জিপির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ওয়াসফিয়া
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০১৬, ২০:৪০
জিপির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ওয়াসফিয়া
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

গ্রামীণফোনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন।সম্প্রতি গ্রামীণফোন এ বিষয়ে তার সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির আওতায় তিনি গ্রামীণফোনের সাথে সামাজিক ক্ষমতায়নে কাজ করবেন।



২০১১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০তম বার্ষিকী উদযাপন এবং এই সময়ে সব ক্ষেত্রে নারীর অগ্রযাত্রাকে সম্মান জানাতে ওয়াসফিয়া তার মহাকাব্যিক অভিযাত্রা শুরু করেন।



২০১৫ তে তিনি প্রথম ও একমাত্র বাঙালি হিসেবে সেভেন সামিট জয়ের দুর্লভ রেকর্ড করেন এবং বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তোলেন।



গ্রামীণফোনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে উচ্ছসিত ওয়াসফিয়া বলেন, গ্রামীণফোনের মতো বিশ্বস্ত একটি ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমার ভালো লাগছে। এদেশে যাত্রা শুরুর পর থেকেই গ্রামীণফোন সেবার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। তাদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।



গ্রামীণফোন মানুষকে বহুদূর যেতে ও তাদের স্বপ্নের পেছনে ছুটতে অনুপ্রাণিত করছে। আমি কখনই আমার স্বপ্ন বিসর্জন দেইনি এবং লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হইনি। আমার বহুদূরের যাত্রা কেবল শুরু হয়েছে। আমার যেমন একটি লক্ষ্য রয়েছে, তেমনি ব্র্যান্ড হিসেবে গ্রামীণফোনেরও লক্ষ্য রয়েছে উৎকর্ষে পৌঁছানোর। প্রতিষ্ঠানটি তার লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।



এভারেস্ট বিজয়ী ওয়াসফিয়া গ্রামীণফোনকে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানই মনে করেন না। শুরু থেকেই গ্রামীণফোন সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে দায়িত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামীণফোন নির্দিষ্ট গণ্ডি থেকে বেরিয়ে সব বয়স, শ্রেণি ও পেশার মানুষকে উৎসাহিত করতে বছরজুড়ে অনলাইন স্কুল, সাধারণ মানুষের শিক্ষার জন্য সহজে ইন্টারনেটে শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়ন বিষয়ক অন্যান্য উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।



এই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ওয়াসফিয়া দেশ ও দেশের মানুষকে গ্রামীণফোনের নানা উদ্যোগের সাথে যুক্ত করে তাদের সফলতার পথে নেতৃত্ব দিতে চান।



শিক্ষাজীবন থেকেই ওয়াসফিয়া মানবাধিকার, উন্নয়ন, গবেষণা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের সাথে জড়িত। নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করার জন্য ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ২০১৪ সালে ওয়াসফিয়াকে বর্ষসেরা অভিযাত্রীর ঘোষণা দিয়ে সম্মানিত করে। আবার ২০১৬ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক তাকে এমার্জিং এক্সপ্লোরার খেতাব দেয়। আবার ২০১৬ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক তাকে এমার্জিং এক্সপ্লোরার খেতাব দেয়।



আবার ২০১৬ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক তাকে এমার্জিং এক্সপ্লোরার খেতাব দেয়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে তিনি একইসাথে অভিযাত্রী ও এক্সপ্লোরার খেতাবধারী।



বিবার্তা/উজ্জ্বল/কাফী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (২য় তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com