেণ যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বাজারে পোশাক রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।


সম্প্রতি ইউরোপীয় কমিশনের পরিসংখ্যান সংস্থা ‘ইউরোস্ট্যাট’ পোশাক আমদানির এই তথ্য প্রকাশ করেছে।


ইউরোস্ট্যাট জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুনে ইউরোপিয় বাজারে বৈশ্বিক গড় পোশাক আমদানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। সেখানে শীর্ষ পোশাক আমদানির উৎস হলো চীন। উল্লেখিত সময়ে চীন থেকে ইউরোপের পোশাক আমদানি বেড়েছে ২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দেশটি থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেসময়ে পোশাক রফতানিতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি ছিল বাংলাদেশের। বাংলাদেশ ১১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে।


অপরদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের তৃতীয় বৃহত্তম পোশাকের উৎস তুরস্ক থেকে পোশাক আমদানি ২০ দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ে ইউরোপ তুরস্ক থেকে ১০ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পোশাক আমদানি করেছে।


একই সময়ে ইউরোপের অন্যান্য শীর্ষ পোশাক আমদানির উৎস যেমন কম্বোডিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারত থেকে আমদানি যথাক্রমে ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, ৪০ দশমিক ১৫ শতাংশ, ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ হারে বেড়েছে।


বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বাসসকে বলেন, বিশ্বব্যাপী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে। এর মধ্যেও আমরা আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবৃদ্ধিটা ভালভাবে ধরে রাখতে পেরেছি। তবে আগামী তিন থেকে চার মাস সেখানে আমাদের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কম থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


তিনি মনে করেন রাশিয়া-ইউক্রেণ যুদ্ধ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ হারের সুদ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতনের প্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেকাংশে বেড়ে গেছে। সে কারণে এখন সেখানকার মানুষ পোশাকের ব্যয় কমাচ্ছে। তবে ডিসেম্বরের পর আবার সেখানে পোশাকের চাহিদা বাড়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।


ফারুক হাসান বলেন, ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের মত প্রধান প্রধান বাজারের পাশাপাশি ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মত আমাদের উদীয়মান যেসব বাজার রয়েছে, সেখানে পোশাক রফতানি বাড়ানোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এছাড়া উচ্চ মূল্যের বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং ইনোভেটিভ ডিজাউনের পোশাক তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, যাতে রফতানি আয় বাড়ানো যায়। সূত্র: বাসস


বিবার্তা/জামাল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com