
বিদেশে প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় কোনও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরে পোস্টাল ব্যালটে কিছু পরিবর্তন আনা এবং সেখানে প্রার্থীর নাম যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) একটি গণমাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
ইসি মাছউদ বলেন, দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। বিশেষ করে আসনভিত্তিক প্রার্থীদের নাম সংযুক্ত করে পোস্টাল ব্যালট ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় সেখানে কোনও পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট অপরিবর্তিতই থাকছে। তিনি আরও বলেন, দেশের ভেতরের পোস্টাল ব্যালট এখনও ছাপানো হয়নি। তাই সেখানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইসি আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেছিলেন, আসন্ন গণভোটে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের কোনও প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসার কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তাদের নিরপেক্ষ থাকতে হবে। এটা স্ট্রিক্টলি মানতে হবে।
বর্তমানে সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা গণভোট নিয়ে সরব হয়ে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট চাইছেন। অথচ এ গণভোটে কোনও রাজনৈতিক দল নেই, কোনও নির্দিষ্ট প্রার্থী নেই এবং গণভোটের জন্য আলাদা কোনও আচরণবিধিও প্রণয়ন করা হয়নি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা একটি ব্যালট পেপারে সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক প্রার্থীর নাম ও প্রতীক দেখে ভোট দেবেন। অন্য আরেকটি ব্যালট পেপারে চারটি বিষয়ের ওপর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানাবেন।
এবারের সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরিচালনায় ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের এসব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হবে। অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণার সুযোগ থাকবে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]