
তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এতে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর স্বাক্ষর সম্পন্ন হলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো অপশক্তি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। ষড়যন্ত্রে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট হাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ও তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশী বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করতে প্রায় ৯ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী এ মহাপরিকল্পনার উদ্বোধন করবেন। দেশ-বিদেশে বিভিন্ন আলোচনা চলছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আজাদ বলেন, প্রকল্পটি ঘিরে কেউ ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত্রতত্র বালু উত্তোলন বন্ধে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগী সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) কাজ শুরু করেছে।
দেশের কোন কোন নদী থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে ও কোনগুলো থেকে যাবে না, সে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। শিগগিরই তালিকাটি জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হবে। এর ফলে নদী থেকে অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে।
বিবার্তা/সুজন/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]